ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

শীতে ত্বকের যত্নে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:২৮ পিএম

সারাদিন কড়া রোদ আর সন্ধ্যার পর থেকে ঠাণ্ডা, শীত তো এসেই গেল। আবহাওয়ার তারতম্যের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেরও পরিবর্তন হচ্ছে। আর শীতকাল মানেই শুষ্ক ত্বক! শুধু তাই নয় এ সময় ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সজীবতা ধরে রাখা অনেক কঠিন হয়ে যায়। ত্বকের মধ্যে নানান সমস্যার উদ্ভব হয়ে থাকে। তাই ত্বককে ভালো রাখার জন্য আমরা কত কিছুইনা করি।

এখন থেকেই ত্বকের খুঁটিনাটি যত্ন নিলে সারা শীতে থাকতে পারবেন সতেজ। শীতে ত্বক স্পর্শকাতর হয়ে যায়, দেখা দেয় শুষ্কতা, ব্রণ ইত্যাদি। গরমের জন্য যেসব পণ্য এত দিন ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো বদলে নিতে হবে ধীরে ধীরে এখন থেকেই।

শীতে রূপচর্চার কিছু কথা…

শীতে ধুলোবালি অনেক বেড়ে যায় তাই যতটা সম্ভব ত্বক পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে হবে। শীতকালে ত্বক কখনো একটু অদ্ভুত আচরণ করে, ত্বকে মিশ্র একটা ভাব দেখা দিতে পারে। মুখের টি জোন অর্থাৎ নাক-কপালের অংশ ছাড়া বাকি জায়গা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই ত্বকের ধরন বুঝে নিতে হবে বাড়তি যত্ন। যদি ত্বকে মিশ্র ভাব দেখা দেয় তবে সাধারণত যে ফেস ওয়াশ গরমকালে ব্যবহার করেছেন সেটাই রাখুন। তবে তা শুধু টি-জোনটুকুর জন্যই। শীতে ত্বক কে কোমল ও উজ্জ্বল রাখতে অ্যালোভেরা অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই ত্বক ভালো রাখতে এলোভেরাযুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। একটু বেশি শুষ্কতা দেখা দিলে ক্রিম ক্লিনজার, ক্লিনজিং মিল্ক অথবা গ্লিসারিন বার ব্যবহার করুন।

শীতের মিষ্টি রোদ কার না ভালো লাগে? কিন্তু অনেক সময় এই রোদই ত্বকের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই রোদে যাওয়ার আগে ভালো কোনো সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করে নিন। প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন আপনার সঙ্গে ক্লিনজিং ওয়াইপস বা ওয়েট টিস্যু আছে কি না।

যদি মেকাপ করেন তবে অবশ্যই তা ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। মেকাপ তুলতে বেবী অয়েল বা মেকাপ রিমুভার ব্যবহার করুন এবং শেষে হালকা গরন পানি ও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো কোন নাইট ক্রিম অথবা এর বদলে আমন্ড অয়েল লাগাতে পারেন। আমন্ড অয়েল ত্বক ময়েশ্চারাইজ যেমন করবে সাথে ত্বকের উজ্জলতা বাড়ানো, বয়সের ভাঁজ কমানো, ব্রণ অথবা দাগ দূর করতেও সাহায্য করবে।

এছাড়া আপনার ত্বকের চামড়াকে ভালো রাখার জন্য নানান রকমের ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ও লোশন ব্যবহার করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যাই ব্যবহার করেননা কেন সেটি যেন ভালো কোনো ব্র্যান্ডের হয়। তা নাহলে আপনার ত্বকের উপকার হওয়ার চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে।

অনেকের ত্বক এ তৈলাক্তভাব দেখা যায় তাদের ক্ষেত্রে হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাটাই উত্তম। যাদের মধ্যে রুক্ষ ভাব অনেক বেশি তারা সাবান ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকবেন। কেননা সাবানের মধ্যে ক্ষারের পরিমান বেশি থাকে যা ত্বকের ক্ষতি করে থাকে। তাই সাবানের পরিবর্তে আপনি ভালো কোনো বডিওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। গোসল করতে যাওয়ার আগে আপনার শরীরে ভালো করে তেল মাখিয়ে নিন তারপর গোসল করুন। ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক রাখার জন্য গোসল হয়ে গেলে লোশন ব্যবহার করুন। তাছাড়া ত্বকের শুষ্কভাব দূর করার জন্য প্রুতি রাতে ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

