ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সারাক্ষণ কাঁদছে শিশু? যে লক্ষণে বুঝবেন সংক্রমণের ঝুঁকি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
বর্ষায় নবজাতক ও শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। পরিচ্ছন্নতা ও মশার কামড় থেকে সুরক্ষায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি । ছবি: সংগৃহীত

বর্ষায় শিশুদের নানা ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে ছড়ানো সংক্রমণ নিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক থাকা জরুরি। শিশুর আচরণে সামান্য পরিবর্তনও কখনও সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

বর্ষা মানেই হাঁচি-কাশি, জ্বরসহ নানা সংক্রমণের প্রকোপ। এই সময়ে শুধু বড়রাই নয়, নবজাতক ও ছোট শিশুরাও নানা ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে। এর মধ্যে প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়া রোগও রয়েছে। এসব রোগকে বলা হয় জুনোটিক রোগ।

স্ক্রাব টাইফাস, কোভিড-১৯, ইবোলা, জলাতঙ্ক ও সালমোনেলোসিস— এসব রোগ জুনোটিক সংক্রমণের উদাহরণ। শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের লক্ষণ অনেক সময় স্পষ্টভাবে প্রকাশ নাও পেতে পারে। তাই অভিভাবকদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

বর্ষায় কেন বাড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি?

বর্ষাকালে বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকে। জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। ফলে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

এছাড়া বর্ষায় পানীয় জলের সঙ্গে দূষিত পানি মিশে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। সেই পানিতে প্রাণীর মল-মূত্র মিশে গেলে তা পান করার মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়াও জীবাণুর টিকে থাকা ও বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল। ফলে বর্ষায় বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

সারাক্ষণ কাঁদছে শিশু? সতর্ক হোন

নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের লক্ষণ সব সময় স্পষ্ট হয় না। তবে কিছু পরিবর্তন দেখা গেলে অভিভাবকদের সতর্ক হওয়া উচিত।

শিশুর জ্বর হলে কিংবা শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলেও নজর দিতে হবে। সংক্রমণ হলে শিশু অনেক সময় খেতে চায় না বা স্বাভাবিকের তুলনায় কম খায়।

এছাড়া বমি, পাতলা পায়খানা, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ত্বকের রং পরিবর্তন কিংবা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়াও সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।

শিশু যদি অস্বাভাবিকভাবে সারাক্ষণ কাঁদতে থাকে, খিটখিটে হয়ে যায় কিংবা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘুমিয়ে থাকে, তাহলেও বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়।

শিশুকে সংক্রমণ থেকে কীভাবে দূরে রাখবেন?

শিশুকে সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। নবজাতককে স্পর্শ করার আগে, শিশুকে খাওয়ানোর আগে এবং খাবার প্রস্তুত করার আগে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

শিশুর পানীয় জল ভালোভাবে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়ানো উচিত। শিশুর ব্যবহৃত বাসনপত্রও পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রয়োজনে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বাড়িতে পোষ্য প্রাণী থাকলে শিশুর কাছ থেকে দূরে রাখা ভালো। একই সঙ্গে শিশুর শরীর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

বর্ষায় মশার কামড় থেকেও শিশুকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে মশারি ব্যবহার করা যেতে পারে।

ছোট লক্ষণও অবহেলা নয়

শিশু কথা বলে নিজের অসুবিধা জানাতে পারে না। তাই তার আচরণ, খাওয়ার অভ্যাস, ঘুম এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা দিলে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। জ্বর, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব বা খাওয়ার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মাঝনদীতে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু
বাড়ির পাশের খালে পড়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু
শিশুদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ: ডিএসসিসি প্রশাসক