ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

সুস্থ থাকতে হলে মেনে চলতে হবে এই ১২ অভ্যাস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬, ১১:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

সুস্থ জীবনযাপন শুধু রোগমুক্ত থাকার বিষয় নয়। শরীর ও মন ভালো রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত কিছু ভালো অভ্যাস। যেমন সঠিক খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ভালো ঘুম— এসব ছোট ছোট পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে বড় ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রায় কিছু অভ্যাস যোগ করলে অনেক ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব।

১. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

শরীরের জন্য উপযুক্ত ওজন বজায় রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে শুধু ওজনের সংখ্যা নয়, বয়স, শরীরের গঠন ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

২. পুষ্টিকর খাবার খান

শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজন সুষম খাবার। খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন— ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার, খনিজ উপাদান, আঁশযুক্ত খাবার, শস্যজাতীয় খাবার, বাদাম, কম চর্বিযুক্ত প্রোটিন ও কম চর্বিযুক্ত দুধজাত খাবার।

৩. প্রক্রিয়াজাত খাবার কমান

প্যাকেটজাত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে সাধারণত বেশি লবণ, চিনি ও চর্বি থাকে। এসব খাবার নিয়মিত খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে চিপস, মিষ্টি জাতীয় খাবার, কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৪. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

শরীরের জন্য পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পর্যাপ্ত পানি পান করলে— মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ভালো থাকে, হজমে সহায়তা করে। এছাড়াও শরীরে শক্তি বজায় থাকে ও কিডনির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। সাধারণভাবে দিনে প্রায় ৮ গ্লাস পানি পান করার লক্ষ্য রাখা যেতে পারে।

৫. নিয়মিত ব্যায়াম করুন

শারীরিক কার্যক্রম শরীরকে সক্রিয় রাখে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে মন ভালো থাকে, পেশি শক্ত হয় এবং ঘুম ভালো হয়। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করার চেষ্টা করা উচিত।

৬. দীর্ঘ সময় বসে থাকা কমান

অনেকক্ষণ বসে থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বেশি সময় নিষ্ক্রিয় থাকলে স্থূলতা, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

৭. খোলা বাতাসে সময় কাটান

প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মন ভালো রাখা ও মানসিক চাপ কমাতেও সহায়তা করে।

৮. পর্যাপ্ত ঘুমান

ভালো ঘুম শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময় শরীর শক্তি ফিরে পায়। এ সময়ের মধ্যে পেশি মেরামত করে, মস্তিস্ককে শান্ত রেখে স্মৃতি ঠিক রাখে। এও মনে রাখা উচিৎ, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করা উচিত।

৯. মদ্যপান এড়িয়ে চলুন

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য মদ্যপান সীমিত রাখা বা এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।

১০. ধূমপান ছাড়ুন

ধূমপান ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্রসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের ক্ষতি করে। যেকোনো বয়সে ধূমপান ছাড়া যায়; ছাড়লে স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

১১. প্রয়োজন হলে ভিটামিন গ্রহণ করুন

শরীরে কোনো পুষ্টির ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন বা পরিপূরক গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছায় নিয়মিত এসব গ্রহণ না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

১২. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে অনেক রোগ শুরুতেই শনাক্ত করা সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও টিকা নেওয়া সুস্থ থাকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বলে রাখা, সুস্থ জীবন কোনো একদিনের সিদ্ধান্ত নয়। প্রতিদিনের ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই তৈরি করে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের কলাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে পাকার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কলার শর্করা, স্বাদ, গঠন ও হজমের ওপর প্রভাবের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে।
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আরও পড়ুন
সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
জমি লিখে না দেওয়ায় শতবর্ষী বাবাকে হাসপাতালে নিতে দেয়নি ছেলে
হাসপাতালের টয়লেট নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন এমপি খোকন
শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য লড়াই ও মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট: প্রয়োজন এক সহমর্মী ক্যাম্পাস