ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

তরুণদের অসুখী হওয়ার কারণ কী?

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
প্রতীকী ছবি

বিশ্বজুড়ে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে অখুশি থাকার প্রবণতা উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা বলছে, বিশেষ করে ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলোতে এই সংকট সবচেয়ে প্রকট হলেও এটি এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে।

বিশ্ব সুখ সূচক ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্র তার ইতিহাসের সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে, যার পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে তরুণদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ ও মানসিক অস্থিরতাকে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘গলোবাল ফ্লারিশিং স্টাডি’ (জিএফএস)-এর তথ্যমতে, ২২টি দেশের দুই লাখের বেশি মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে যে তরুণ প্রজন্মের এই মানসিক শূন্যতা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের নয়, বরং বিশ্বব্যাপী এক সাধারণ প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে জীবনচক্রে সুখের ধারাকে ‘ইউ-আকৃতি’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো—অর্থাৎ জীবনের শুরুতে ও বৃদ্ধ বয়সে মানুষ বেশি খুশি থাকে এবং মধ্যবয়সে সুখের মাত্রা কমে যায়। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের ক্ষেত্রে এই তত্ত্ব আর খাটছে না। আধুনিক তরুণদের সুখের সূচক জীবনের শুরু থেকেই বেশ নিচু অবস্থানে থাকছে এবং বহু বছর তা একই জায়গায় স্থবির হয়ে আছে।

গবেষক ডেভিড ব্লাঞ্চফ্লাওয়ার ও অ্যান্ড্রু জে অসওয়াল্ডের মতে, এই মনঃকষ্টের অন্যতম প্রধান কারণ হলো বাস্তব সামাজিক সম্পর্কের অভাব। প্রযুক্তিনির্ভর যোগাযোগব্যবস্থায় অভ্যস্ত এই প্রজন্ম ভার্চুয়াল জগতের ভিড়ে প্রকৃত বন্ধু ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উষ্ণতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে দেখা গেছে, যেসব তরুণের ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্ক মজবুত, তারা এখনো মানসিকভাবে অনেক বেশি সুস্থ।

আর্থিক সমৃদ্ধি যে সব সময় সুখ বয়ে আনে না, তার প্রমাণ মিলছে ধনী দেশগুলোর পরিসংখ্যানে।

আরও পড়ুন

গবেষণায় দেখা গেছে, জিডিপি যত বাড়ছে, মানুষের জীবনে অর্থবোধ বা বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য তত কমছে। ধনী দেশগুলোর মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজকে অর্থবহ মনে করতে পারছে না, যা এক গভীর মানসিক শূন্যতা তৈরি করছে। এছাড়া ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক অনুশীলনের ঘাটতিও এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কোনো না কোনো আধ্যাত্মিক চর্চার মধ্যে থাকেন, তাদের মানসিক প্রশান্তি অন্যদের চেয়ে গড়ে ৮ শতাংশ বেশি।

এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে গবেষক আর্থার সি ব্রুকস তরুণদের জন্য তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মোহ ত্যাগ করে বাস্তব জীবনে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, জীবনের গভীরতা বুঝতে কোনো দর্শন বা আত্মিক অনুশীলন করা এবং শুধুমাত্র বস্তুগত আরাম বা অর্থের পেছনে না ছুটে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস 
আরও পড়ুন
তরুণদের বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার আবেদন শুরু
তাহসিফের সঙ্গে উত্তরার বারে যাওয়া সেই তরুণী ৪ দিনের রিমান্ডে
ক্লাস চলাকালে করাত নিয়ে হাজির তরুণ, ছাত্রীদের ওপর ভয়ংকর তাণ্ডব
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা