ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আমেরিকায় পুলিশ গাড়ি থামালে বাংলাদেশিদের যে ৪ কথা না বলাই ভালো

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি চালানোর সময় পুলিশ থামালে শান্ত থাকা এবং নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি । ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ পুলিশ থামালে অনেকেই ভয় বা নার্ভাস হয়ে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কথা বলে ফেলেন। বিশেষ করে নতুন অভিবাসী কিংবা দেশটির ট্রাফিক আইন ও পুলিশি প্রক্রিয়ার সঙ্গে কম পরিচিতদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা বেশি ঘটতে পারে। কিন্তু পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় অসতর্কভাবে বলা কিছু কথা পরে টিকিট, তদন্ত কিংবা আদালতের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের নির্দেশনা অনুযায়ী, পুলিশ গাড়ি থামালে চালক ও যাত্রী—দুজনেরই কিছু সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে পুলিশ চাইলে চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির নিবন্ধন এবং বীমার প্রমাণ দেখাতে হয়।

এ সময় শান্ত থাকা, হঠাৎ কোনো নড়াচড়া না করা এবং হাত এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে পুলিশ দেখতে পারেন। জেনে নিন, এমন পরিস্থিতিতে কোন চার ধরনের কথা বা আচরণ এড়িয়ে চলা ভালো।

১. ‘আপনি আমার গাড়ি তল্লাশি করতে পারেন’

পুলিশ যদি গাড়ি তল্লাশির অনুমতি চায়, তাহলে নিজের অধিকার সম্পর্কে না জেনে তড়িঘড়ি সম্মতি দেওয়া ঠিক নয়। সাধারণভাবে চালক নিজের গাড়ি তল্লাশির অনুমতি দিতে বাধ্য নন।

সম্মতি দিতে না চাইলে শান্তভাবে বলতে পারেন, ‘অফিসার, আমি তল্লাশিতে সম্মতি দিচ্ছি না।’

তবে এর অর্থ এই নয় যে পুলিশ কোনো অবস্থাতেই গাড়ি তল্লাশি করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে গাড়ি তল্লাশির ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে বৈধ আইনি কারণ থাকলে চালকের অনুমতি বা আগাম ওয়ারেন্ট ছাড়াও পুলিশ তল্লাশি করতে পারে।

তাই সম্মতি না দেওয়া আপনার অধিকার হলেও পুলিশি কাজে শারীরিকভাবে বাধা দেওয়া উচিত নয়।

আরও পড়ুন

২. নিজের ভুল স্বীকার করে অপ্রয়োজনীয় কথা

পুলিশ কেন গাড়ি থামিয়েছে, তা জানতে চাইলে ভয় পেয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে দীর্ঘ ব্যাখ্যা দেওয়া থেকে সতর্ক থাকা উচিত।

যেমন—
‘আমি জানতাম না এটা বেআইনি’,
‘আমি গতিসীমা খেয়াল করিনি’ কিংবা
‘দুঃখিত, আমি এখানে নতুন’—এ ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে শুধু ‘দুঃখিত’ বললেই কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দোষী হয়ে যান, এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। অভিযোগের সত্যতা নির্ভর করে প্রমাণ, আইন এবং সংশ্লিষ্ট আদালত বা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অপ্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা না দিয়ে নিজের চুপ থাকার অধিকার ব্যবহার করতে চাইলে তা স্পষ্টভাবে জানানো যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা ভুয়া নথি দেখানো যাবে না।

৩. অবৈধ কিছু বা মদ্যপানের তথ্য স্বেচ্ছায় বলা

পুলিশ কখনো জিজ্ঞাসা করতে পারে, ‘আপনি জানেন কেন আপনাকে থামানো হয়েছে?’ অথবা ‘আপনি কি মদ পান করেছেন?’

এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরে অপ্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি। সাধারণ পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে চালক ও যাত্রীর চুপ থাকার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে পরিচয়, ড্রাইভিং সংক্রান্ত কাগজপত্র, মদ বা মাদক গ্রহণ করে গাড়ি চালানোর তদন্ত এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনে আলাদা নিয়ম থাকতে পারে।

বিশেষ করে মদ বা মাদক গ্রহণ করে গাড়ি চালানোর অভিযোগ গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। গ্রেপ্তার, ফৌজদারি মামলা কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স স্থগিত হওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

কিছু অস্থায়ী ভিসাধারীর ক্ষেত্রে অভিবাসন বা ভিসা নিয়েও জটিলতা দেখা দিতে পারে।

৪. পুলিশের সঙ্গে তর্ক বা হঠাৎ নড়াচড়া

পুলিশ অফিসারের সঙ্গে তর্কে জড়ানো, শারীরিক প্রতিরোধ করা, পালানোর চেষ্টা কিংবা হঠাৎ পকেট বা গ্লাভ বক্সে হাত দেওয়া পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

পুলিশ গাড়ি থামালে নিরাপদ জায়গায় গাড়ি থামান। সম্ভব হলে ইঞ্জিন বন্ধ করুন, জানালা আংশিক নামিয়ে হাত স্টিয়ারিংয়ের ওপর রাখুন।

লাইসেন্স বা গাড়ির কাগজপত্র যদি গ্লাভ বক্সে থাকে, তাহলে হঠাৎ হাত না বাড়িয়ে আগে পুলিশকে জানান। যেমন বলতে পারেন, ‘আমার লাইসেন্স গ্লাভ বক্সে আছে, আমি কি সেটি বের করতে পারি?’

নিজের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে মনে হলে কী করবেন?

ঘটনার সময় পুলিশের সঙ্গে ঝামেলায় না জড়িয়ে পরিস্থিতি শান্তভাবে সামলানোই সবচেয়ে নিরাপদ। পরে প্রয়োজন হলে ঘটনার সময় ও স্থান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম বা ব্যাজ নম্বর এবং প্যাট্রোল গাড়ির নম্বর লিখে রাখতে পারেন।

জনসমক্ষে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ কর্মকর্তার কার্যক্রম ভিডিও বা ছবি ধারণের সাংবিধানিক সুরক্ষা রয়েছে। তবে রেকর্ড করার সময় পুলিশি কাজে শারীরিক বাধা সৃষ্টি করা বা বৈধ নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।

টিকিট পেলে কী করবেন?

ট্রাফিক টিকিট পেলে সেটিতে দেওয়া নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ুন। টিকিটের ধরন এবং কোন এলাকায় এটি দেওয়া হয়েছে, তার ওপর পরবর্তী প্রক্রিয়া নির্ভর করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ট্রাফিক আইন ও পুলিশি প্রক্রিয়ায় পার্থক্য রয়েছে। তাই সব পরিস্থিতিতে একই নিয়ম প্রযোজ্য—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—পুলিশ গাড়ি থামালে শান্ত থাকুন, প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং নথি দেখান, মিথ্যা তথ্য দেবেন না এবং নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

সূত্র: আমেরিকা বাংলা


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
‘সেলফ ড্রাইভিং’ চালু করে চলন্ত টেসলায় চালকের ঘুম, এরপর যা করল পুলিশ
পৌরসভার কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কালসার
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর