ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

টক্সিক বন্ধু ও সহকর্মী চিনে দূরত্ব বজায় রাখার উপায়

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
প্রতীকী ছবি

আমাদের চারপাশে—ক্লাস, অফিস কিংবা পাড়া-মহল্লায়—নানা ধরনের মানুষের বসবাস। এদের মধ্যে অনেকের সান্নিধ্য যেমন আমাদের অনুপ্রাণিত করে, তেমনি কিছু মানুষের নেতিবাচক আচরণ আমাদের মানসিক প্রশান্তি নষ্ট করে দেয়। সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় এদের বলা হয় ‘টক্সিক’ বা বিষাক্ত মানুষ।

নিজের মন ও মেজাজ ভালো রাখতে এ ধরনের মানুষকে চিনে নেওয়া এবং তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তবে বন্ধু বা সহকর্মীদের ভিড়ে এমন মানুষকে চেনা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে, তাই সচেতন থাকা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টক্সিক মানুষের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাঁচতে সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হলো নিজের জন্য একটি সীমারেখা বা ‘বাউন্ডারি’ নির্ধারণ করা। আপনি কার সঙ্গে কতটুকু মিশবেন বা কে আপনার সাথে কতটুকু ঘনিষ্ঠ হতে পারবে, তার সিদ্ধান্ত আপনারই।

কেউ যদি আপনার সাথে দুর্ব্যবহার করে বা আপনাকে ছোট করার চেষ্টা করে, তবে তা শুরুতেই রুখে দেওয়া উচিত। প্রথম থেকেই নিজের অবস্থানের বিষয়ে স্পষ্ট থাকলে এই ধরনের মানুষেরা আপনার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করার সাহস পাবে না।

মনে রাখতে হবে, টক্সিক বন্ধু বা আত্মীয়ের নেতিবাচক আচরণ মেনে নেওয়া মানে নিজেকে আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করা।

টক্সিক মানুষের একটি অন্যতম স্বভাব হলো অন্যের সব কাজে খুঁত ধরা। তাদের এই নেতিবাচক আচরণের প্রভাব নিজের ওপর পড়তে না দেওয়া এবং সবসময় ইতিবাচক থাকা জরুরি। তারা আপনাকে নিয়ে কী ভাবল বা আপনার সম্পর্কে কী নিন্দা করল, সেদিকে কান না দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুন

তাদের অহেতুক সমালোচনাকে পাত্তা দিলে আপনার সময় ও মানসিক শ্রম—উভয়ই নষ্ট হবে। এর বদলে নিজের আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা এবং নিজের কাজে মনোযোগী হওয়া আপনাকে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে পারে।

টক্সিক মানুষদের সামলানোর আরেকটি বড় কৌশল হলো শান্ত থাকা। তারা প্রায়ই উসকানিমূলক কথা বলে আপনাকে উত্যক্ত করার চেষ্টা করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মেজাজ না হারিয়ে বরং তাদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

এ ধরনের মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, কোনো সাফল্যের খবর বা আনন্দের ঘটনা শেয়ার না করাই ভালো। তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত ও আনুষ্ঠানিক বজায় রাখুন।

মনে রাখবেন যতো কম তথ্য তারা আপনার সম্পর্কে জানবে, ততোই তারা আপনাকে মানসিকভাবে আঘাত করার সুযোগ কম পাবে। এভাবে সচেতনভাবে নিজেকে গুছিয়ে নিলে টক্সিক মানুষের বিষক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস 
আরও পড়ুন
যশের সঙ্গে ন্যাটালির নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই অভিনেত্রী