ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

চোখের পাতা কাঁপছে বারবার? যে লক্ষণে সতর্ক হবেন 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ এএম
চোখের পাতা বারবার কাঁপলে ক্লান্তি, ঘুমের অভাব ও চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপের বিষয়গুলো খেয়াল করুন। ছবি: সংগৃহীত

চুপচাপ বসে আছেন, হঠাৎ খেয়াল করলেন চোখের পাতা কাঁপছে। কয়েক সেকেন্ড পর হয়তো ঠিকও হয়ে গেল। আবার কারও ক্ষেত্রে দিনের মধ্যে বারবার এমন হতে পারে। চোখের পাতা এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাঁপাকে সাধারণত চোখের পাতার পেশির অনিচ্ছাকৃত সংকোচন বলা হয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্যা সাময়িক এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। ক্লান্তি, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত চা-কফি পান কিংবা চোখে শুষ্কতা ও অস্বস্তির কারণে এমন হতে পারে। তবে কখনও কখনও দীর্ঘস্থায়ী চোখের পাতা কাঁপা অন্য কোনো সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।

কেন চোখের পাতা কাঁপে?

চোখের পাতা কাঁপার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • অতিরিক্ত ক্লান্তি ও ঘুমের অভাব
  • মানসিক চাপ বা উদ্বেগ
  • অতিরিক্ত চা-কফি পান
  • অতিরিক্ত শরীরচর্চা
  • চোখে চাপ পড়া
  • চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া
  • চোখে জ্বালা বা অস্বস্তি
  • অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো
  • বাতাস বা বায়ুদূষণের মতো পরিবেশগত কারণ
  • অতিরিক্ত মদ্যপান বা ধূমপান
আরও পড়ুন

দীর্ঘ সময় মুঠোফোন, কম্পিউটার বা অন্য পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলেও চোখে চাপ পড়তে পারে। এর ফলে চোখ শুষ্ক হওয়া, অস্বস্তি এবং চোখের পাতা কাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এছাড়া চোখের পাতায় প্রদাহ, চোখের সংক্রমণ, চোখের মাঝের স্তরে প্রদাহ বা মাথাব্যথার বিশেষ ধরনের সমস্যার সঙ্গেও চোখের পাতা কাঁপার সম্পর্ক থাকতে পারে। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও এমন হতে পারে।

সব কাঁপুনি এক রকম নয়

চোখের পাতা কাঁপার ধরন ও কারণ অনুযায়ী এর কয়েকটি ধরন রয়েছে।

সাধারণ পেশির কাঁপুনি

এটি সবচেয়ে পরিচিত ধরন। সাধারণত নিচের চোখের পাতায় হালকা টান বা কাঁপুনি অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশ্রাম নিলে এটি কমে যায়।

দুই চোখে দীর্ঘস্থায়ী কাঁপুনি

দীর্ঘদিন ধরে দুই চোখের পাতায় বারবার বা শক্তভাবে সংকোচন হলে এটি বিশেষ এক ধরনের স্নায়ুজনিত নড়াচড়ার সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সময়ের সঙ্গে চোখ ঝাপসা দেখা, আলো সহ্য করতে না পারা বা মুখের অন্য অংশেও কাঁপুনি দেখা দিতে পারে।

এক পাশের চোখ ও মুখ কাঁপা

শুধু এক চোখের পাতা দিয়ে শুরু হয়ে পরে মুখের একই পাশের অন্য অংশেও কাঁপুনি দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। কখনও কখনও চোখের পাতা এমনভাবে সংকুচিত হতে পারে যে চোখ বন্ধ হয়ে যায়, পরে মুখের এক পাশও টান পড়তে পারে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

সাধারণ চোখের পাতা কাঁপা নিয়ে সাধারণত উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু নিচের কোনো লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি—

  • চোখ লাল বা ফুলে গেলে
  • চোখ থেকে অস্বাভাবিক তরল বা ময়লা বের হলে
  • ওপরের চোখের পাতা ঝুলে পড়লে
  • প্রতিবার কাঁপুনির সময় চোখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে
  • কয়েক সপ্তাহ ধরে কাঁপুনি চলতে থাকলে
  • চোখের পাশাপাশি মুখের অন্য অংশও কাঁপলে

চোখে আঘাত লাগার পর এ ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চোখের স্বচ্ছ আবরণে আঁচড় লাগলে স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে।

কমাতে কী করবেন?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েক দিনের মধ্যেই চোখের পাতা কাঁপা কমে যায়। তবে সমস্যা কমাতে কিছু সহজ অভ্যাস কাজে লাগতে পারে।

চা-কফি কমান: অতিরিক্ত চা-কফি পান করলে কাঁপুনি বাড়তে পারে। তাই পরিমাণ কমিয়ে দেখুন।

পর্যাপ্ত ঘুমান: ঘুমের অভাব চোখের ওপর চাপ বাড়ায়। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম চোখের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

চোখ আর্দ্র রাখুন: চোখ শুষ্ক লাগলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাধারণ চোখের আর্দ্রতা রক্ষাকারী তরল ব্যবহার করা যেতে পারে।

গরম সেঁক দিন: চোখের পাতা কাঁপা শুরু হলে হালকা গরম কাপড় দিয়ে চোখে সেঁক দিতে পারেন।

খাবারে কোনো ঘাটতি থাকলে কি এমন হয়?

কিছু ক্ষেত্রে খনিজের ঘাটতির সঙ্গে পেশির সংকোচনের সম্পর্ক থাকতে পারে। বিশেষ করে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পেশির সংকোচনের কারণ হতে পারে।

তবে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি-১২ বা ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিই চোখের পাতা কাঁপার কারণ—এমন দাবির পক্ষে বর্তমানে যথেষ্ট প্রমাণ নেই। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষা করে শরীরে কোনো ভিটামিন বা খনিজের ঘাটতি আছে কি না তা নির্ণয় করতে পারেন।

চোখের পাতা কাঁপা ঠেকাতে যা খেয়াল রাখবেন

কখন চোখের পাতা বেশি কাঁপছে, তা লিখে রাখলে কারণ বোঝা সহজ হতে পারে। সেই সঙ্গে দিনে কতটা চা-কফি পান করছেন, ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাস আছে কি না, মানসিক চাপ কতটা এবং কত ঘণ্টা ঘুম হচ্ছে—এসবও খেয়াল করুন।

যদি দেখা যায় কম ঘুমের দিনগুলোতেই চোখ বেশি কাঁপছে, তাহলে রাতে কিছুটা আগে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

চোখের পাতা কাঁপা খুবই সাধারণ এবং বেশিরভাগ সময় ক্ষতিকর নয়। ক্লান্তি, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব কিংবা চোখে চাপ পড়ার মতো কারণ থাকলে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তনেই সমস্যা কমে যেতে পারে।

তবে কাঁপুনি দীর্ঘদিন ধরে চললে, চোখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে, চোখ লাল বা ফুলে গেলে কিংবা মুখের অন্য অংশেও কাঁপুনি দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: হেলথ লাইন

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
একসময় প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত মানুষ। ডাকপিয়নের হাতে চিঠি এলেই আনন্দে ভরে উঠত মন।
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা