ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ছোট্ট ভুলে ভেঙেছে বিশ্বাস? সঙ্গীর মন জয় করবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
সম্পর্কে বিশ্বাসে চিড় ধরলে খোলাখুলি কথা বলা ও সময় দেওয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ছবি: সংগৃহীত

যেকোনো সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস ও ভরসা। সেখানে সন্দেহ ঢুকে পড়লে ধীরে ধীরে সম্পর্কে চিড় ধরতে শুরু করে। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কে একে অন্যের ওপর আস্থা হারিয়ে গেলে একসঙ্গে পথ চলা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশ্বাস কমে গেলে ছোটখাটো বিষয় নিয়েও ঝগড়া ও অশান্তি বাড়তে থাকে। সম্পর্কে জমে তিক্ততা। তবে একবার বিশ্বাসে আঘাত লাগলেই যে সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে, এমন নয়। কিছু বিষয়ে সচেতন থাকলে ধীরে ধীরে সঙ্গীর আস্থা আবারও অর্জন করা সম্ভব।

খোলাখুলি কথা বলুন

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে চুপ করে থাকা কোনো সমাধান নয়। সঙ্গীর কোন কথা বা কাজে আপনি আঘাত পেয়েছেন, কী কারণে বিশ্বাসে চিড় ধরেছে—সেসব নিয়ে সরাসরি কথা বলা জরুরি।

একইভাবে, নিজের কোনো ভুলের কারণে সঙ্গীর বিশ্বাস নষ্ট হয়ে থাকলে তার মনের কথা জানার চেষ্টা করুন। তার মনে কোনো ভুল ধারণা তৈরি হয়ে থাকলে সেটিও খোলাখুলি কথা বলেই দূর করতে হবে।

একসঙ্গে সময় কাটান

বিশ্বাসে আঘাত লাগার পর দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেই দূরত্ব বাড়তে থাকলে সম্পর্ক আরও দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

তাই সঙ্গীর কাছ থেকে দূরে সরে না গিয়ে যতটা সম্ভব একসঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। ভালোবাসা ও যত্নের মাধ্যমে সম্পর্কের পুরোনো মধুরতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।

সবকিছুতে স্বচ্ছ থাকুন

একবার বিশ্বাস ভেঙে গেলে সঙ্গীর কাছে সত্যি কথাও অনেক সময় সন্দেহজনক মনে হতে পারে। তাই এই সময়ে আরও বেশি স্বচ্ছ থাকা প্রয়োজন।

সঙ্গীর কাছ থেকে কোনো বিষয় লুকানোর চেষ্টা করবেন না। মিথ্যা বলাও এড়িয়ে চলুন। বরং স্বাভাবিকভাবে কথা বলুন এবং নিজের আচরণে স্বচ্ছতা রাখুন। এতে ধীরে ধীরে সঙ্গীর আস্থা ফিরে আসতে পারে।

পরিস্থিতি শান্ত রাখুন

বিশ্বাসে আঘাত লাগলে সঙ্গী রেগে যেতে পারেন, কষ্ট পেতে পারেন কিংবা বারবার একই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে তর্কে জড়িয়ে পড়লে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

তাই নিজেকে প্রমাণ করার জন্য অতিরিক্ত কথা না বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। সঙ্গী যখন কিছুটা শান্ত হবেন, তখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন। প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান ও সত্যিটা ধীরে-সুস্থে বুঝিয়ে বলুন।

যা এড়িয়ে চলবেন

বিশ্বাস ফেরানোর পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করতে পারে মিথ্যা বলা, বিষয় লুকানো এবং অযথা তর্কে জড়িয়ে পড়া। তাই এসব থেকে দূরে থাকাই ভালো।

সম্পর্কে আবার আস্থা তৈরি হতে সময় লাগে। একদিনে সবকিছু আগের মতো হয়ে যাবে—এমন আশা না করে ধৈর্য ধরে সঙ্গীর পাশে থাকা, খোলাখুলি কথা বলা এবং নিজের আচরণে ধারাবাহিকতা রাখা জরুরি।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস