ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

ঘরে বসেই তৈরি করুন পারফিউম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৩:৫১ পিএম

পারফিউম বা সুগন্ধি নারী-পুরুষ সবার অনেক পছন্দের প্রসাধনী। নানা গন্ধের নানা ব্র্যান্ডের সুগন্ধি বাজারে পাওয়া যায়। কিন্তু সব সুগন্ধি কি আপনার পছন্দের বা ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়? সব সুগন্ধি সব জায়গায় সব সময় ব্যবহার করা যায় না। কড়া সুগন্ধি মেখে নিশ্চয়ই আপনি অফিসে যাবেন না। আবার জমকালো পার্টিতে হালকা, সাদামাটা সুগন্ধিও যেন বেমানান। পোশাকে যেমন আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে, সুগন্ধির ক্ষেত্রেও তাই। সুগন্ধি আপনাকে দেবে স্বচ্ছ, নিখুঁত হওয়ার প্রেরণা।

একটি ভালো মানের সুগন্ধি আপনার দেহজুড়ে ১০ ঘণ্টা বা তার অধিক ঘ্রাণ ছড়িয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময় বাজারে পছন্দমতো সুগন্ধি পাওয়া যায় না। তাই মাত্র তিনটি উপাদান দিয়ে এক মিনিটে ঘরেই বানিয়ে ফেলতে পারেন নিজের পছন্দের সুগন্ধি। আসুন জেনে নিই কীভাবে তা করবেন।

যা যা লাগবে

একটি খালি স্প্রে বোতল, চিনিমুক্ত ভ্যানিলা এসেন্স ও এসেন্সিয়াল অয়েল (ল্যাভেন্ডার, রোজমেরী, জেসমিন)।

যেভাবে বানাবেন

স্প্রে বোতলটি ভালো করে ধুয়ে নিন। পুরানো কোনও সুগন্ধির শিশি ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে পুরানো সুগন্ধির ঘ্রাণ থেকে যায়। তাই নতুন কোনও স্প্রে বোতল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

প্রথমে খালি স্প্রে বোতলে ভ্যানিলা এসেন্স ঢালুন। এতে আপনার পছন্দ মতো এসেন্সিয়াল অয়েল যোগ করে নিন। ল্যাভেন্ডার, রোজমেরী, জেসমিন, গোলাপ যে কোনও এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এখন খুব ভালো মতো ঝাঁকিয়ে মিশিয়ে নিন। তারপর নিজের হাতের উলটো পিঠের এক অংশে স্প্রে করে দেখুন কি দারুণ ঘ্রাণের একটি সুগন্ধি তৈরি হয়ে গেছে। সূত্র: লুক অ্যাট মি

আরও পড়ুন :

