ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার নতুন ট্রেন্ড ‘ফুটবল ডেটিং’, জানুন বিস্তারিত

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
এবার নতুন ট্রেন্ড ‘ফুটবল ডেটিং’, জানুন বিস্তারিত । ছবি: সংগৃহীত

একসময় প্রথম দেখার জন্য কফির আড্ডা কিংবা রাতের খাবারই ছিল সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে সময় বদলেছে। এখন অনেক তরুণ-তরুণীর কাছে প্রথম দেখা মানেই একসঙ্গে বসে খেলা দেখা। ফুটবল থেকে শুরু করে টেনিস—বড় কোনো আসর চললে এই ধরনের দেখা করার প্রবণতাও বাড়ছে।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে খেলা দেখা শুধু বিনোদন নয়, বরং একজন মানুষের স্বভাব, ধৈর্য ও আচরণ বোঝারও ভালো সুযোগ তৈরি করে।

বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, তরুণদের একটি বড় অংশ প্রথম দেখায় একসঙ্গে খেলা দেখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এমনকি গভীর রাতেও প্রিয় দলের খেলা একসঙ্গে দেখার জন্য অনেকেই প্রস্তুত থাকেন।

তবে খেলা দেখার জন্য মাঠে যাওয়াই একমাত্র উপায় নয়। কোনো খাবারের দোকান, আড্ডার জায়গা কিংবা নিজের ঘরেও একসঙ্গে বসে খেলা উপভোগ করা যায়।

কেন জনপ্রিয় হচ্ছে এই ধারা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম দেখাতেই একজন মানুষকে পুরোপুরি চেনা সম্ভব নয়। কিন্তু খেলার সময় মানুষের স্বাভাবিক আবেগ প্রকাশ পায়। তখন তিনি জয়-পরাজয় কীভাবে মেনে নেন, অন্যের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করেন কিংবা ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলাতে পারেন কি না—এসব সহজেই বোঝা যায়।

আরও পড়ুন

আবার আপনি খেলাপ্রেমী হলেও যদি সঙ্গী আপনার আনন্দের জন্য আগ্রহ নিয়ে পাশে বসে খেলা দেখেন, তাহলে সেটিও ইতিবাচক মানসিকতার পরিচয় দেয়। এতে বোঝা যায়, তিনি আপনার পছন্দকে গুরুত্ব দেন এবং একসঙ্গে সময় কাটাতে আগ্রহী।

যেসব আচরণ সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, খেলা দেখার সময় কিছু আচরণ ভবিষ্যতের সম্পর্ক নিয়ে সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।

১. দল হারলেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা।
২. পরাজয়ের পর অন্যের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা।
৩. খেলা দেখতে গিয়ে অতিরিক্ত মাদক বা মদ্যপানে জড়িয়ে পড়া।
৪. খেলার নিয়ম না জানলে সঙ্গীকে ছোট করা বা উপহাস করা।
৫. খেলা চলার সময় কোনো প্রশ্ন করলে বিরক্ত হওয়া।
৬. অন্যের আগ্রহকে একেবারেই গুরুত্ব না দেওয়া।

যেসব আচরণ ইতিবাচক

খেলা দেখার সময় কিছু আচরণ ভালো সম্পর্কের সম্ভাবনাও তুলে ধরে।

১. একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হিসেবে খেলাকে গুরুত্ব দেওয়া।
২. খেলার বিষয়ে ধৈর্য ধরে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া।
৩. জয়-পরাজয় যাই হোক, শান্ত ও স্বাভাবিক থাকা।
৪. দল হারলেও অন্যের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করা।
৫. সঙ্গীর পছন্দকে মূল্য দেওয়া এবং তার আনন্দে অংশ নেওয়া।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে খেলা দেখা শুধু বিনোদনের মুহূর্ত নয়। এটি একজন মানুষের ধৈর্য, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সম্মানবোধ এবং সম্পর্কের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বোঝারও একটি সহজ উপায়। তাই অনেকের কাছেই এখন প্রথম দেখা মানেই কফির আড্ডা নয়, বরং প্রিয় দলের খেলা একসঙ্গে উপভোগ করা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
যে কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পর্কের দিকে ছুটছে তরুণরা, কী এই ‘ফ্রিফল ডেটিং’
ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ ফাইনালের সাক্ষী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
এবারই প্রথম বিশ্বকাপজয়ীদের হাতে উঠবে ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ: রাবি যেন এক টুকরো ফুটবল গ্যালারি