ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

গাব খাওয়ার এত স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে অবাক হবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ এএম
গাবের খাওয়ার পুষ্টিগুণ জানলে দামি ফলও ভুলে যাবেন । ছবি: সংগৃহীত

বর্ষা এলেই বাজারে দেখা মেলে দেশি মৌসুমি ফল গাবের। একসময় গ্রামবাংলার পরিচিত এই ফল এখন শহরের ফলের দোকান ও ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের কাছেও সহজেই পাওয়া যায়। স্বাদে অনন্য এই ফল শুধু জিভের তৃপ্তিই দেয় না, শরীরের জন্যও বয়ে আনে নানা উপকার। তাই পুষ্টিবিদরা মৌসুমে খাদ্যতালিকায় গাব রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

গাবের দুটি জাত রয়েছে—দেশি গাব ও বিলিতি গাব। এর মধ্যে বিলিতি গাবের জনপ্রিয়তা বেশি। গাঢ় বেগুনি-লাল রঙের এই ফলের খোসা মখমলের মতো নরম। খোসা ছাড়াতেই বের হয় মিষ্টি সুগন্ধ। ভেতরের দুধ-সাদা শাঁস খুব বেশি মিষ্টি না হলেও মুখে দিলেই মাখনের মতো গলে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গাবে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টি উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম গাবে রয়েছে প্রায় ৫০৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, প্রচুর পানি, আমিষ, শর্করা, খাদ্য আঁশ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, লোহা, ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি। এসব উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন

গাবের অন্যতম বড় গুণ হলো এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি সর্দি, জ্বর, কাশি ও বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

শুধু তাই নয়, গাবে থাকা উচ্চমাত্রার খাদ্যশক্তি শরীরের দুর্বলতা দূর করতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত রাখতে ভূমিকা রাখে, আর পটাশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। একই সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও গাব উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্যও গাব উপকারী হতে পারে। এতে থাকা খাদ্য আঁশ হজমে সাহায্য করে এবং মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খেলে অন্ত্রের সুস্থতা বজায় থাকে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকিও কমতে পারে।

হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও গাবের ভূমিকা রয়েছে। এতে থাকা ফসফরাস ও অন্যান্য খনিজ উপাদান হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়া গাবের খোসার রস আমাশয় ও পাতলা পায়খানার মতো সমস্যায়ও উপকার দিতে পারে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।

একসময় অর্থনৈতিক গুরুত্ব কম থাকলেও বর্তমানে গাবের চাহিদা অনেক বেড়েছে। স্বাদ ও পুষ্টিগুণ—দুই দিক থেকেই এটি একটি উপকারী মৌসুমি ফল। তাই মৌসুমে নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে গাব খেলে শরীর যেমন প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে, তেমনি নানা রোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করবে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল কখন জানা যাবে
৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের প্রতিবাদ
ইবিতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন সর্বনিম্ন অ্যাকাডেমিক ফলধারী!
সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য