ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

মুখে কতক্ষণ ফেসপ্যাক লাগিয়ে রাখা উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে অনেকেই ফেসপ্যাক ব্যবহার করে থাকেন। প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি এই ফেসপ্যাক ব্যবহারে নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তবে ফেসপ্যাক ব্যবহারের কিছু কায়দাকানুন রয়েছে, যা না মানলেই নয়। অনেকেই জানেন না, ঠিক কতক্ষণ মুখে ফেসপ্যাক লাগিয়ে রাখা যায়। আর তা নির্ভর করবে কী ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর। কসমোলজিস্টদের মতে, ফেসপ্যাক ব্যবহারে ১৫-২০ মিনিট যথেষ্ট। অর্থাৎ এ সময় পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা ভালো।

কোন ফেসপ্যাক কতক্ষণ?

- হলুদের ফেসপ্যাক বেশিক্ষণ রাখলে ত্বকে দাগ পড়ে যাবে। তাই ২০ মিনিটই যথেষ্ট।

- এদিকে শসার ফেসপ্যাক ১৫-২০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা যায়।

- মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক ২০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা যায়। এর বেশি নয়।

- আবার অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারির ফেসপ্যাক ১৫ মিনিট লাগাতে হয়।

- অন্যদিকে টক দইয়ের ফেসপ্যাক ২০ মিনিট পর্যন্ত লাগিয়ে রাখা যায়। এর বেশি নয়।

- বেসনের ফেসপ্যাক লাগিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করবেন না। ৮-১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন

ফেসপ্যাক সপ্তাহে কত দিন?

ফিরে ফিরে এ প্রশ্ন আসবেই! কত দিন অন্তর ফেসপ্যাক ব্যবহারে সুফল মেলে? বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত একদিন ফেসপ্যাক মুখে লাগানো উচিত। প্রয়োজনে দুই দিনও ফেসপ্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মাঝে তিন দিনের বিরতি দিতেই হবে। না হলে ছয় দিন অন্তর ফেসপ্যাক লাগালেও মিলবে উপকার। তার বেশি বা এর থেকে কম দিন ফেসপ্যাক না ব্যবহার করাই উচিত।

কোন ফেসপ্যাক উপকারী

বাজারের ফেসপ্যাক ব্যবহার করতেই পারেন। তবে ত্বকের ধরন বুঝে এবং ফেসপ্যাকে উপস্থিত উপাদানের তালিকায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া উচিত। এ ছাড়া ঘরোয়া ফেসপ্যাকও ভালো। তা যদি হয় প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ফেসপ্যাক ব্যবহারের আগে ত্বকের ধরন খেয়াল রাখা উচিত। বাড়িতে বেসন, দুধের সর এবং সামান্য পরিমাণে পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিতে পারেন। এ ফেসপ্যাকে উপকার মিলবে।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
অক্টোবরে রেকর্ড প্রাণহানির পর ডেঙ্গুতে এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর প্রাণহানি
রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেলেন সোনাবাড়ীয়ার শতাধিক মানুষ