কেএইচ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
বছরের শেষের দিকে এসে প্রতিবারই নিজের পছন্দের বইয়ের তালিকা জানান বিল গেটস। এবার এই তালিকার পাঁচটি বই সবাইকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট চালু করতে গিয়ে হার্ভার্ড থেকে ঝরে পড়েন গেটস। বর্তমানে তিনি পৃথিবীর শীর্ষ দানশীল ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। ফোর্বস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর বিল গেটস প্রায় ৫০টি বই পড়ার সময় পান। এরপর নিজের পছন্দের বইগুলোর তালিকা প্রকাশ করেন এবং অন্যদের পড়ার পরামর্শ দেন। এবার বিল গেটস যে বইগুলো পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন- টারা ওয়েস্টওভারের 'এডুকেটেড' প্রকাশিত গ্রন্থটিতে নিজের চলমান স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন টারা ওয়েস্টওভার। বইটি সম্পর্কে ব্লগে বিল গেটস লিখেছেন, 'আমি কখনো ভাবিনি, এমন পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হবো। তিনি একজন ভালো লেখক। বইটিতে যখন আমি তাঁর শৈশব সম্পর্কে পড়ছিলাম বিষয়টি আমার মনে গভীরভাবে প্রতিফলিত হচ্ছিল। পল শেয়ারির 'আর্মি অব নান' এই বইয়ে মূলত যুদ্ধে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, এটা খুব জটিল বিষয়। কিন্তু শেয়ারি এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং খুঁটিনাটি সবকিছু তুলে ধরেছেন। জন ক্যারেরিউয়ের 'ব্যাড ব্লাড' এই বইয়ে পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক জন ক্যারেরিউ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের বায়োটেক ফার্ম থেরানস'র উত্থান-পতনের ভেতরের গল্প উপস্থাপন করেছেন। 'ব্যাড ব্লাড' নিউ ইয়র্ক টাইমসের তালিকা অনুযায়ী বেস্ট সেলার গ্রন্থ এবং এটি নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। বইটি সম্পর্কে বিল গেটস জানান, আমি যতটা আশা করেছিলাম তার চেয়েও এই গল্পটা ভালো। বইটা পড়তে শুরু করার পর এটা আমি কখনও রাখতেই পারছিলাম না। ইউভাল নোয়াহ হারিরির 'টুয়েন্টি-ওয়ান লেসনস ফর দ্য টুয়েন্টি-ফার্স্ট সেঞ্চুরি' গত আগস্টে প্রকাশিত বইটিতে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই বই সম্পর্কে বিল গেটস লিখেছেন, হারারি যা লিখেছেন তার সবকিছুরই বড় একজন ফ্যান আমি। তাঁর এই বইটিও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে পৃথিবীর অতীত ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে নজর দেয়া হয়েছে। বর্তমানে যে চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবেলা করছি সে সম্পর্কে চিন্তার একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে অনেক কাজে আসবে এই বই। অ্যান্ডি পুডিকমবির 'দ্য হেডস্পেস গাইড টু মেডিটেশন অ্যান্ড মাইন্ডফুলনেস' দিনে মাত্র ১০ মিনিটের মেডিটেশনে যে অনেক উপকার পাওয়া যাবে বইটি পাঠে সে বিষয়ে জানা যাবে। 'হেডস্পেস' নামের প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অ্যান্ডি পুডিকমবি মেডিটেশন ও মনোসংযোগ চর্চার সহজ ও কার্যকর কৌশলগুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী থেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হওয়া পর্যন্ত পুডিকমবি কীভাবে মেডিটেশন করেছেন এবং কীভাবে সঠিকভাবে মেডিটেশন করতে হয় তার ব্যাখ্যা করেছেন বইটিতে। ডি/
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
গ্যাস্ট্রিকের কারণে অনেকেই মারাত্মক সমস্যায় পড়েন। ঠিকমতো কোনও কিছুই খেতে পারেন না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে নিয়মিত কয়েকটি খাবার খেলে। চলুন দেখে নেয়া যাক গ্যাস্ট্রিক দূর করতে কি খাবেন- গুড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেহাই দিতে পারে গুড়। বুক জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায় ততক্ষণ মুখে রেখে দিন। তবে এ সমাধান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয়। লবঙ্গ গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দুটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। আদা বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পুদিনা পাতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন। তুলসী পাতা ঔষধি গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা কে না জানে। অ্যাসিডিটি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হলে ৫/৬টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন, ভালো ফল পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন তুলসী পাতা পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেলে একেবারে দূর হবে গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা। বোরহানি বদহজম থেকে রক্ষা করে বোরহানি। এ পানীয়টি টক দই, বিট লবণ ইত্যাদি অ্যাসিডিটি বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন খাবারের পর এক গ্লাস বোরহানি পানের অভ্যাস করতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। ডি/এ
