ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মুখে কতক্ষণ ফেসপ্যাক লাগিয়ে রাখা উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে অনেকেই ফেসপ্যাক ব্যবহার করে থাকেন। প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি এই ফেসপ্যাক ব্যবহারে নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তবে ফেসপ্যাক ব্যবহারের কিছু কায়দাকানুন রয়েছে, যা না মানলেই নয়। অনেকেই জানেন না, ঠিক কতক্ষণ মুখে ফেসপ্যাক লাগিয়ে রাখা যায়। আর তা নির্ভর করবে কী ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর। কসমোলজিস্টদের মতে, ফেসপ্যাক ব্যবহারে ১৫-২০ মিনিট যথেষ্ট। অর্থাৎ এ সময় পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা ভালো।

কোন ফেসপ্যাক কতক্ষণ?

- হলুদের ফেসপ্যাক বেশিক্ষণ রাখলে ত্বকে দাগ পড়ে যাবে। তাই ২০ মিনিটই যথেষ্ট।

- এদিকে শসার ফেসপ্যাক ১৫-২০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা যায়।

- মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক ২০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা যায়। এর বেশি নয়।

- আবার অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারির ফেসপ্যাক ১৫ মিনিট লাগাতে হয়।

- অন্যদিকে টক দইয়ের ফেসপ্যাক ২০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা যায়। এর বেশি নয়।

- বেসনের ফেসপ্যাক লাগিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করবেন না। ৮-১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন

ফেসপ্যাক সপ্তাহে কত দিন?

ফিরে ফিরে এ প্রশ্ন আসবেই! কত দিন অন্তর ফেসপ্যাক ব্যবহারে সুফল মেলে? বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত একদিন ফেসপ্যাক মুখে লাগানো উচিত। প্রয়োজনে দুই দিনও ফেসপ্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মাঝে তিন দিনের বিরতি দিতেই হবে। না হলে ছয় দিন অন্তর ফেসপ্যাক লাগালেও মিলবে উপকার। তার বেশি বা এর থেকে কম দিন ফেসপ্যাক না ব্যবহার করাই উচিত।

কোন ফেসপ্যাক উপকারী

বাজারের ফেসপ্যাক ব্যবহার করতেই পারেন। তবে ত্বকের ধরন বুঝে এবং ফেসপ্যাকে উপস্থিত উপাদানের তালিকায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া উচিত। এ ছাড়া ঘরোয়া ফেসপ্যাকও ভালো। তা যদি হয় প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ফেসপ্যাক ব্যবহারের আগে ত্বকের ধরন খেয়াল রাখা উচিত। বাড়িতে বেসন, দুধের সর এবং সামান্য পরিমাণে পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিতে পারেন। এ ফেসপ্যাকে উপকার মিলবে।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভুল মানুষ, তবুও বারবার প্রাক্তনকে মনে পড়ে কেন
সম্পর্ক শেষ হয়েছে অনেক দিন আগে। জীবনও নিজের মতো এগিয়ে চলছে। আপনি জানেন, মানুষটি আপনার জন্য সঠিক ছিলেন না।
ভুল মানুষ, তবুও বারবার প্রাক্তনকে মনে পড়ে কেন
অল্প বয়সেই চুল পড়া কিসের লক্ষণ
একসময় চুল পড়া বা টাক পড়াকে বয়স বাড়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হতো। তবে বর্তমানে অনেক তরুণের ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, কপালের দুই পাশ থেকে চুল সরে যাওয়া কিংবা মাথার ওপরের অংশে চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
অল্প বয়সেই চুল পড়া কিসের লক্ষণ
একা বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে যা করবেন 
হঠাৎ বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব হলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এটি হৃদরোগের বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
একা বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে যা করবেন 
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন অনেকেই। কেউ দ্রুত ফল পেতে চান, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চান।
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
আরও পড়ুন
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন নিয়ে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক বুধবার
আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কারও মৃত্যু হোক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৬৫৫   
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদেরকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা