ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ভাই-বোনে সারাক্ষণ ঝগড়া? বদলান এই ৪ অভ্যাস

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
বাবা-মায়ের সঠিক আচরণেই ভাই-বোনের মধ্যে ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। ছবি: এআই

একই বাড়িতে দুই সন্তান থাকলে তাদের মধ্যে টুকটাক ঝগড়া, মনোমালিন্য কিংবা খুনসুটি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কখনও খেলনা নিয়ে, কখনও মায়ের পাশে কে ঘুমাবে—এমন ছোট বিষয়েও শুরু হতে পারে তুমুল ঝগড়া। এসব মতবিরোধের মধ্য দিয়েই অনেক সময় শিশুরা একে অন্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখে।

তবে ঝগড়া যদি নিয়মিত মারামারি, অপমান বা হিংসার দিকে চলে যায়, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ ভাই-বোনের সম্পর্ক তাদের মানসিক বিকাশ ও বেড়ে ওঠার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ক্ষেত্রে সন্তানদের প্রতি বাবা-মায়ের আচরণও গুরুত্বপূর্ণ।

ভাই-বোনের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে অভিভাবকদের কয়েকটি বিষয় মেনে চলা জরুরি।

একে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না

আপুর মতো পড়তে পারো না? কিংবা ভাইয়া তো তোমার বয়সে এসব পারত—এ ধরনের কথা সন্তানকে বলা উচিত নয়। কারণ প্রতিটি শিশুর স্বভাব, দক্ষতা ও শেখার ধরন আলাদা।

একজনকে অন্যজনের সঙ্গে তুলনা করলে শিশুর মনে হীনমন্যতা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভাই-বোনের মধ্যেও প্রতিযোগিতা ও হিংসা বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

দু’জনের জন্য আলাদা সময় রাখুন

দুই সন্তান একসঙ্গে থাকলেও তাদের প্রয়োজন সবসময় এক রকম হয় না। তাই একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি প্রত্যেক সন্তানের সঙ্গে আলাদাভাবে কিছুটা সময় কাটানো দরকার।

কেউ হয়তো বাবা-মায়ের সঙ্গে গল্প করতে চায়, আবার কেউ খেলতে পছন্দ করে। সন্তানের পছন্দ অনুযায়ী তার সঙ্গে একান্তে সময় কাটালে সে বুঝতে পারে, বাবা-মায়ের কাছে তার গুরুত্ব আলাদা।

ঝগড়া হলেই কারও পক্ষ নেবেন না

ভাই-বোনের মধ্যে ঝগড়া হলেই একজনকে দোষী ধরে নেওয়া ঠিক নয়। আগে দু’জনের কথাই মন দিয়ে শুনতে হবে।

ছোটখাটো বিষয় হলে তাদের নিজেদের মধ্যে কথা বলে সমাধান করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে শিশুরা ধীরে ধীরে নিজেদের সমস্যা নিজেরাই মেটাতে শেখে।

তবে ঝগড়া যদি মারধর, অপমান কিংবা কারও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন অবশ্যই অভিভাবককে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

একজনের সামনে অন্যজনকে ছোট করবেন না

তোমার ভাই তো তোমার চেয়ে অনেক ভালো কিংবা তোমার বোনকে দেখো, ও কত শান্ত—এ ধরনের কথা সন্তানদের সামনে বলা উচিত নয়।

ভুল করলে শিশুকে বোঝানো বা শাসন করা যেতে পারে। কিন্তু অন্যের সামনে তাকে অপমান করা ঠিক নয়। এতে শিশুর মনে রাগ, কষ্ট বা ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। সেই ক্ষোভ পরে ভাই বা বোনের ওপরও গিয়ে পড়তে পারে।

ছোট অভ্যাসেই বদলাতে পারে সম্পর্ক

ভাই-বোনের মধ্যে মতবিরোধ থাকবেই। তবে বাবা-মায়ের আচরণ যদি ভারসাম্যপূর্ণ হয়, তাহলে ছোটখাটো ঝগড়া ধীরে ধীরে কমানো সম্ভব। সন্তানদের তুলনা না করে, দু’জনকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে এবং নিজেদের সমস্যা সমাধানের সুযোগ দিয়ে বড় করলে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
একই দিনে জন্ম, একই দিনে পুকুরে ডুবে মৃত্যু দুই ভাই-বোনের
প্রতিদিন ১৫ মিনিট বই পড়লেই মিলবে টাকা
নিয়মিত ব্যায়াম করেও হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করছে যে ছোট্ট অভ্যাস
আঙুল মটকানো ভালো না খারাপ? কী বলছে গবেষণা