ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সন্তান লালন-পালনে যেসব ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
প্রতীকী ছবি

সন্তানকে চোখের সামনে বেড়ে উঠতে দেখা যেকোনো মা-বাবার জন্যই অত্যন্ত আনন্দের। তবে এই বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়াটি সবসময় সহজ হয় না; বরং সন্তান লালন-পালন করতে গিয়ে মা-বাবা ও অভিভাবকদের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। অনেক সময় অবচেতন মনেই আমরা সন্তানের সামনে এমন কিছু আচরণ করে ফেলি, যা তাদের মানসিক বিকাশ ও ভবিষ্যতের আচরণগত দিকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তাই একটি সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তুলতে অভিভাবকদের কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি।

প্রথমত, শাসন এবং ভালোবাসার মধ্যে ভারসাম্য রাখা প্রয়োজন। সন্তান ছোট হোক বা বড়, তার ভুলগুলোকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে শিখুন। অনেক অভিভাবক সামান্য ভুলে কঠোর শাসন করেন, যা সন্তানের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং মা-বাবার সঙ্গে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করে।

পাশাপাশি অন্য শিশুদের সঙ্গে নিজের সন্তানের তুলনা করার প্রবণতাও মারাত্মক ক্ষতিকর। পরীক্ষার ফলাফল, উচ্চতা কিংবা দক্ষতা নিয়ে ভাইবোন বা বন্ধুদের সঙ্গে তুলনা করলে শিশুদের মনে হীনম্মন্যতা তৈরি হয় এবং তারা নিজস্ব প্রতিভা বিকাশে কুণ্ঠাবোধ করে।

মা-বাবার মনে রাখা উচিত যে ভুল মানুষেরই হয়। তাই নিজের কোনো ভুলের জন্য সন্তানের কাছে ক্ষমা চাইতে বা ভুল স্বীকার করতে লজ্জা পাওয়া উচিত নয়। এটি অভিভাবকদের প্রতি সন্তানের সম্মান বাড়িয়ে দেয় এবং তারা শেখে যে ভুল স্বীকার করা একটি মহৎ গুণ।

এছাড়া সন্তানের ভালো কাজের প্রশংসা করতে কার্পণ্য করা যাবে না। ছবি আঁকা, সুন্দর হাতের লেখা কিংবা সময়মতো পড়তে বসার মতো ছোট ছোট কাজের প্রশংসা শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে এবং তাদের ভালো কাজে উৎসাহ দেয়।

আরও পড়ুন

বর্তমান ব্যস্ত সময়ে অনেক মা-বাবা দামি উপহার দিয়ে সন্তানের অভাব পূরণের চেষ্টা করেন, কিন্তু সন্তানের কাছে উপহারের চেয়ে মা-বাবার সান্নিধ্য ও সময় অনেক বেশি মূল্যবান। তাদের পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ না দিলে তারা নিজেদের অবহেলিত মনে করতে পারে।

একই সঙ্গে শিশুদের ছোট ছোট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। তারা কী খাবে বা কোন পোশাকটি পরবে—এসব বিষয়ে তাদের মতামত নিলে তাদের মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়।

সবশেষে, সন্তানের সামনে অন্যকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য বা কাউকে অশ্রদ্ধা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশুরা বড়দের দেখেই শেখে, তাই তাদের সামনে ইতিবাচক আচরণের উদাহরণ তৈরি করা প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রিয় টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরার দিন আজ
শৈশবের কত স্মৃতিই না জড়িয়ে থাকে একটি ছোট্ট টেডি বিয়ারের সঙ্গে! কখনো ঘুমের সঙ্গী, কখনো ভয় কাটানোর বন্ধু, আবার কখনো মন খারাপের দিনে একটুখানি স্বস্তি।
প্রিয় টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরার দিন আজ
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা কাজের ফাঁকে চাঙা থাকতে অনেকেই ভরসা করেন এনার্জি ড্রিংকের ওপর।
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
কেন হাসতে হাসতে চোখে পানি আসে
প্রাণ খুলে হাসছেন, অথচ হঠাৎ চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
কেন হাসতে হাসতে চোখে পানি আসে
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই।
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
আরও পড়ুন
শিশু লালন পালনে বিশ্বের সেরা ৫ দেশ