ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চুলায় তৈরি করুন তন্দুরি চিকেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫৪ পিএম

তন্দুরি চিকেনের নাম শুনলে জিভে পানি আসে। কিন্তু তন্দুর চুলা বা ওভেন সবার বাড়িতে থাকে না। তারা কীভাবে মুরগির মাংসের এই পদ তৈরি করবেন? মন খারাপের কারণ নেই, চাইলে চুলায়ও তৈরি করে নেওয়া সম্ভব তন্দুরি চিকেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক চুলায় তন্দুরি চিকেন তৈরির সহজ রেসিপি—

উপকরণ
চামড়াসহ মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ ১টি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চামচ, আদা বাটা ১ চামচ, তেল ৩-৪ চা চামচ, পানি ঝরানো টক দই ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ২টি (কুচানো)। এছাড়া গরম মশলা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১-২ চা চামচ, জিরে গুঁড়া ১-২ চা চামচ, অরেঞ্জ ফুড কালার ২ ফোঁটা ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি
মাংসের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। ছুড়ির দিয়ে মাংসের গায়ে ২-৩টি চিড়ে দিন। এরপর তাতে লেবুর রস ও লবণ ভালো করে মেখে নিন। এভাবে ফ্রিজে রেখে দিন মিনিট বিশেক। এরপর বাটা পেঁয়াজ, আদা, রসুন, মরিচ ও অন্যান্য শুকনো মসলা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে পানি ঝরানো টক দই ও ফুড কালার মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে ম্যারিনেট করুন।