ঘরোয়া পদ্ধতিতেও ত্বকের যত্ন নিতে পারেন

কলা পেস্ট করে লাগালে শুষ্ক ত্বকে প্রাণবন্ত ভাব ফিরে আসবে। মধুও শুষ্ক ত্বকের জন্য খুব উপকারী। টমেটোর রসের সঙ্গে একটু মধু পেস্ট করে নিন। অনেক ভালো ফল পাবেন।

তৈলাক্ত ত্বকে শশার রস চমৎকারভাবে কাজ করবে। শশার রসের সাথে মুলতানি মাটি ও চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে লাগান। এতে যেমন তেলতেলে ভাব কমবে সাথে ত্বকের উজ্জ্বলতাও ফিরে আসবে। পেঁপে পেস্ট করে ১০-১৫ মিনিটের জন্য মুখে দিয়ে রাখুন। ত্বকের পোড়া ভাব দূর করবে। গাজর পেস্ট করে ১০ মিনিটের জন্য লাগালে উপকার পাবেন। চন্দন পেস্ট করে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ধুয়ে নিন।

সাধারণ থেকে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দুধের ক্রিম অথবা ত্বক দই-এর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গোলাপের পানি মেশান। মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে মাস্কটি লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন, হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পাবেন। কলা পেস্ট করে মধু মিশিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নারকেল তেল কিন্তু ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফেরাতে চমৎকার কার্যকরী। মুখে নারিকেল তেল লাগান। সুতির রুমাল গরম পানিতে ভিজিয়ে ভালো মতো নিংড়ে নিন। মুখের ওপর দিয়ে রাখুন কিছুক্ষণের জন্য। মুখটা মুছে নিয়ে এবার গোলাপ জল লাগিয়ে নিন। সব ধরনের ত্বকেই এটি মানিয়ে যাবে।

শীতকালে ত্বকের আদ্রতাভাব ও শুষ্ক ত্বক থেকে বাঁচতে হলে নিজের প্রতি হয়ে উঠুন অধিক যত্নশীল। কেননা অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে ত্বক বেশি শুষ্ক হয়। আর এ সময় প্রয়োজন হয় ত্বকের বিশেষ যত্ন।