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
নতুন ভোটাররা জেনে নিন এই বিষয়গুলো
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই শুরু হবে বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। পাঁচ বছর পর এই নির্বাচন হওয়ায় প্রতিবার অসংখ্য নতুন ভোটার যুক্ত হন তালিকায়। তাদের জন্য এটা একেবারেই নতুন এক অভিজ্ঞতা। ভোট দিতে যাওয়ার আগে নতুন ভোটারদের কিছু বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন। চলুন জেনে নেয়া যাক ভোট সম্পর্কিত কিছু বিষয়- ওয়ার্ড কমিশনার অফিস থেকে ভোটার স্লিপ সংগ্রহ করতে হবে। ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে হবে। অনেকেই ভাবতে পারেন জীবনের প্রথম ভোটের ছবি তুলে রাখি। এটা ভেবে আপনি ভোটকেন্দ্রের বাইরে ছবি তুলতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু ভেতরে তোলা যাবে না। ভোট দিতে ভোটার আইডি কার্ড প্রয়োজন নেই। ইভিএমে ভোট দিলে স্মার্টকার্ড স্ক্যান করে দ্রুত ভোট দেয়া যায়। কিন্তু আপনি স্মার্টকার্ড না পেয়ে থাকলে কিংবা কোনও কারণে কেন্দ্রে স্মার্টকার্ড না নিয়ে গেলে আঙুলের ছাপ দিয়েও ভোট দেয়া যাবে। কোনও ধরনের ধারালো জিনিস সঙ্গে রাখা যাবে না। পাশাপাশি অস্ত্র, ছুরি, লাইটার, ম্যাচ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া যাবে না। নিজের সুবিধার জন্য বড় ব্যাগ না নেয়াই ভালো। সবসময় সতর্ক থাকুন, আইন মেনে চলুন এবং নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। আরও পড়ুন : কেন এটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় ছবি? ডি/এমকে
নতুন ভোটাররা জেনে নিন এই বিষয়গুলো
শীতে ঠোঁটের যত্নে কী করবেন?
শরীরের একটি সংবেদনশীল অংশ ঠোঁট। আমাদের সামান্য অসচেতনতার জন্যই অনেক সময় ঠোঁট নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। এছাড়া আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্যও অনেকসময় টুকিটাকি সমস্যা হাজির হয়। চলুন জেনে নিই ঠোঁটের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমস্যার কারণ ও প্রতিকার- শুষ্ক আবহাওয়া  শীতে সাধারণত বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে আমাদের ত্বক দিয়ে বেরিয়ে আসা পানি দ্রুত শুকিয়ে যায়। এতে কারও কারও ত্বকের ওপরের স্তর ফেটে যায়। ঠোঁটে এরূপ সমস্যা সাধরণত বেশি হয়। অধিক রোদ ও গরমের স্পর্শ যারা ঠোঁটে অধিকমাত্রায় রোদ ও গরমের স্পর্শ দেন, তাদের ঠোঁট স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি কালো ও শুকনো হতে পারে। শীতে গরম চা ও অন্যান্য গরম পানীয়ের স্পর্শে নানান প্রদাহ হতে পারে। প্রসাধনীর ব্যবহার ঠোঁটে অধিক প্রসাধনীর ব্যবহারে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। অনেক সময় বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রী যেমন, লিপস্টিক, লিপ লাইনার, ক্রিম ইত্যাদির ব্যবহারে ঠোঁটে নানা ধরনের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ থেকে ঠোঁটের ত্বকে তীব্র প্রদাহের সৃষ্টি হতে পারে। জীবাণু সংক্রমণ  অনেক সময় হারপিস সিমপ্লেক্স নামক একটি ভাইরাস ঠোঁটে ইনফেকশন করে। ক্যানডিডা নামক ছত্রাক জাতীয় একটি জীবাণুও ঠোঁটে সমস্যা তৈরি করে। বিশেষ যৌনাচারের ফলেও ঠোঁটে বেশ কিছু সংক্রামক যৌনরোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে। অধিক ধূমপান  ধূমপান করার সময় প্রথমেই ঠোঁটের ব্যবহার হয়ে থাকে। অধিক ধূমপানের ফলে ঠোঁট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঠোঁট ধীরে ধীরে তার আসল রূপ হারায়। এছাড়া যারা পানের সঙ্গে চুন (ক্যালসিয়াম অক্সাইড), খয়ের (রং), জর্দা (তামাক পাতা) ইত্যাদি খান; এসবের কারণে তাদের ঠোঁটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুদ্রাদোষের কারণে  নিয়মিত দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ানো, নখ দিয়ে ঠোঁটের চামড়া টানা, জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজানো এবং আঙুল চোষার ফলে ঠোঁটের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্টের পাশাপাশি ঠোঁটে নানান সমস্যা সৃষ্টি হয়।  আঘাতজনিত কারণে সৃষ্ট সমস্যা নকল দাঁত বা আঁকাবাঁকা ধারালো আল দাঁতের দীর্ঘদিনের আঘাতের ফলেও ঠোঁটের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া কোনও কিছুর জোরালো আঘাতও ঠোঁটে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চর্মরোগ ও অন্যান্য শারীরিক রোগ  শ্বেতী রোগ ঠোঁটের ত্বকে খুব সাধারণ সমস্যা। এ রকম আরও কিছু চর্মরোগ আছে যেগুলো ঠোঁটকে আক্রান্ত করতে পারে। শরীরের ভেতরের বিভিন্ন রোগের প্রতিফলন অনেক সময় ঠোঁটে আত্মপ্রকাশ করে।  ঠোঁটের পরিচর্যা বিষয়ে কিছু করণীয়- ১. ঠোঁটের শুষ্কতা, রুক্ষতা এবং ফেটে যাওয়াকে দূর করতে শুষ্ক আবহাওয়ায় ঠোঁটে ভ্যাসলিন, গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। ২. তীব্র রোদ ও গরম থেকে ঠোঁট দূরে রাখুন। ৩. খাবার বা পানীয় অতিরিক্ত গরম অবস্থায় না খেয়ে ঠাণ্ডা করে খান। ৪. সিগারেট, পান, সুপারি, গুল, জর্দা ইত্যাদি পরিহার করার চেষ্টা করুন। ৫. ঠোঁট কামড়ানো, নখ দিয়ে ঠোঁটের চামড়া টানা, জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট চোষার মতো অভ্যাস ত্যাগ করুন। ৬. ঠোঁটে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, যেমন- ফুলে যাওয়া, ব্যথা, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া ইত্যাদি হলে  চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ৭. আঁকাবাঁকা, ধারালো বা কৃত্রিম দাঁত থাকলে তা একজন ডেন্টাল সার্জনকে দিয়ে ঠিক করে নিতে হবে। ৮. ঠোঁটের সংবেদনশীল ত্বককে সবসময় আঘাতমুক্ত রাখুন।   জিএ/পি
শীতে ঠোঁটের যত্নে কী করবেন?
কেন সঠিক মাপের জুতো পরবেন
পায়ের জুতো হতে হবে জুতসই। সেরকমই জুতো বাছাই করা উচিৎ যাতে হাঁটতে বা দাঁড়াতে কোনও সমস্যা না হয়। আর তা না হলে শারীরিক নানা সমস্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ আর জুতো কেনার কিছু টিপস জেনে নিন- সুন্দর জুতো জোড়া নতুন জুতো কেনার সময় লক্ষ রাখেন হবে যে, জুতোজোড়া সঠিক মাপের কি-না। শুধুমাত্র জুতোর সুন্দর রং আর চেহারা দেখেই কিনে ফেললে ভবিষ্যতে ভুগতে হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষই এই ভুলটি করে থাকেন।  দুই তৃতীয়াংশ মানুষেরই জুতো বড় জার্মানির পিএফআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ৫,২০০ মানুষের জুতোর মাপ সম্পর্কে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। ফলাফলে বেরিয়ে এসেছে যে জার্মানির জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই বড় জুতো পরে। নারী-পুরুষের একই অবস্থা জুতো কেনার সময় পছন্দের মডেলের জুতো জোড়া পাওয়ার পর তারা সেভাবে খেয়ালই করেন না জুতো ঠিক মাপমতো পায়ে হয় কিনা, যদিও অনেকে না বুঝেই এই কাজটি করেন। লম্বা এবং চওড়া জুতো শুধু লম্বায় পায়ের মাপে হলে হবে না, চওড়ায়ও ঠিকভাবে ফিট হতে হবে। সঠিক মাপের জুতো না পরা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বড় জুতোতে আলাদা সোল লাগিয়ে পরলেও তেমন লাভ হয় না। বড় জুতোর সমস্যা পায়ের মাপের চেয়ে বড় জুতো পরলে হাঁটার সময় প্রতিটি ধাপেই তা টের পাওয়া যায় এবং আঙুলে নখের আঘাত বোঝা যায়। যার ফলে পায়ের পেশিতে টান লাগে। টাইট জুতো বেশি ছোট জুতোর চাপে আঙুলে অঙ্গ বিকৃতি ঘটতে পারে, তাছাড়া হাঁটতেও অসুবিধা হয়। কেননা সুন্দর করে হাঁটাতে মানুষের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়। হাই হিল সুন্দর পোশাকের সঙ্গে যে হাই হিল জুতো ভালো মানায় সে কথা যেমন সবারই জানা, তেমনি হাই হিল পরলে যে সমস্যা হয়, সে কথাও প্রায় সবাই জানে। কারণ বেশি উঁচু জুতো পরে হাঁটার সময় পায়ের চেয়ে শরীর সামনের দিকে খানিকটা এগিয়ে যায়। আর সে কারণেই মেরুদণ্ডের সমস্যা দেখা দেয়, যা ব্যথার কারণ হয়। কিছু টিপস সারাদিন যারা জুতো পরে থাকেন, তারা অবশ্যই বিকেল বেলা জুতো কিনবেন যখন পা সামান্য ফোলা থাকে। জুতো বিক্রি বা এ ব্যাপারে যারা বিশেষজ্ঞ, তাদের কাছ থেকে নিয়মিত জুতোর সঠিক মাপ নিয়ে নেবেন। কারণ পায়ের মাপ বদলে যায়। জুতো কেনার সময় নতুন জুতো পরে বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে ভালো করে হাঁটুন এবং লক্ষ রাখুন, জুতো যেন হয় আসল চামড়ার তৈরি। আরও পড়ুন :  গলার স্বর বসে গেলে কি করবেন? জিএ/এসএস
কেন সঠিক মাপের জুতো পরবেন
আরও পড়ুন
পারফিউমের গন্ধ ধরে রাখবেন কীভাবে
মোহরানা আদায় করতেই হবে