ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীরে কী ঘটে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ১১:২৯ এএম
টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীরে কী ঘটে   । ছবি: সংগৃহীত

দিনের শুরু হোক কিংবা অফিসের ব্যস্ততা, বন্ধুদের আড্ডা বা বিকেলের অবসর— এক কাপ চা যেন অনেকের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু টানা ৯০ দিন যদি চা না খাওয়া হয়, তাহলে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন আসে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুরুতে কিছুটা অস্বস্তি হলেও সময়ের সঙ্গে শরীর নতুন অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেয়। এতে ঘুম, শক্তি এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

যারা প্রতিদিন কয়েকবার চা পান করেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রথম এক থেকে দুই সপ্তাহ কিছুটা কঠিন হতে পারে। ক্যাফিনের অভাবে মাথাব্যথা, ক্লান্তি, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি এবং বারবার চা খাওয়ার ইচ্ছা দেখা দিতে পারে। তবে এসব সমস্যা সাধারণত সাময়িক। কয়েকদিনের মধ্যেই শরীর ক্যাফিন ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে শুরু করে।

তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহে অনেকেই শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন টের পান। সারাদিন শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। চা খাওয়ার তীব্র ইচ্ছাও ধীরে ধীরে কমে যায়। ক্যাফিনের কারণে শক্তি হঠাৎ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার প্রবণতাও অনেকটাই কমে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়ে থাকা ক্যাফিন অনেক সময় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে বিকেল বা রাতে চা পান করলে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই চা কমিয়ে দিলে বা বন্ধ করলে অনেকের দ্রুত ঘুম আসে এবং ঘুমের মানও উন্নত হয়। ভালো ঘুমের কারণে দিনের বেলায় মনোযোগ, কাজের দক্ষতা এবং মানসিক অবস্থারও উন্নতি হতে পারে।

যাদের খালি পেটে দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চা ছাড়ার পর অম্বল, গ্যাস, পেট ফাঁপা বা হজমের নানা সমস্যা কমতে পারে। তবে এটি ব্যক্তিভেদে এবং জীবনযাপনের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

টানা তিন মাস বা ৯০ দিন চা না খেলে শরীর নতুন অভ্যাসের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারে। অনেকেই জানান, তাদের ঘুম আরও গভীর হয়েছে, সারাদিন শক্তি একই রকম থাকে, ক্যাফিনের ওপর নির্ভরতা কমে যায় এবং দৈনন্দিন কাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ে। অতিরিক্ত ক্যাফিন কম গ্রহণ করলে হৃদ্‌যন্ত্রেরও উপকার হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চা সম্পূর্ণ ছেড়ে দেওয়া সবার জন্য জরুরি নয়। পরিমিত পরিমাণে চা পান স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে। সমস্যা তখনই হয়, যখন সারাদিনে অতিরিক্ত চা পান করা হয় বা ক্লান্তি দূর করার একমাত্র উপায় হয়ে ওঠে চা।

তাই সুস্থ থাকতে শুধু চা কমানো নয়, বরং সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
চাঁদপুরে ১০০ প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন আর্থিক সহায়তা
চাঁদপুরে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, আরও ২ জন গ্রেপ্তার
ব্র্যাকে চাকরির সুযোগ, বেতন ছাড়াও রয়েছে নানান সুবিধা
ঢাকাসহ ৬ জেলায় চাকরি দেবে আরএফএল গ্রুপ, লাগবে যে যোগ্যতা