ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ডাবের পানি কতক্ষণ ভালো থাকে, জানুন সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
ডাব কাটার পর ডাবের পানি কতক্ষণ ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে তা নিরাপদ থাকবে, তা জানা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

গরমে শরীর চাঙ্গা রাখতে ডাবের পানির জুড়ি নেই। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা প্রাকৃতিক খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এই পানীয় শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়ক। তবে ডাব কাটার পর তার পানি দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখা ঠিক নয়। সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে নষ্ট হয়ে গিয়ে পেটের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

তাই ডাব কাটার পর পানি কতক্ষণ ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে তা নিরাপদ থাকবে, তা জানা জরুরি।

ডাবের পানি কতক্ষণ ভালো থাকে?

ডাব থেকে পানি বের করার পর যত দ্রুত সম্ভব পান করে নেওয়াই ভালো। কারণ ডাবের পানি বাতাসের সংস্পর্শে এলে দ্রুত তার গুণমান হারাতে শুরু করে।

তবে একবারে পান করা সম্ভব না হলে পরিষ্কার ও বায়ুরোধী পাত্রে ঢেলে সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে রাখতে পারেন। এভাবে রাখলে ডাবের পানি সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। এর বেশি সময় সংরক্ষণ না করাই নিরাপদ।

আরও পড়ুন

দীর্ঘদিন রাখতে চাইলে কী করবেন?

ডাবের পানি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে চাইলে সাধারণ ফ্রিজে রাখার বদলে বরফ তৈরির পাত্রে ঢেলে জমিয়ে রাখতে পারেন। ডাবের পানির তৈরি বরফের টুকরো ফ্রিজারে প্রায় দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। পরে এগুলো শরবত বা বিভিন্ন পানীয় তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

ডাবের পানি নষ্ট হয়েছে বুঝবেন কীভাবে?

ডাবের পানির স্বাভাবিক মিষ্টি গন্ধের পরিবর্তে যদি টক বা ঝাঁঝালো গন্ধ পাওয়া যায়, তাহলে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া পানি যদি অস্বাভাবিকভাবে ঘোলাটে হয়ে যায়, তাহলেও সেটি না খাওয়াই ভালো।

ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা পানি কি খাওয়া যাবে?

হ্যাঁ, পরিষ্কার ও বায়ুরোধী পাত্রে রেখে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে ফ্রিজের ঠান্ডা ডাবের পানি খাওয়া যায়। তবে ২৪ ঘণ্টার বেশি সংরক্ষণ না করাই ভালো।

বোতলজাত পানীয় এতদিন ভালো থাকে কেন?

বোতলজাত ডাবের পানীয় এবং সদ্য কাটা ডাবের পানির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বোতলজাত পানীয় বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা হয় এবং এতে সংরক্ষণকারী উপাদানও থাকতে পারে। তাই বোতলের মুখ বন্ধ থাকা অবস্থায় তা তুলনামূলকভাবে দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

অন্যদিকে, ডাব কেটে পানি বের করার পর তা বাতাসের সংস্পর্শে আসে। ফলে দীর্ঘক্ষণ বাইরে রেখে দিলে দ্রুত গুণমান নষ্ট হতে পারে। তাই ডাব কাটার পর যত দ্রুত সম্ভব পানি পান করাই সবচেয়ে ভালো।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
কলা ঝুলিয়ে সংরক্ষণ করা জরুরি কেন
বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস আজ
গরমে স্বস্তি দেয় ডাবের পানি
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল