ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতিদিন হাঁটলেই মিলতে পারে শক্তিশালী শরীর

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন আমরা হাঁটাকে খুব সাধারণ একটি কাজ হিসেবে দেখি। অনেকেই মনে করেন, শরীর গঠন বা শক্তি বাড়াতে শুধু ভারী ব্যায়াম বা জিমই দরকার। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। হাঁটা শুধু শরীর নড়ানোর কাজ নয়, এটি মানবদেহের সবচেয়ে মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ গতির একটি অংশ।

হাঁটার সময় আমাদের শরীরের প্রায় সব অংশ একসঙ্গে কাজ করে—পা, গোড়ালি, হাঁটু, কোমর, মেরুদণ্ড, বুক এমনকি কাঁধও। প্রতিটি পদক্ষেপে দেহের ভার এক পা থেকে আরেক পায়ে স্থানান্তরিত হয়। এই সময় কোমর ও পায়ের স্বাভাবিক ঘূর্ণন, হাতের দোলন এবং পেশির সমন্বিত কাজ শরীরকে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে হাঁটা শুধু চলাফেরার দক্ষতা বাড়ায় না, বরং শরীরের শক্তি ব্যবহারের ধরনকেও উন্নত করে। এতে কোমরের স্থিতিশীলতা বাড়ে, নিতম্বের পেশি সক্রিয় হয় এবং শরীরের ভঙ্গি সোজা থাকে। এমনকি শ্বাসপ্রশ্বাসও হয় আরও স্বাভাবিক ও কার্যকর।

তবে হাঁটার ধরন ঠিক না হলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন—পিঠ সামনের দিকে ঝুঁকে যাওয়া, হাঁটার গতি ছোট হয়ে যাওয়া বা কোমরের অস্থিরতা। এতে ধীরে ধীরে কোমর ব্যথা, হাঁটুতে চাপ বা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞরা বলেন, হাঁটার সময় শরীর সোজা রাখা, পেট ও কোমর সমানভাবে রাখা, এবং পায়ের পেছন দিক দিয়ে মাটি ঠেলে এগোনো খুব গুরুত্বপূর্ণ। হাত স্বাভাবিকভাবে দোলাতে হবে এবং দৃষ্টি রাখতে হবে সামনে। এতে শরীরের ভারসাম্য ও শক্তি দুইই বাড়ে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শ্বাসপ্রশ্বাস। হাঁটার সময় নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া এবং মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়লে শরীরের চাপ কমে, মানসিক প্রশান্তিও বাড়ে।

সঠিক হাঁটা শুধু দৈনন্দিন চলাফেরা সহজ করে না, বরং এটি শরীরকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ভিত্তি তৈরি করতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিমে ভারী ব্যায়ামের আগে বা পাশাপাশি যদি হাঁটার কৌশল ঠিক করা যায়, তাহলে পুরো শরীরের সক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

অর্থাৎ, প্রতিদিনের এই সাধারণ হাঁটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ শক্তি—যা অনেকেই অবহেলা করেন।

সূত্র: সিএনএন


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
সকালে না বিকেলে, কখন হাঁটলে বেশি উপকার
প্রতিদিন একটু হাঁটলেই কমবে বহু রোগের ঝুঁকি
খাওয়ার পরে হাঁটলে যে উপকার মিলে
দিনে মাত্র ৫ মিনিট হাঁটলেই মিলতে পারে সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন