ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

তীব্র গরমে ব্যায়াম করবেন যেভাবে, শরীর থাকবে নিরাপদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
প্রচণ্ড গরমে ব্যায়াম করার আগে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি, না হয় গুরুতর অসুস্থতার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । ছবি: সংগৃহীত

তীব্র গরমে ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। প্রচণ্ড গরমে দৌড়ানো, হাঁটা কিংবা খেলাধুলা করলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে। এমনকি অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গিয়ে গুরুতর অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে।

তবে গরমের কারণে একেবারে শরীরচর্চা বন্ধ করে দেওয়াও দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যদি শারীরিকভাবে কম সক্রিয় হয়ে পড়ে, তাহলে ভবিষ্যতে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই গরমের সময়ে কখন, কীভাবে এবং কতক্ষণ ব্যায়াম করা নিরাপদ—তা জানা জরুরি।

গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয় কেন?

শরীরচর্চার সময় পেশি কাজ করে এবং শরীরে তাপ তৈরি হয়। শরীর তখন ঘাম ও ত্বকের দিকে বেশি রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে।

কিন্তু ত্বকে রক্তপ্রবাহ বাড়লে একই রক্ত পেশিতে অক্সিজেন পৌঁছানোর কাজেও কম পাওয়া যায়। ফলে গরমের মধ্যে শরীরচর্চা করলে দ্রুত ক্লান্তি আসতে পারে। একই সঙ্গে শরীরের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং হৃদ্‌যন্ত্রকেও বেশি কাজ করতে হয়।

তাই প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক সময়ের মতো একই মাত্রায় শরীরচর্চা চালিয়ে যাওয়া সব সময় নিরাপদ নয়।

সম্ভব হলে সকাল বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করুন

গরমের মধ্যে নিরাপদে শরীরচর্চার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সময় পরিবর্তন করা। সম্ভব হলে ভোর বা সকালে, কিংবা সন্ধ্যার পর ব্যায়াম করা ভালো।

সরাসরি রোদে শরীরচর্চা না করে ছায়াযুক্ত জায়গা বেছে নেওয়াও জরুরি। একই জায়গায় ছায়া ও রোদের তাপমাত্রার মধ্যে বড় পার্থক্য থাকতে পারে। তাই গরমের দিনে ছায়াযুক্ত স্থান শরীরচর্চার জন্য তুলনামূলক নিরাপদ।

আরও পড়ুন

শুধু তাপমাত্রা নয়, বাতাসের আর্দ্রতাও দেখুন

গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখে। ঘাম ত্বক থেকে বাষ্প হয়ে উড়ে যাওয়ার সময় শরীরের তাপ কমে।

কিন্তু বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘাম সহজে শুকাতে পারে না। ফলে শরীরের তাপ কমানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। বাতাস চলাচল কম এমন জায়গায় শরীরচর্চা করলেও গরমের চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।

তাই ব্যায়ামের আগে শুধু তাপমাত্রা নয়, বাতাসের আর্দ্রতা ও চলাচলের বিষয়টিও বিবেচনা করা ভালো।

গরমে ব্যায়ামের সময় কমিয়ে দিন

যেদিন গরম বেশি, সেদিন প্রতিদিনের মতো দীর্ঘ সময় শরীরচর্চা করার প্রয়োজন নেই। ব্যায়ামের সময় কমিয়ে আনা এবং মাঝেমধ্যে বিরতি নেওয়া নিরাপদ।

প্রয়োজনে সকালে অল্প সময় হাঁটা কিংবা ঘরের ভেতরে হালকা শরীরচর্চা করা যেতে পারে। গরমের দিনে নিজের স্বাভাবিক গতির চেয়ে ধীরে চলাই ভালো।

বিরতির সময় সম্ভব হলে ঠান্ডা জায়গায় যান। ছায়ায় বসুন, ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং শরীরকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরতে সময় দিন।

