ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ব্যায়ামের মধ্যে ঘন ঘন পানি পানে যে বিপদ ডেকে আনে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
ব্যায়ামের মধ্যে ঘন ঘন পানি খেলে কী হয় । ছবি: সংগৃহীত

ব্যায়াম করতে গিয়ে ঘাম হওয়া, হাঁপিয়ে যাওয়া—এগুলো একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু এই সময়েই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ওয়ার্কআউটের মধ্যে পানি খাওয়া কি ঠিক, নাকি এতে শরীরচর্চার ক্ষতি হয়?

অনেকেই মনে করেন, ব্যায়ামের মধ্যে বারবার পানি খেলে পেট ভার হয়ে যায় এবং শরীরচর্চার ছন্দ নষ্ট হয়। তাই কেউ কেউ কষ্ট হলেও ব্যায়াম শেষ না হওয়া পর্যন্ত পানি পান করেন না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়।

ব্যায়ামের মধ্যে পানি খাওয়া কি ঠিক?

ব্যায়ামের সময় পানি খাওয়া নিষেধ নয়। বরং ভুল হচ্ছে—একসঙ্গে বেশি পানি খেয়ে ফেলা।

শরীরচর্চার সময় ঘাম বের হয়, শরীরের তরল কমে যায়। এই সময় যদি একসঙ্গে অনেক পানি খাওয়া হয়, তাহলে পেটে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিন্তু অল্প অল্প করে পানি খেলে কোনো সমস্যা হয় না।

ব্যায়ামের সময় পানি না খেলে কী হয়?

ব্যায়ামের সময় শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর তরল বেরিয়ে যায়। এই অবস্থায় পানি না খেলে শরীর ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে পড়ে।

আরও পড়ুন

ডিহাইড্রেশন হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়, স্ট্যামিনা কমে, মনোযোগ নষ্ট হয় এবং পেশির কার্যকারিতাও কমে যায়।

এছাড়া অতিরিক্ত ঘাম ও পানির ঘাটতির কারণে মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা এবং পেশিতে খিঁচুনিও হতে পারে।

আঘাতের ঝুঁকিও বাড়ে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যায়ামের সময় শরীর হাইড্রেটেড না থাকলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে জয়েন্ট ও লিগামেন্ট ঠিকভাবে সাপোর্ট পায় না।

ফলে ভারী ব্যায়াম বা দ্রুত গতির শরীরচর্চার সময় ভুল মুভমেন্ট হলে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কীভাবে পানি খাওয়া উচিত?

ব্যায়ামের সময় একসঙ্গে অনেক পানি না খেয়ে অল্প অল্প করে চুমুক দিয়ে পানি খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

প্রয়োজনে ঘামের পরিমাণ বেশি হলে লবণ-চিনি মেশানো পানি বা ডাবের পানিও খাওয়া যেতে পারে। তবে সাধারণভাবে শুধু পানিই শরীরের তরল ঘাটতি পূরণে যথেষ্ট।

ব্যায়ামের মধ্যে পানি খাওয়া ক্ষতিকর নয়, বরং প্রয়োজনীয়। ভুলটা শুধু পরিমাণে। তাই শরীরকে সচল রাখতে ওয়ার্কআউটের সময় নিয়ম করে অল্প অল্প করে পানি খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর অভ্যাস।

সূত্র: বিবিসি


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
লো প্রেশার থাকলে ব্যায়ামের আগে জানুন এই সতর্কতা 
মাত্র ১০ মিনিটেই করুন পুরো শরীরের ব্যায়াম
মন ভালো রাখতে মানুন ৪ সহজ অভ্যাস
ব্যায়ামের সময় নেই? ঘরের কাজেই মিলবে উপকার