ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে আমের ফেসপ্যাক

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ১০:৪০ এএম

শুধু আম খেয়েই যে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি মেটানো যায় তা নয়। বরং আমকে কাজে লাগিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য ও বাড়িয়ে তুলতে পারেন। মজাদার এ ফলটিতে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, কে এবং আরও সব খনিজ উপাদান যেমন-থিয়ামিন, রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং জিঙ্ক এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে আমের ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন।

আর্দ্র ত্বকের পরিচর্যায়

ত্বকের আর্দ্রতা কমতে শুরু করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকাশ পায় বলিরেখা। আর্দ্র ত্বকের পরিচর্যার জন্য আমের সঙ্গে ২-৩ চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর মুখটা ভালো করে মাসাজ করে পেস্টটা ধুয়ে ফেলতে হবে।

-------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : রান্নার আগে ভুলেও যে খাদ্যগুলো ধুবেন না
-------------------------------------------------------------

সতেজ ত্বকের জন্য

অল্প পরিমাণ আম নিয়ে তার সঙ্গে বাদামের গুঁড়ো, ২-৩ চামচ ওটমিল, ২ চামচ কাঁচা দুধ, পানি এবং ৩ চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর তা মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে সারা মুখটা।

ত্বকের প্রদাহ কমাতে

ত্বকের ভেতরে প্রদাহের মাত্রা বাড়তে থাকলে ব্রণ এবং পিম্পলের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে পরিমাণ মতো আমের সঙ্গে ৩ চামচ মুলতানি মাটি, ১ চামচ গোলাপজল এবং ১ চামচ দই মিশিয়ে তৈরি করা মিশ্রণ মুখে লাগাতে হবে। তারপর ৩০ মিনিট পর ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

পুড়ে যাওয়া ত্বকের পরিচর্যায়

গরমের সময় একটু সময় রোদে থাকলেই দেখবেন ত্বক পুড়ে কালো হয়ে যেতে শুরু করে। এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে আম নিয়ে তার সঙ্গে ৪ চামচ বেসন, পরিমাণ মতো বাদাম গুঁড়ো এবং ১ চামচ মধু এক সঙ্গে মিলিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টটা মুখ, ঘাড়, গলা এবং হাতে ভালো করে লাগিয়ে নিতে হবে। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য

মৃত কোষের কারণে আমাদের ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে যেতে সময় লাগে না। এ সমস্যার সমাধান করার জন্য আম নিয়ে তার সঙ্গে ২ চামচ কাঁচা দুধ এবং মধু মিশিয়ে নিন, তারপর মেশান হাফ কাপ চিনি। সব উপাদান ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পর মিশ্রণটা সারা মুখে লাগিয়ে ভালো করে মাসাজ করুন। কিছু সময় পর গরম পানি দিয়ে সারা মুখটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

তথ্যসূত্র: লুক অ্যাট মি

আরও পড়ুন :

কেএইচ/জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ত্বক ও রূপের যত্নে গ্লিসারিন
গ্লিসারিন অনেক উপকার করে ত্বক ও রূপচর্চায়। গ্লিসারিন সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করা যায় অথবা মুখের প্যাক ও মুখের মাস্কের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ত্বকের ওপর গ্লিসারিনের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন- ময়েশ্চারাইজার গ্লিসারিনকে ত্বকের খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে মানা হয়। এটা খুব কাজে লাগে শুকনো, ছোপ পড়ে যাওয়া বিবর্ণ চামড়ায়। তাই এটা শীতের জন্য খুবই আবশ্যক জিনিস। গ্লিসারিনকে আপনি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। একটা তুলোয় গ্লিসারিনে চুবিয়ে সেটা ত্বকের ওপর লাগান। গ্লিসারিন লাগানোর পরই চামড়া নরম ও আর্দ্র থাকে। গ্লিসারিনের ওষুধের মতো কিছু গুণ আছে যা চট করে শুকনো, রুক্ষ ও খসখসে চামড়া সারাতে সক্ষম। এই গুণের জন্যই চামড়া মোলায়েম ও নরম থাকে। তাই ত্বকের জন্য গ্লিসারিন খুবই কার্যকর। ক্লিনজার গ্লিসারিন ত্বকের ময়লা ও ধুলো সরায় এবং চামড়াকে পরিষ্কার করে। গ্লিসারিন গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে পারেন। রাতে শোয়ার আগে গোলাপজলে গ্লিসারিন মেশান। ভালো করে সেটা দিয়ে মুখ মুছুন। এটা নিয়মিত করুন যাতে চামড়া ভালো করে পরিষ্কার হয় এবং বন্ধ কোষগুলো খোলে। এটা চামড়ার জন্য খুবই উপকারী। পুষ্টি যোগায় ত্বকের পুষ্টি জোগাতে গ্লিসারিন খুব কার্যকর। তাই যে কোনও প্রসাধনীতে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়। গ্লিসারিন ত্বকের পানির মাত্রা বা আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে চামড়া সুস্থ থাকে। গ্লিসারিনকে পুষ্টিদাতা হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে আপনার দৈনন্দিন ব্যবহারের ময়েশ্চারাইজারের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। আপনি মুখের প্যাক বা মাস্কে গ্লিসারিন যোগ করতে পারেন। কারণ গ্লিসারিন ত্বকের পুষ্টি যোগায় ও নরম রাখে। নিয়মিত ব্যবহারে চামড়া সুস্থ ও তরতাজা থাকে। ত্বকচর্চা গ্লিসারিনকে ওষুধ ও ক্রিমে ব্যবহার করা যায়, যা দিয়ে রুক্ষ ও খসখসে ত্বকের চিকিৎসা হয়। অনেক সময় ঠাণ্ডার জন্য, দূষণ ও অন্য নানা কারণে ত্বকের ওপরটা খসখসে হয়ে উঠতে শুরু করে। এই সময় গ্লিসারিন ব্যবহার করলে চামড়ার রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়, চামড়া নরম-মসৃণ থাকে। চামড়ার রোগ সারানোর ওষুধে বেশিরভাগ সময়ই গ্লিসারিন থাকে। তাই নিজের ত্বককে স্বাস্থ্যবান রাখতে নিয়মিত গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। চামড়ার খুঁত কমায় গ্লিসারিন ত্বকের ব্রণ ও খুঁত সারাতে সাহায্য করে। এটার জন্য নিয়মিত গ্লিসারিন ব্যবহার করতে হয়। ব্রণের জায়গায় বা যেখানে খুঁত আছে সেখানে ভালো করে গ্লিসারিন মাখুন। আস্তে আস্তে মুখের দাগগুলো মুছে যাবে এবং ত্বক পরিষ্কার হয়ে যাবে। জিএ/পি
ত্বক ও রূপের যত্নে গ্লিসারিন
সিল্কি চুল পেতে
ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়াটাও প্রয়োজন। আর এই কাজটি বাড়িতে বসেই করতে পারেন। কিছু ঘরোয়া উপকরণ রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে স্কাল্পের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। সিল্কি চুল পেতে বাসায় থেকেই যা করবেন- অ্যালোভেরা জেল ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অ্যালোভেরা জেলে উপস্থিত একাধিক উপকারি এনজাইম চুলের ভেতরে প্রবেশ করে একদিকে হেয়ার গ্রোথকে ত্বরান্বিত করে, সেই সঙ্গে হেয়ার ড্যামেজের চিকিৎসাতেও কাজ করে। শুধু তাই নয়, এটা হেয়ার ফলিকেলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। ফলে চুল সিল্কি এবং সুন্দর হয়ে উঠতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে ২ চামচ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তার সঙ্গে ২ চামচ পানি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। পরবর্তীতে মিশ্রণটি একটা স্প্রে বোতলে নিয়ে চুলে ভালো করে স্প্রে করুন। এভাবে সপ্তাহে ৩-৪ দিন করলেই সিল্কি হয়ে উঠবে আপনার চুল। অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল দুই থেকে তিন চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল গরম করে নিতে হবে। হলকা গরম করে নেয়া তেলটি স্কাল্পে লাগিয়ে কমপক্ষে ১৫ মিনিট ভালো করে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর ধুয়ে ফেলতে হবে চুল। ডিম হেয়ার ফলিকেলের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার মধ্যে দিয়ে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে ডিম দারুণভাবে কাজ করে। এর ভেতরে উপস্থিত প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। চুলে ব্যবহার করতে একটা ডিমের কুসুমের সঙ্গে এক চামচ অলিভ অয়েল এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেটি ভালো করে চুলে লাগিয়ে কমপক্ষে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে ১-২ বার যত্ন নিলেই সিল্কি এবং প্রাণবন্ত চুলের অধিকারী হয়ে উঠবেন। আপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ আপেল সিডার ভিনেগার এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে মিশিয়ে তা দিয়ে ভালো করে চুল ধুতে হবে। এভাবে সপ্তাহে একবার চুলের পরিচর্যা করলে চুল সিল্কি হয়ে উঠবে। আরও পড়ুন : ত্বকের যত্নে মুগ ডাল জেএম/ডি
সিল্কি চুল পেতে
ত্বকের যত্নে মুগ ডাল
ত্বকের যত্নে আমরা অনেক কিছুই ব্যবহার করি। এসবের মধ্যে ডাল একটি। রূপচর্চায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মশুর ডাল। তবে ত্বক উজ্জ্বল, দাগহীন, কোমল ও মসৃণ রাখতে মুগ ডালও খুব কার্যকরী। ত্বকের যত্নে কিভাবে মুগ ডাল ব্যবহার করবেন জেনে নিন- ব্রণ দূর করতে ব্রণ দূর করতে আমরা কত কিছুই না করি। তারপরও কাঙ্ক্ষিত ফল পাই না। এক্ষেত্রে মুগ ডাল হতে পারে ভালো একটি উপাদান। মুগ ডালের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ত্বকে ময়লা আটকে থাকতে এবং তৈলাক্ত হতে দেয় না। ব্রণের সমস্যায় মুগ ডাল পেস্টের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে মুখে মেখে রাখুন। ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে নিন। ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করতে হবে। শুষ্ক ত্বকে ব্যবহার আপনার মুখের শুষ্ক ত্বক নরম ও নমনীয় করতে মুগ ডাল ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য সারারাত কাঁচা দুধে ভিজিয়ে ডালের পেস্ট করে ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাক মুখে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। এরপর মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। রোদে পোড়া ত্বকে নিয়মিত বাইরে বের হলে রোদে পোড়া ত্বক সাধারণ ব্যাপার। এক্ষেত্রে ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচাতে মুগ ডাল ব্যবহার করতে পারেন। ডাল পেস্টের সঙ্গে ঠান্ডা দই বা অ্যালোভেরা জেল মেশান। এরপর এই মিশ্রণ আক্রান্ত স্থানে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন। এটা সপ্তাহে দুইদিন করলে উপকার পাবেন। ডি/কে
ত্বকের যত্নে মুগ ডাল
পা ফাটা রুখতে যা করবেন