শরীর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শরীর ঠান্ডা করার জন্য শুধু বরফের প্যাক ব্যবহার করলেই সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায় না। কারণ বরফের প্যাক সাধারণত শরীরের অল্প একটি অংশে ঠান্ডা পৌঁছায়।

এর বদলে হাত ও বাহুর কিছু অংশ ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখা যেতে পারে। শরীরের ত্বকে পানি ঢাললেও উপকার পাওয়া যায়। পানি ত্বক থেকে বাষ্প হয়ে উড়ে যাওয়ার সময় শরীরের তাপ কমাতে সাহায্য করে।

ভেজা ঠান্ডা তোয়ালে হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে বারবার ব্যবহার করেও শরীর ঠান্ডা রাখা যায়।

ব্যায়ামের আগেই শরীর ঠান্ডা করে নিন

গরমের মধ্যে বের হওয়ার আগে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে নেওয়াও উপকারী হতে পারে। এতে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছাতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে।

ঠান্ডা পানি বা বরফ মেশানো পানি শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে নিজের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে এসব পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত।

ধীরে ধীরে গরমের সঙ্গে অভ্যস্ত হোন

গরমে হঠাৎ করে বেশি সময় শরীরচর্চা না করে ধীরে ধীরে সময় ও পরিমাণ বাড়ানো ভালো। নিয়মিতভাবে প্রায় এক থেকে দুই সপ্তাহ গরমের মধ্যে শরীরচর্চা করলে শরীর ধীরে ধীরে তাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরু করে।

এ সময় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বাড়ে, ঘাম হওয়ার হার বাড়ে এবং রক্তের তরল অংশের পরিমাণও বাড়তে পারে। ফলে শরীর গরমের চাপ তুলনামূলক ভালোভাবে সামলাতে পারে।

তবে এই অভ্যাস স্থায়ী নয়। নিয়মিত গরমের সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না দিলে কিছুদিন পর সেই অভিযোজন কমে যেতে পারে।

শরীরের সংকেতকে অবহেলা করবেন না

গরমে শরীরচর্চার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের শরীরের সংকেত বোঝা। শুধু অভ্যাস আছে বা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বলে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ঠিক নয়।

মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা হৃদ্‌স্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়াম বন্ধ করতে হবে। এরপর দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় গিয়ে শরীর ঠান্ডা করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

গরমে শরীরচর্চা করার সময় নিজের গতি কমিয়ে আনা দুর্বলতার লক্ষণ নয়। বরং অতিরিক্ত গরমে নিজের শরীরকে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়গুলোর একটি হলো প্রয়োজন বুঝে থেমে যাওয়া।

তাপমাত্রা বাড়লেও শরীরচর্চা পুরোপুরি বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে গরমের দিনে কখন ব্যায়াম করবেন, কোথায় করবেন, কতক্ষণ করবেন এবং কীভাবে শরীর ঠান্ডা রাখবেন—এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

সকালে বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা, ছায়াযুক্ত জায়গা বেছে নেওয়া, সময় ও পরিশ্রম কমানো, নিয়মিত বিরতি নেওয়া এবং শরীরের সংকেত বুঝে প্রয়োজন হলে থেমে যাওয়া—এই অভ্যাসগুলো গরমে নিরাপদে সক্রিয় থাকতে সাহায্য করতে পারে।

তাপপ্রবাহ যত বাড়বে, ততই শুধু কতটা শরীরচর্চা করছি তা নয়—কখন, কোথায় এবং কীভাবে করছি, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

সূত্র: বিবিসি


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
লো প্রেশার থাকলে ব্যায়ামের আগে জানুন এই সতর্কতা 
মাত্র ১০ মিনিটেই করুন পুরো শরীরের ব্যায়াম
মন ভালো রাখতে মানুন ৪ সহজ অভ্যাস
ব্যায়ামের সময় নেই? ঘরের কাজেই মিলবে উপকার