ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

পুরুষের সুখ সত্যিই কি নারীরা সহ্য করতে পারেন না?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
পুরুষের সুখ সহ্য হয় না নারীদের?  । ছবি: সংগৃহীত

পুরুষরা যখন সুখে-শান্তিতে থাকেন, তখন নাকি নারীরা তা সহজে মেনে নিতে পারেন না। এমনই এক সম্পর্ক-বিষয়ক বিশেষজ্ঞের এই দাবি ঘিরে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা।

সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ওই বিশেষজ্ঞের মতে, পুরুষের জীবনে যখন শান্ত, স্বস্তিদায়ক ও ঝামেলাহীন সময় আসে, তখন অনেক নারী অবচেতনভাবে ঝগড়া বা অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেন। তার ভাষ্য, সম্পর্কে নিজের প্রভাব বজায় রাখা কিংবা সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রবণতা থেকেই এমন আচরণ দেখা যেতে পারে।

এই বক্তব্য সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেক পুরুষ নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে এই তত্ত্বের সঙ্গে একমত হয়েছেন। তাদের দাবি, জীবনের সবচেয়ে শান্ত সময়গুলোতেই অকারণে নানা বিরোধের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

অন্যদিকে বিপরীত মতও কম নয়। অসংখ্য নারী এই তত্ত্বকে একপেশে ও ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে, সম্পর্কের জটিলতাকে নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখানো ভুল এবং এটি পুরোনো মানসিকতার প্রতিফলন।

আরও পড়ুন

মনোবিজ্ঞানীদের একাংশও বলছেন, সম্পর্কের অশান্তির পেছনে সাধারণত যোগাযোগের ঘাটতি, মানসিক দূরত্ব কিংবা পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব কাজ করে। শুধু একজনের সুখ দেখে অন্যজন ইচ্ছাকৃতভাবে সমস্যা তৈরি করেন— এমন ধারণার পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও বন্ধুত্ব। সম্পর্কে যখন সমালোচনা, অবহেলা কিংবা একে অপরকে না বোঝার প্রবণতা বাড়ে, তখনই দূরত্ব তৈরি হয়। সেটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের কারণে নয়, বরং সম্পর্কের ভেতরের সমস্যার ফল।

আধুনিক যুগের দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্কের নিয়ম নিজেরাই তৈরি করেন। তাই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যে কোনো তত্ত্বকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে খোলামেলা আলোচনা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়াকেই গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাই ‘পুরুষের সুখ সহ্য হয় না নারীদের’— এমন দাবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেও, সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীদের বড় একটি অংশ এটিকে সর্বজনীন সত্য হিসেবে মানতে নারাজ। তাদের মতে, সুখী সম্পর্কের চাবিকাঠি কোনো তত্ত্ব নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়া।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
যৌন হয়রানি প্রতিরোধে বিসিবির স্বাধীন কমিটি, প্রধান ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম
নিউইয়র্কের আইনসভায় নির্বাচিত হলেন প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী
২০২৭ সাল ঘিরে বড় সুখবর, দুই ঈদে থাকছে লম্বা ছুটি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নর ডেব হাল্যান্ড