ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকায় কম দামে বৈচিত্র্যময় ও টেকসই লাগেজ মিলবে যে মার্কেটে 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ঢাকায় কম দামে বৈচিত্র্যময় ও টেকসই লাগেজ মিলবে যে মার্কেটে  । ছবি: সংগৃহীত

ভ্রমণ, পড়াশোনা কিংবা চাকরির জন্য দেশ-বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? ভালো মানের লাগেজ কিনতে বেশি টাকা খরচ করতে না চাইলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেট হতে পারে আপনার জন্য দারুণ একটি ঠিকানা। কম দামে টেকসই ও নানা ধরনের লাগেজের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত এই বাজার।

একসময় এই জায়গাটি ব্যাগের বাজার বা চামড়ার বাজার নামে পরিচিত ছিল। এখন সবাই একে লাগেজ বাজার বলেই চেনে। এখানে প্রায় ৫০টি দোকানে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের লাগেজ বিক্রি হয়।

জানা যায়, ১৯৬৮ সালের দিকে এই বাজারে লাগেজের ব্যবসা শুরু হয়। আশির দশকে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার পর বাজারটি আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে লোহার ট্রাংক ও ভারী স্যুটকেসের জায়গা দখল করে নেয় আধুনিক চাকাওয়ালা ট্রলি ব্যাগ।

luggage
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেট । ছবি: সংগৃহীত

কী ধরনের লাগেজ পাওয়া যায়

বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়বে বিভিন্ন রঙের চার চাকার ট্রলি ব্যাগ। লাল, নীল, কালো, বাদামি থেকে শুরু করে নানা রঙের লাগেজ সাজানো থাকে দোকানজুড়ে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে জলরোধী শক্ত ফাইবারের লাগেজ। এগুলোতে ভেতরের জিনিসপত্র নিরাপদ থাকে। পাশাপাশি কাপড়ের তৈরি ট্রলি ব্যাগও পাওয়া যায়। যাঁরা বাড়তি পকেট বা বেশি জায়গা চান, তাঁদের কাছে এই ধরনের ব্যাগের চাহিদা বেশি।

আরও পড়ুন

কোন সাইজ কার জন্য

ছোট বা ২০ ইঞ্চির লাগেজ ১ থেকে ৩ দিনের ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত। এটি বিমানের কেবিনেও নেওয়া যায়।

মাঝারি বা ২৪ ইঞ্চির লাগেজ ৪ থেকে ৭ দিনের ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এতে সহজেই ১৫ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত মালপত্র রাখা যায়।

বড় বা ২৮ থেকে ৩২ ইঞ্চির লাগেজ দীর্ঘদিনের ভ্রমণ, বিদেশে পড়াশোনা কিংবা চাকরির জন্য বেশি উপযোগী। এতে ২৩ থেকে ৩২ কেজি পর্যন্ত মালপত্র বহন করা যায়।

দেশি-বিদেশি নানা ব্র্যান্ড

এই বাজারে আন্তর্জাতিক ও দেশি—দুই ধরনের লাগেজই পাওয়া যায়। বিভিন্ন মান, নকশা ও দামের কারণে ক্রেতারা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই পছন্দের লাগেজ বেছে নিতে পারেন।

কত দাম

কাপড়ের লাগেজের দাম শুরু হয় প্রায় আড়াই হাজার টাকা থেকে, যা পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

অন্যদিকে ফাইবারের লাগেজের দাম শুরু হয় প্রায় তিন হাজার টাকা থেকে। মান ও ব্র্যান্ডভেদে এর দাম ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

বেশিরভাগ লাগেজের সঙ্গে অন্তত দুই বছরের বিক্রয়-পরবর্তী সেবা সুবিধা পাওয়া যায়। চাকা, জিপার বা তালার সমস্যারও দ্রুত সমাধান করা হয়।

কখন যাবেন

শুক্রবার বাজার বন্ধ থাকে। অন্য দিনগুলোতে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে।

বাস কিংবা মেট্রোরেলে খুব সহজেই বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে যাওয়া যায়। মেট্রোরেলে গেলে বাংলাদেশ সচিবালয় স্টেশনে নেমে অল্প হাঁটলেই পৌঁছে যাওয়া সম্ভব এই জনপ্রিয় লাগেজ বাজারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
ভ্রমণের আগে লাগেজের আকার ঠিক করুন, বাঁচান সময় ও খরচ
লাগেজের ভেতরে মিলল যুবকের মরদেহ
বিমানবন্দরে লাগেজ চুরি ও প্রবাসীদের সঙ্গে আচার-ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশনা
লাগেজে মিললো এয়ারগান, বিমানবন্দরে আটক ১