এস/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রূপচর্চা ও রোগ নিরাময়ে নিমের তেল
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, চুল ও ত্বকের জন্য নিম তেলের বিকল্প হয় না। শুধু তাই নয়, সংক্রমণ কমানোর পাশাপাশি ত্বকের নানা রোগের প্রকোপ কমাতেও এটি দারুণ কাজে দেয়। তাই নিয়মিত ত্বক এবং চুলের পরিচর্যায় যদি নিম তেলকে কাজে লাগানো হয়, তাহলে সাধারণত যে উপকারগুলো পাওয়া যায়, তা দেখে নিন- ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে ত্বকের পরিচর্যায় নিমের তেল ব্যবহার করলে কোলাজনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে, এর ফলে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। ত্বকের আর্দ্রতা ফিরে আসে শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা নিয়মিত এই তেল লাগালে সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। প্রতিদিন নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে নিমের তেল মিশিয়ে ভালো করে সারা শরীরে ম্যাসেজ করলে উপকার পাওয়া যাবে। ব্রণের প্রকোপ কমে নিমের তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ থাকায় এটি ব্রণের স্থানে লাগালে ব্রণের প্রকোপ কমতে থাকে। ভালো ফল পেতে কয়েক ফোঁটা নিমের তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগান। কখনোই নিমের তেল সরাসরি মুখে লাগাবেন না। ত্বকের বয়স কমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বাড়ুক এমনটা যদি চান, তাহলে নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বকের ম্যাসেজ করতে ভুলবেন না যেন! এমনটা করলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিন টানটান হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। খুশকির সমস্যা দূর হয় সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলেই এই ধরণের ত্বকের সমস্যা হয়ে থাকে, যা নিমের তেল ব্যবহারে একদম কমে যায়। স্কাল্পের যে কোনও ধরণের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেলের বিকল্প নেই। যে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন না কেন, তাতে কয়েক ড্রপ নিমের তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান।  স্কিনের যত্নে কাজে আসে নিমে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টিজ থাকার কারণে ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্র বন্ধ করতে এটি দারুণ কাজে আসে। স্কিনের যত্ন নিতে নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে মুখে লাগান। নিম গাছের ভয়ে এইডস কাঁপে' – হ্যাঁ কথাটি ঠিকই পড়ছেন, নিম পাতা এইডস এর ভাইরাসকে মেরে ফেলতে অনেক সাহায্য করে। যদি বাড়িতে একটি নিমগাছ থাকে একজন ডাক্তারের চেয়ে ও বেশি কাজ করে।  shijang-O2 bubble foam * এটা আমাদের স্কিনের কেরাটিন প্রোটিনকে উজ্জীবিত করে। কেরাটিন হলো স্কিনের এমন এক প্রোটিন যা আমাদের ত্বকের কোষগুলোকে একটি আরেকটির সাথে আটকে রাখে। কেরাটিন প্রোটিন যদি কোন কারণে সতেজ না থাকে তাহলে স্কিন ধীরে ধীরে ঝুলে পড়ে এবং রিংকেল হয়।  ** একল্যান্টের O2 বাবল ফোম স্কিনের এই কেরাটিন প্রোটিনকে সতেজ করে তোলে, যার ফলে স্কিন হয় টাইট এবং স্মুথ। উপাদান  ডালিম, লিলি, বেদানা, রোজমেরি, জিঙ্ক। কাজ ওটু ক্লিনজার স্কিনকে ঝকঝকে করে দেয় কিন্তু স্কিনের ন্যাটারায় অয়েল অটুট থাকে। এটি স্কিনকে একেবারে ভেতর থেকে পরিস্কার করে। এটি স্কিন কে করে উজ্জ্বল, সতেজ, টানটান ও বয়সের ছাপও দূর করে। এস/ এমকে
রূপচর্চা ও রোগ নিরাময়ে নিমের তেল
দূরে থাকুক চোখের কালো দাগ
'চোখ যে মনের কথা বলে' বাংলা চলচ্চিত্রের কালজয়ী গানের অংশ। সুন্দর চোখ কে না চায়। কিন্তু চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল সৌন্দর্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বেশ কিছু কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়তে পারে যেমন, খাবারে অনিহা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, রাত জেগে থাকা বা ঘুম কম হওয়া, অতিরিক্ত কাজের চাপ নেয়া, বার্ধক্যজনিত কারণ, অনেক সময় সূর্যের অতি বেগুণী রশ্মির জন্য চোখের নিচে কালো দাগ হয়ে থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যত্নের অভাবে ডার্ক সার্কেল'র তৈরি করে। এবার সহজ কিছু টিপস জেনে নেয়া যাক    গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলার মধ্যে দু ফোটা গোলাপজল নিয়ে চোখের চার পাশে লাগান। এভাবে ১৫ মিনিট ম্যাসেজ করেন। এতে চোখে কমলতা ফেরাবে এবং ক্লান্তি ভাব দূর করবে। খোসাসহ আলু বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে পারেন। ৪ থেকে ৫দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করতে হবে। দু’ফোটা মুধু চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে মাখুন। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা চোখের ওপরের চামরার রোদে পোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করে। বরফ টুকরো নিয়ে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। চোখের কালো ভাব দূর করতে বরফ ভালো উপকার দেয়। ঘুমাতে যাবার আগে চোখ বন্ধ করে চারপাশে বাদামের তেল দিয়ে ম্যাসেজ করলে ডার্ক সার্কেল কমানো য়ায। রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। রোদে চলাফেরার সময় রোদ চশমা ব্যবহার করুন। মানসিক স্ট্রেস এড়িয়ে চলুন। মনকে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করুন সবসময়।  shijang- O2 bubble foam * এটা আমাদের স্কিনের কেরাটিন প্রোটিনকে উজ্জীবিত করে। কেরাটিন হলো স্কিনের এমন এক প্রোটিন যা আমাদের ত্বকের কোষগুলোকে একটি আরেকটির সাথে আটকে রাখে। কেরাটিন প্রোটিন যদি কোন কারণে সতেজ না থাকে তাহলে স্কিন ধীরে ধীরে ঝুলে পড়ে এবং রিংকেল হয়।  ** একল্যান্টের O2 বাবল ফোম স্কিনের এই কেরাটিন প্রোটিনকে সতেজ করে তোলে, যার ফলে স্কিন হয় টাইট এবং স্মুথ। উপাদান  ডালিম, লিলি, বেদানা, রোজমেরি, জিঙ্ক। কাজ ওটু ক্লিনজার স্কিনকে ঝকঝকে করে দেয় কিন্তু স্কিনের ন্যাটারায় অয়েল অটুট থাকে। এটি স্কিনকে একেবারে ভেতর থেকে পরিস্কার করে। এটি স্কিন কে করে উজ্জ্বল, সতেজ, টানটান ও বয়সের ছাপও দূর করে। এস
দূরে থাকুক চোখের কালো দাগ
শীত মানেই নকশি পিঠা
শীত এলেই পিঠা তৈরির ধুম পড়ে। নানা স্বাদের, নানা পদের পিঠা উৎসব হয় এই সময়ে। শীতকালের বিভিন্ন পিঠার মধ্যে নকশি পিঠা খুব স্বাদের। এলাকাভেদে একে ফুল পিঠা, দোভাজা পিঠা আবার সুন্দরী পাকন পিঠাও বলে। শহরের যান্ত্রিক জীবনে বসে নকশি পিঠা খাওয়ার সুযোগ কই? তাই বলে কি পিঠা খাবেন না?  চিন্তার কিছু নেই। তাহলে জেনে নিন কীভাবে এই পিঠা বানাতে হয়। নকশি পিঠা বানাতে যা যা লাগবে  আতপ চালের গুড়া ২ কাপ, ময়দা আধা কাপ (ময়দা নিলে মথতে সুবিধা হয়), পানি ২.৫ থেকে ৩ কাপ, লবণ আধা চা চামচ, নারিকেল গুড়া আধা কাপ, তেল ভাজার জন্য। সিরার জন্য   চিনি বা গুড় এবং পানি, খেজুর কাটা অথবা টুথপিক, ধার এর খাজ কাটার জন্য পাতলা টিনের টুকরা, নতুন চিরুনি ভেঙ্গে ২/৩ দাঁত রাখতে হবে নকশা করার জন্য। যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমেই একটি পাতিলে পানি, লবণ দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এবার চালের গুড়া দিয়ে দিন। তারপর সেদ্ধ করে ডো বানিয়ে নিন। এখন বেলন পিড়ি দিয়ে মোটা রুটি করে নিন। রুটির উপর কয়েক ফোটা তেল মেখে নিন। এবার খেজুর কাটা দিয়ে ইচ্ছেমত ডিজাইন একে নিন। কাটা দিয়ে কেটে কেটে ডিজাইন তুলে নিন। টিনের টুকরা দিয়ে চার ধারের খাজ কেটে নিন। এবার ডুবো তেলে সময় নিয়ে ভালো করে ভাজতে হবে। একবার ভেজে অনেকদিন রেখে দেয়া যায়। এটা পরিবেশন-এর আগে আরেকবার ভেজে চিনি বা গুড়ের সিরা দিতে হয়। অনেক এলাকায় খুব জনপ্রিয় এই পিঠা। নতুন জামাই, ঈদের সময় বা মেহমানদারি করতে এই পিঠার খুব কদর।  রেসিপি: পারভীন আক্তার এস/ এমকে 
শীত মানেই নকশি পিঠা
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বড় কোনো রোগের কারণ
মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া অনেকেই এই অসুখের সঙ্গে পরিচিত। এই সমস্যায় কমবেশি অনেকেই পড়েন। খুব সামান্য খোঁচা লাগলে অথবা অকারণেই মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে অনেকেরই। কিন্তু কেন হয় এই রোগ, জানেন না অনেকেই। কেবল একটা আবছা ধারণা আছে, দাঁতের জোর বা মাড়ির জোর আলাদা হয়ে গেলে বা সেখানকার পেশী আঘাতপ্রাপ্ত হলে বুঝি এমনটা হয়! কিন্তু জানেন কি, এই সাধারণ রোগটিও ডেকে আনতে পারে হৃদরোগ, ডায়বেটিস বা ফুসফুসের মতো বড় কোনো অসুখ। এমনটাই বলছেন আমেরিকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ডেন্টাল অ্যান্ড ক্রানিওফেসিয়াল রিসার্চের গবেষকরা। এই অসুখের কারণ হিসেবে বেশ কয়েকটি বিষয়কে মাথায় রাখতে বলছেন তারা। জেনে নিন কেন রক্তপাত হয় মাড়ি থেকে প্লাক নামক এক ধরনের জীবাণুর প্রভাবে এই সমস্যা হতে পারে। মাড়ির টিস্যুর স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নষ্ট করে ধূপমান। কাজেই ধূমপায়ীদের এই সমস্যা হয়। গর্ভবতী মায়েরা হরমোনের ওঠানামার কারণে এই রোগের শিকার হন। ভিটামিন ‘সি’ ও পানির অভাব মাড়ির সমস্যা তৈরি করে। অনেকে বংশগতভাবে এই রোগের শিকার হন। গ্রিন টি মাড়ির জীবাণু তাড়াতে সক্ষম। চিকিৎসকদের মতে, কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতিতেই রুখে দেয়া যায় এই রোগের হানা। তেমনই কিছু সমাধান দেয়া হলো— প্রতিদিন গরম পানি লবণ মিশিয়ে তিনবার কুলকুচি করলে সাময়িক উপশম পাওয়া যায়। ভিটামিন ‘সি’ ও ভিটামিন ‘কে’ সমৃদ্ধ খাবার রাখুন প্রতিদিনের ডায়েটে। সামান্য গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে থকথকে করে রাখুন। এটি মুখের ভেতরের অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করবে। গ্রিন টি মাড়ির জীবাণু তাড়ায় সহজেই। কাজেই গ্রিন টি ভেজানো জল দিয়ে কুলকুচি করলে ফল মিলবে। তবে এগুলো সবই প্রাথমিক পথ্য। ঠিক কোন কারণে সমস্যা হচ্ছে, কত দূর গড়াতে পারে রোগ; সেগুলো জানা যাবে চিকিৎসকের কাছে গেলেই। কাজেই প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ না হলে, রোগ পুষে না রেখে ডাক্তারের কাছে যাওয়াই উত্তম। এস/পি
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বড় কোনো রোগের কারণ
শতাধিক দেশ ঘুরেছেন খুলনার মেয়ে আসমা
বাংলাদেশের খুলনার মেয়ে কাজী আসমা আজমেরী ২০০৯ সালে ঢাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশনের পর বিশ্ব দেখতে বেরিয়ে পড়েন। তিনি ইতোমধ্যে শতাধিক দেশ ঘুরেছেন। শুরুতে ভারতীয় উপমহাদেশের পর্যটকদের মতো দেশ ভ্রমণ করতে অনেক অর্থ ব্যয় হয় তার। কিন্তু পরে তিনি হস্টেলে থেকে কম খরচে ঘোরার বিষয়টি জানতে পারেন। এই বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা উন্নত দেশগুলোতে ঘুরতে অনেক অর্থ ব্যয় করি কিন্তু এসব দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় কম খরচে ব্যাকপ্যাকিং করে চলে যায়। বিভিন্ন দেশের খাবারের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেখানে যাই, সেখানকার খাবার খাওয়ার চেষ্টা করি। মঙ্গোলিয়ায় ঘোড়ার মাংস খেয়েছি। এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়ার স্টেক এবং নিউজিল্যান্ডের ল্যাম্ব খুব ভালো লেগেছে। অবশ্য আমি কম খরচে ঘুরে বেড়ানোয় বেশি রেস্তোরাঁর খাবার খেতে পারি না। সংগৃহীত কম খরচে ঘোরার টিপস জানার জন্য লোনলি প্ল্যানেট বইয়ের অন্ধ ভক্ত আসমা। কারণ বইটি পড়ায় বছরে পাঁচশো ডলার অর্থ বেঁচে যায় তার। তিনি বইটি থেকে নতুন জায়গায় যাওয়ার আগে সেখানকার ভাষায় ‘ধন্যবাদ’ আর ‘কত দাম’ বলতে শিখে নেয়ার বিষয়টি জেনেছেন। আসমার বর্তমান ঠিকানা নিউজিল্যান্ড। তিনি ঘোরার অর্থ যোগাড় করতে দেড় বছর চাকরি করেন। সপ্তাহের শেষে বারটেন্ডার হিসেবে কাজ করেন। কিছু অর্থ জমিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন ছয় মাসের জন্য। ২০১৮ সালে মধ্য এশিয়ার আজারবাইজান, বৈকাল হ্রদ, রাশিয়া ঘুরতে ঘুরতে ট্রেনে তিনি পাড়ি দেন তেইশ হাজার কিলোমিটার। তিনি রাশিয়ায় খুঁজে পান এমন কিছু মানুষ যাদের কাছে গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ জানতে চাইলে, তারা সেখানে পৌঁছে দিয়ে আসেন। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে বছরে একবার কিছু দিনের জন্য বাড়ি যান আসমা। দেশে ফিরেই তিনি একটা ভালো গামছা কেনেন। তার সবসময়ের সঙ্গী গামছা, ছাতা, তিন জোড়া জুতো, মোবাইল ফোনের চার্জার, ক্যামেরা, পানির বোতল এবং এয়ার প্লাগ। সংগ্রহ: পল্লবী বন্দ্যোপাধ্যায়
শতাধিক দেশ ঘুরেছেন খুলনার মেয়ে আসমা
আরও পড়ুন
রূপচর্চা ও রোগ নিরাময়ে নিমের তেল
সকালেই সূর্য উঠেছে পঞ্চগড়ে
তেতুঁলিয়ায় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
কাঁপছে দিল্লি, রেড অ্যালার্ট জারি