ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুকে হাতের লেখা শেখানোর কার্যকর কিছু কৌশল

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
প্রতীকী ছবি

সুন্দর হাতের লেখা কেবল খাতার শ্রী বাড়ায় না, এটি শিশুর আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সব শিশুর হাতের লেখা জন্মগতভাবে সুন্দর হয় না। অভিভাবক ও শিক্ষকরা ছোটবেলা থেকেই একটু সচেতন হলে এবং সঠিক কৌশল অবলম্বন করলে যেকোনো শিশুর হাতের লেখা ঝরঝরে, স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন করে তোলা সম্ভব।

হাতের লেখা সুন্দর করার প্রথম ধাপ হলো অক্ষরের ছন্দের দিকে নজর দেওয়া। বাংলা বা ইংরেজি যে ভাষাই হোক না কেন, অক্ষরগুলো যেন বিকৃত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুকে শেখানোর সময় শিক্ষক বা অভিভাবককেও নিজে স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যাতে শিশু ভুল বা পেঁচানো অক্ষর না শেখে।

শব্দ লেখার সময় প্রতিটি অক্ষর যেন আলাদাভাবে চেনা যায় এবং মাত্রা ও আকারের ভারসাম্য বজায় থাকে, সেদিকে শুরু থেকেই গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

ইংরেজি লেখার ক্ষেত্রে শুরুর দিকে ‘ফোর লাইনার’ বা চার দাগের খাতা ব্যবহার করা আদর্শ, যা পরে সিঙ্গেল রুলড এবং সবশেষে সাদা খাতায় অভ্যাসে রূপান্তর করতে হবে।

লেখার পরিচ্ছন্নতা নির্ভর করে লাইন সোজা রাখা এবং মার্জিন মেনে চলার ওপর। একটি লাইনের প্রতিটি অক্ষর যেন সমান মাপের হয় এবং লাইনটি যেন এঁকেবেঁকে না যায়, শিশুকে তা বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন

এছাড়া কলম বা পেনসিল ধরার সঠিক পদ্ধতিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। পেনসিলের ডগা থেকে অন্তত দেড়-দুই ইঞ্চি দূরে ধরলে হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ভালো থাকে এবং লেখা সুন্দর হয়।

অন্তত আট-নয় বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে পেনসিলে লেখানো উচিত। এরপর যখন কলম ধরবে, তখন জেল বা বল পেনের বদলে শুরুতে ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলম ব্যবহার করলে হাতের লেখার ওপর দখল বাড়ে।

নিয়মিত অভ্যাসই হলো হাতের লেখা ভালো করার আসল চাবিকাঠি। প্রতিদিন অন্তত দুই পাতা করে বাংলা ও ইংরেজি হাতের লেখা অনুশীলনের অভ্যাস করতে হবে। শিশুকে আলাদা কোনো বিষয়ের বদলে তার পাঠ্যবই থেকেই দেখে দেখে লিখতে দেওয়া যেতে পারে, এতে তার পড়াশোনা এবং হাতের লেখা—দুটোই একসঙ্গে এগোবে।

নিয়মিত এই অনুশীলনের ফলে হাতের লেখার সৌন্দর্য বাড়ার পাশাপাশি পরীক্ষার সময় দ্রুত লেখার গতিও তৈরি হবে। ধৈর্যের সাথে শিশুকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিলেই তার হাতের লেখা হয়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দন।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস