ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

গরমে ঘরে বসেই তৈরি করুন ভ্যানিলা আইসক্রিম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২১, ০৩:২৭ পিএম
গরমে ঘরে বসেই তৈরি করুন ভ্যানিলা আইসক্রিম

কম-বেশি সকলেই আইসক্রিম খেতে ভালোবাসেন। আর এই গরমে তো কথাই নেই। এই সময় ঠান্ডা আইসক্রিম খেতে পারলে যেন দেহ-মন দুটোতেই প্রশান্তি আসে। তবে ব্যক্তি ভেদে আইসক্রিম পছন্দ ভিন্ন হয়ে থাকে। কেউ অরেঞ্জ, কেউ চকলেট আবার কেউ কুলফি আইসক্রিম ভালোবাসেন। তবে ভ্যানিলা আইসক্রিম কিন্তু সবারই পছন্দ। এবার তাহলে স্বাস্থ্যসম্মত উপায় বাড়ি বা বাসায় বসে ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরির উপায় জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ : কনন্ডেন্স মিল্ক ৪ টেবিল চামচ, হেভি তরল দুধ/হুইপ ক্রিম ১ কাপ ও ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ।

তৈরির প্রক্রিয়া : প্রথমে একটি বাটি ১ ঘণ্টার মতো ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। তারপর তাতে তরল দুধ দিয়ে হ্যান্ড বিটার মেশিনে করে ফোম হওয়ার আগ পর্যন্ত বিট করে নিন। এরপর কনডেন্স মিল্ক মিশিয়ে হালকা করে চামচ দিয়ে নেড়ে মিক্স করুন। ফের ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে বিট করতে করতে শক্ত হয়ে আসলে বায়ু শূন্য বক্সে করে ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘণ্টা। দেড় থেকে ২ ঘণ্টা পর বের করে আবার ৪ ঘণ্টার মতো ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর দেখবেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে মজাদার ভ্যানিলা আইসক্রিম। তবে ফ্রিজ থেকে সরাসরি বের করেই খাবেন না আইসক্রিম।

এসআর/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
ওজন কমাতে কেউ ছেড়েছেন খাওয়া, আবার কেউ সকাল-বিকেল ছুটছেন জিমে, হাঁটছেন পার্কে। তবুও ওজন কিছুতেই কমছে না। তবে আপনাকে যদি বলা হয় শরীরচর্চা নয়, ওজন কমবে পরোটা খেয়ে, তাহলে চক্ষু চড়কগাছ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ পরোটা মানেই ঘি বা তেল চপচপে খাবার। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা তো এই ধরনের খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। তবে বলে রাখা ভালো এমন কিছু পরোটা আছে যা খেলে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে তা নয়, মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। পেঁয়াজের পরোটা পেঁয়াজে আছে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন ও ভিটামিন সি। যা শরীরের রোগপ্রতিরোধশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়ক। পালংশাকের পরোটা ভিটামিন বি, ই, এবং পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং মাইক্রোনিউটিয়েন্ট সমৃদ্ধ পালংশাকের পরোটা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া পালং শাকে ক্যালোরি কম থাকে। পালং শাক দীর্ঘ সময়ের জন্যে পেট ভর্তি রাখে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা খানিক কমে। মেথির পরোটা মেথিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। মেথি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে ঠিক রাখে। এ ছাড়া মেথির অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরকে ক্ষতিকারক উপাদান থেকে বাঁচায়। কীভাবে তৈরি করবেন এমন স্বাস্থ্যকর পরোটা? এই পরোটাগুলির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই বেশি তেল বা ঘি ব্যবহার করবেন না। পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন টকদই। হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে। জোয়ার, বাজরা, বা রাগি আছে এমন ময়দা দিয়ে পরোটা বানান। কারণ এই উপাদানগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা। এসএস
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
বাড়িতে কেক বানাবেন? সময় বাঁচানোর জন্য জেনে রাখুন কয়েকটি কৌশল
কেক তৈরি করা খুব সহজ কাজ নয়। মাপ, বেকিংয়ের সময়, পদ্ধতি— কোনো একটা একটু এদিক-ওদিক হলেই কেক ভণ্ডুল হয়ে যায়। তখন পুরো পরিশ্রমই মাঠে মারা যায়। তবে কিছু কৌশল জানা থাকলে সময় বাঁচতে পারে আপনার। সহজ হবে বেকিংয়ের পদ্ধতিও। ১। কাপকেক তৈরি করার সময়ে ট্রে’তে বেকিং পেপার পেতে মাখন লাগান? অনেক সময় বাড়তি তেলতেলে হয়ে যায় এই বেকিং পেপারগুলি। এর একটি সহজ সমাধান রয়েছে। বেকিং পেপারের নীচে খানিক চাল রেখে দিতে পারেন। বেক হয়ে গেলে দেখবেন বাড়তি তেল সব শুষে নিয়েছে চাল। ২। অনেক সময়ই কেক ফুলে পাত্র থেকে বেরিয়ে যায়। এটা আটকানোর একটি উপায় আছে। একটি পাতলা ন্যাকড়া খানিক জল দিয়ে ভিজিয়ে একটি স্ট্র্যাপের মতো করে পাত্রের ওপরে লাগিয়ে নিন। তা হলেই কেক খুব বেশি ফুলে উঠতে পারবে না ৩। একই মাপের কুকি তৈরি করা মুশকিল। কিন্তু সবচেয়ে সহজ উপায় একটুখানি করে গোলা বেকিং ট্রেতে ঢেলে একটি গ্লাসের মুখ চেপে সেই মতো মাপ করে নিন। তা হলেই প্রত্যেকটা কুকি একই রকম দেখতে হবে। ৪। ময়দা চালার সবচেয়ে সহজ উপায় একটি হ্যান্ড বিটার দিয়ে ময়দাটা ভালো করে চেলে নিন। তা হলে সহজেই ময়দা চালুনির থেকে বেরিয়ে যাবে। ৫। ডিম ফাটানোর সময়ে পাত্রে ডিমের খোলার টুকরো পড়ে গিয়েছে? হয়তো অনেকেই জানেন না ছোট ছোট খোলার টুকরো একটি বড় টুকরো দিয়ে সহজেই তোলা যায়। এসএস/এসকে
বাড়িতে কেক বানাবেন? সময় বাঁচানোর জন্য জেনে রাখুন কয়েকটি কৌশল
পূজার পাতে স্পেশাল রেসিপি
শারদীয় দুর্গোৎসবে খাদ্যরসিক বাঙালির ভুরিভোজ না হলেই নয়। এ দিনের জন্য দারুণ রেসিপি চটজলদি দেখে নিন। নারিকেলি ঢেঁড়স উপকরণ : সরিষা বাটা ১ চা চামচ কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ হলুদ পরিমাণমতো সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ কাজু ও পস্তোবাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ টক দই ১ টেবিল চামচ লবণ স্বাদমতো কালোজিরা অল্প নারকেল বাটা ২ টেবিল চামচ নারকেল কুচি সাজানোর জন্য প্রণালি : ঢেঁড়স ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে এরপর লম্বা লম্বা করে কেটে নিতে হবে। লবণ মাখিয়ে নিতে হবে। তেলে কালোজিরা, সরিষা বাটা, মরিচ বাটা অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে লবণ, কাজু ও পস্তোবাদাম বাটা, হলুদ দিন। তেল ওপরে উঠলে আস্তে আস্তে ঢেঁড়স বিছিয়ে দিন। এরপর অল্প আঁচে ঢেকে রান্না করুন। মাখা মাখা হলে টক দই দিয়ে নামিয়ে নারকেল কুচি দিয়ে সাজিয়ে লুচি বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। আলু পনিরের ঝাল উপকরণ : আলু ও পনির ছোট করে কাটা আদা ও জিরা বাটা ১ চা চামচ করে গরমমসলা গুঁড়া আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ আস্ত এলাচ ১ টি দারুচিনি ১ টুকরা তেজপাতা ২ টি জিরা ১ চা চামচ চিনি ১ চা চামচ লবণ স্বাদমতো তেল / ঘি ১ কাপ প্রণালি : প্রথমে সাদা তেলে আলু আর পনির ভেজে নিয়ে তুলে রাখুন। এরপর তেল/ ঘি দিয়ে আস্ত এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা ও জিরা দিয়ে ফোড়ন দিয়ে অল্প নেড়ে নিন। তারপর একটু জল দিয়ে তার মধ্যে লবণ, হলুদ, জিরা গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, আদা ও জিরা বাটা আর অল্প চিনি দিয়ে দিন। তারপর আলু ও জল দিয়ে কষিয়ে পনির দিয়ে দিন। তরকারি একটু মাখা মাখা হবে। নামানোর আগে ওপরে একটু ঘি আর গরমমসলা গুঁড়া ছড়িয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন। এসএস
পূজার পাতে স্পেশাল রেসিপি
পূজায় রকমারি নাড়ু-লাড্ডু
শুরু হয়ে গেলো দুর্গাপূজা। বাঙালির পূজা মানেই ভূরিভোজ। তবে নাড়ু কিংবা লাড্ডু ছাড়া তা জমেই না। তাই পূজা উৎসবের দিনগুলোতে ভূরিভোজের জন্য রইলো তিনটি দারুণ রেসিপি। বেসনের লাড্ডু উপকরণ                                  বেসন : এক কাপ পানি : আধা কাপ কাঠ বাদাম : এক চা-চামচ এলাচ গুঁড়া : সামান্য ভাজার জন্য তেল : পরিমাণমতো সিরা তৈরি : চিনি দেড় কাপ ও পানি এক কাপ। প্রণালি প্রথমে পানিতে চিনি জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। এবার একটি পাত্রে পানি ও বেসন দিয়ে খুব ভালো করে মিশ্রণ তৈরি করুন। বড় হাতলসহ ঝাঁজরা চামচে মিশ্রণ নিয়ে গরম তেলে ছাড়ুন। অল্প আঁচে বুন্দিয়াগুলো সোনালি রং করে ভেজে তুলুন। সবশেষে চিনির সিরায় বুন্দিয়া, বাদাম কুচি এবং এলাচ দিয়ে মেখে ১০ মিনিট রেখে দিন। হাতে চিনির সিরা মেখে গোল করে লাড্ডু তৈরি করুন। তিলের লাড্ডু উপকরণ তিল : ২৫০ গ্রাম গুড় : ২৫০ গ্রাম ঘি : ১ কাপ প্রণালি তিল টেলে (তেল ছাড়া ভাজা) নিয়ে পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার চুলায় একটি পাত্রে গুড় জ্বাল দিন। তা গলে গেলে তিল দিয়ে নাড়তে থাকুন। গুড়ের সঙ্গে তিল মিলে শক্ত হয়ে এলে নামিয়ে নিন। একটি পাত্রে তিলের মিশ্রণ ঢেলে গরম থাকতেই ঘি দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার পছন্দ মতো আকারে লাড্ডু তৈরি করুন। আপনারা চাইলে সব ধরনের লাড্ডুতে পছন্দমতো লবণ দিতে পারেন। নারকেলের নাড়ু উপকরণ নারকেল : চারটি গুড় অথবা চিনি : একব কেজি তেজপাত : একটি লবণ : এক চিমটি এলাচ গুঁড়া : সামান্য দারচিনি : কয়েক টুকরো প্রণালি নারিকেল কুরিয়ে নিন। এবার কোরানো নারিকেল ও গুড় ভালো করে মিশিয়ে পাত্রে দিন। দারচিনি, তেজপাতা, এলাচ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে দিন। এরপর ভালোভাবে নাড়ুন যাতে তলায় লেগে না যায়। হালকা আঁচে প্রায় আধাঘণ্টা রান্নার পর নরম ও আঠালো হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। হলাকা গরম থাকতেই হাতের তালুতে অল্প ঘি মেখে নারিকেল নিয়ে ছোট বলের মতো গোল করে নাড়ু তৈরি করে নিন। আরপি/এসএস/টিআই
পূজায় রকমারি নাড়ু-লাড্ডু
চটজলদি বানিয়ে ফেলুন সুজির চমচম
হঠাৎ করেই অনেক সময় মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু যারা বাইরের খাবার অপছন্দ করেন তাদের ঘরের তৈরি খাবারই ভরসা। তাই এই অবস্থায় বাসা বা বাড়িতে মিষ্টি তৈরি করা সেরা উপায়। মিষ্টি তৈরি অনেকটা ঝামেলার হওয়ায় মন খেতে চাওয়ার পরও কেউ কেউ বিষয়টি এড়িয়ে চলেন। খুব অল্প সময়ে সহজেই সুজির চমচম তৈরি করা যায়। এবার তাহলে সুজি দিয়ে চমচম তৈরির প্রক্রিয়া তুলে ধরা হলো- উপকরণ : ১/২ কাপ সুজি, ১ কাপ দুধ, ১/২ কাপ চিনির গুঁড়া, ১/৪ কাপ কোরানো নারিকেল, ১/৪ এলাচের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ ঘি। প্রস্তুত প্রণালী : ব্লেণ্ডারে সুজি নিয়ে অল্প মিহি করুন। একটি প্যান গরম করতে দিন। প্যানটি গরম হলে তাতে সুজি হালকা নেড়ে নিয়ে কয়েক মিনিট ভেজে নিন। তবে সুজির রং লালচে বা বাদামি হতে দেয়া যাবে না। এবার ঘি ঢেলে দিয়ে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। শুকিয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। ঠান্ডা হওয়ার পর থালায় ঢেলে মথে নিন। ভালোভাবে ঠান্ডা হওয়ার পর তাতে চিনির গুঁড়া মিশিয়ে কোরানো নারিকেল ও এলাচের গুঁড়া দিয়ে মেখে নিয়ে মণ্ড তৈরি করে নিন। এখন হাতের তালুতে হালকা ঘি মাখিয়ে নিয়ে মণ্ড থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে চমচমের আকৃতি দিন। তারপর একটি স্টিলের থালায় ঘি মাখিয়ে চমচমগুলো ভালোভাবে সাজিয়ে রাখুন। অন্য একটি পাত্রে পানি গরম দিন। এবার পাত্রের ওপর চমচমের থালাটি বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ৮-১০ মিনিট পর নামিয়ে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পছন্দের মানুষকে পরিবেশন করুন সুস্বাদু মজাদার। এসআর/
চটজলদি বানিয়ে ফেলুন সুজির চমচম
আরও পড়ুন
পরিচয় জানা গেল আইসক্রিমওয়ালার, যার ভক্ত দেড় মিলিয়ন (ভিডিও)
স্কুল-কলেজে মিলছে চকলেট ও কলম
চকলেট খেয়ে ৯ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
ঘুমানোর আগে পরিহার করুন ৫ খাবার