শীতকাল মানেই একগাদা ত্বকের সমস্যা। আর এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পা। পা ফাটার সমস্যা ঘরে ঘরে। নিজেদের অবহেলার জন্যই কিন্তু এই ধরনের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়। তবে সামান্য কিছু ঘরোয়া পরিচর্যা করলেই শীতে কোমল রাখা যাবে পা। তারই কিছু টিপস দেয়া হলো। পা পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন সবসময়। বাড়িতে খালি পায়ে না থেকে স্লিপার পরে থাকুন। প্রতিদিন গোসলের সময়ে ফুট ফাইল দিয়ে পা ঘষে নেবেন। গোসলের পর শরীরে মাখেন ময়েশ্চারাইজার, শ্যাম্পু করার পর চুলে দেন কন্ডিশনার। কিন্তু গোড়ালির জন্য কি করেন? গোসলের পর ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পা পরিষ্কার করে নিয়ে কোন ফুট ক্রিম লাগান। মাঝে মাঝে ব্যবহার করুন স্ক্রাবার। আর নিয়ম করে পেডিকিউর করাতে পারলে তো কোনও কথাই নেই! পেট্রোলিয়াম জেলি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম পানি ভরা পাত্রে আধ ঘণ্টা পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ঝামা দিয়ে পা ঘষে তুলে ফেলুন যাবতীয় মৃত কোষ। পা শুকনো হতে দিন স্বাভাবিকভাবে, ঘষে ঘষে মুছবেন না। এবার পেট্রোলিয়াম জেলির মোটা পরত লাগিয়ে একটু পুরোনো ও আলগা হয়ে যাওয়া মোজা পরে নিন পায়ে। নারকেল তেল আর মোম একটি পাত্রে নারকেল তেল আর মোম নিয়ে ততক্ষণ গরম করুন যতক্ষণ না মোম গলে যায়। মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করুন। আগের পদ্ধতিতেই পায়ের মৃত কোষ পরিষ্কার করে নিন। তারপর ফাটা গোড়ালিতে এই মিশ্রণ লাগিয়ে মোজা পরে ঘুমোতে যান। পরদিন সকালের আগে যেন পায়ে পানি না লাগে। প্যাক দুধ আর ওটমিল পাউডারের মাস্ক: ২-৩ টেবিল চামচ ওটমিল গুঁড়া করে নিন ব্লেন্ডারে। তারপর ঠাণ্ডা দুধের সঙ্গে এই গুঁড়া মিশিয়ে একটা ঘন প্যাক তৈরি করুন। ফাটা গোড়ালিতে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা রাখুন। ধুয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে একবার এই প্যাক লাগান। লেবু, ডিমের কুসুম আর চালের গুঁড়ার প্যাক: ১ চা চামচ চালের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস আর একটা ডিমের কুসুম একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। প্যাকটা পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন করলে ভালো ফল পাবেন। আরও পড়ুন : শীতের সকালে নাস্তায় রাখুন মজাদার ‘ছিটা রুটি’ জেএম/এসআর
পা ফাটা রুখতে যা করবেন
অল্প খরচে ত্বকের শুষ্কতা দূর করবেন যেভাবে
শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। এরই সঙ্গে শুরু হয়েছে ত্বকে শুষ্ক ভাব, যা অনেকের চিন্তার কারণ। শীতকালে সাধারণত ত্বক বেশি শুষ্ক থাকে আবার কারও কারও ত্বক ফেটে যায়। এ অবস্থার প্রয়োজন সতর্ক থাকার এবং ত্বকের অতিরিক্ত যত্ন নেয়ার। শীতকালে ত্বক বেশি শুষ্ক থাকলেও সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। এজন্য তারা নানা ধরনের ফেসিয়াল করে থাকেন। কোনও কোনও সময় ফেসিয়াল করতে অনেক টাকা খরচ হয়। এ অবস্থায় একেবারেই কম খরচে নতুন ধরনের একটি ফেসিয়াল করতে পারেন। আপনার ত্বক যে রকমই হোক না কেন, পুরো শীতজুড়ে একদিন পর পর ব্যবহার করুন এই প্যাক। এতে ত্বক তো শুষ্ক হবেই না বরং এই শীতেও আসবে বাড়তি উজ্জ্বলতা। দেখে নিন কিভাবে প্যাক তৈরি করবেন- একটি কাঁচের পাত্রে ডিমের সাদা অংশ ও তিন চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মধু ঘন হওয়ায় অল্প পানি দিয়ে ফেটিয়ে পাতলা করে নিন এই মিশ্রণ। ত্বকে ১০ মিনিটের মতো ম্যাসাজ করার পর পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। মধু এমনিতেই প্রাকৃতিক টোনার ও ময়েশ্চারাইজার। এর সাথে ডিমের সাদা অংশের প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে নতুন কোষে আর্দ্রতা পৌঁছে দেয়। এজন্য এই প্যাক শীতে খুবই কার্যকর। প্যাক শুকিয়ে গেলে ভালো করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। যাদের ডিমের গন্ধে অসুবিধা হয়, তারা মুখ ধোয়ার সময় ময়েশ্চারাইজার দেওয়া আছে এমন ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এতে ডিমের গন্ধ স্থায়ী হবে না। ডি/পি
অল্প খরচে ত্বকের শুষ্কতা দূর করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
নামাজে মনোযোগ আসবে যেভাবে
জাতীয় পার্টি এখন আ.লীগকে সমর্থন দিচ্ছে : আমু
রুক্ষ শীতে ত্বকের যত্ন
কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টাইনদের ‘নতুন জার্সি’ ফাঁস