ফ্রিজে রেখে দিন দেড় ঘণ্টার মতো। এরপর একটি ফ্রাই প্যানে অল্প একটু তেল মাখিয়ে নিন। এবার তাতে মাংসের টুকরাগুলো রেখে উপর দিয়ে অল্প তেল ছড়িয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। একেক পাশ ১০-১৫ মিনিট হালকা আঁচে রান্না করুন। দুই দিক ভালো করে সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিন। এরপর একটি রুটি সেঁকার জালি বা অন্য কোনো জালির উপরে মাংসের টুকরোগুলো রেখে বেশি আঁচে একটু সেঁকে নিন। এতে তন্দুরের পোড়া ভাব চলে আসবে। এবার গরম গরম পরিবশেন করুন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিকেলের নাশতায় ছানার মিল্ক কেক
বিকেলের নাশতায় ভিন্ন কি খাওয়া যায়, তা ভেবে পাচ্ছেন না? বাড়িতে ছানা থাকলে সহজে তৈরি করা যায় এমন খাবারের তালিকায় যুক্ত করে নিতে পারেন ছানার মিল্ক কেক। বিকেলের নাশতায় কফির সঙ্গে বেশ জমে যাবে সুস্বাদু ছানার মিল্ক কেক। মিল্ক কেক বানানোর প্রণালী জেনে নিন।  মিল্ক কেক বানানোর উপকরণ-  ময়দা ২ কাপ, গুঁড়া চিনি ৩ কাপ, চিনি ২ চামচ, বেকিং পউডার ১ চা চামচ, মাখন ৭৫ গ্রাম। এছাড়াও লাগবে, ডিম ১টা, পানি ঝরানো ছানা ৩ কাপ, কাজু বাদাম ২ চামচ, কিশমিশ ১ চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স ২ চামচ, ছোট এলাচের গুঁড়া, দুধ আধ কাপ। মিল্ক কেক বানানোর প্রণালী-  একটি শুকনো পাত্রে ছানা ঢেলে নিন। খেয়াল রাখবেন ছানাতেও যেন পানি না থাকে। এবার অন্য পাত্রে গুঁড়া চিনি, মাখন, ভ্যানিলা এসেন্স, ডিম, দুধ, এলাচ গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর অন্য একটি পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে বাদাম, কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। এরপর তা ওভেনে দিয়ে দিন। তবে ওপর থেকে টুথ পিক দিয়ে দেখে নিতে হবে যে কেক কতটা নরম হয়েছে।  ঠান্ডা হলে বের করে নিন মিল্ক কেক। এবার বিকেলের নাশাতায় ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুণ মিল্ক কেক। 
বিকেলের নাশতায় ছানার মিল্ক কেক
পাউরুটির কাটলেট
বিকেলের নাশতায় ঝটপট বানিয়ে ফেলুন পাউরুটির কাটলেট রইল রেসিপি- প্রথমে ২০০ গ্রাম পনির কুচি করে নিন। এবার ৬ স্লাইস পাউরুটির চারপাশের শক্ত অংশ বাদ দিয়ে দিন কেটে। একটি বাটিতে পনির কুচির সঙ্গে ১ চা চামচ চিলি ফ্লেকস, ১ চা চামচ অরিগ্যানো (ঐচ্ছিক), পরিমাণ মতো লবণ, চিনি ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এরপর পাউরুটির ওপর সামান্য পানি ছিটিয়ে নরম করে বেলে নিন। কর্নফ্লাওয়ার অল্প পানি দিয়ে গুলে রাখুন। এবার পাউরুটির ভেতরে পনিরের পুর দিয়ে চারপাশে কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণ লাগিয়ে জুড়ে নিন। তেল গরম করে ভেজে তুলুন মচমচে মজাদার ব্রেড কাটলেট।
পাউরুটির কাটলেট
ভিন্ন স্বাদের ক্যারামেলের ক্ষীর
পছন্দের তালিকায় ক্ষীর বা পায়েস নেই এমন মানুষ সংখ্যায় কিছুটা কম বলা যায়। বিশেষ করে মিষ্টি খাবার যারা পছন্দ করেন, তাদের কাছেতো  ক্ষীর হলো একটি লোভনীয় খাবার। আর ক্ষীরে যদি যুক্ত হয় ক্যারামেল তাহলেতো কথাই নেই। পছন্দের খাবারটির এই ভিন্ন স্বাদ পেতে জানতে হবে এর সঠিক রেসিপি।  চলুন জেনে নেওয়া যাক ক্ষীর তৈরির রেসিপি- কালোজিরা বা বাসমতী চাল ১/৪ কাপ আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি ছেঁকে ভেজানো চাল বেটে নিন অথবা ব্লেন্ডারে আধভাঙ্গা করে নিন। চাইলে পাথর দিয়েও ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাল আধভাঙ্গা করে নিতে পারেন। এবার চুলায় হাড়ি দিয়ে ৬ কাপ তরল দুধ জ্বাল দিন। তাতে আধভাঙ্গা চাল দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট ফুটতে দিন। এর মাঝে বারবার নাড়তে হবে যেনো কড়াইতে মিশ্রণটি লেগে না যায়। ১/২ কাপ গুঁড়া দুধের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ ফুটানো চালের পানি দিয়ে গুলিয়ে মিশ্রণটি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার ১/২ কাপ চিনি দিয়ে দিন। ১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়া দিয়ে একটু নেড়ে নিন। এবার এক চিমটি লবণ ছিটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন।  নামানোর আগে কয়েক ফোঁটা কেওরা পানি এবং গোলাপজল দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার পরিবেশন পাত্রে তুলে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এবার চুলায় আঁচ একদম কমিয়ে অন্য একটি হাঁড়িতে ২ টেবিল চামচ চিনি ১ টেবিল চামচ পানি দিন। এবার ১/২ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি ঘন এবং লাল রং হলে চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন পাত্রে রাখা ঠান্ডা ক্ষীরের ওপর ছড়িয়ে ঢেলে দিন। এবার তার ওপর পছন্দ মত কিসমিস, বাদাম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন  ক্যারামেল ক্ষীর।
ভিন্ন স্বাদের ক্যারামেলের ক্ষীর
যেভাবে রাঁধবেন কাসুন্দি মুরগি
কর্মব্যস্ততায় ভিন্ন রকম রান্না করার সময় না পাওয়ায় ছুটির দিনে সকলেই কমবেশি খাবারে ভিন্নতা আনার চেষ্টা করে। এরকমই একটি ভিন্ন রকম রান্না হলো কাসুন্দি দিয়ে মুরগির মাংস রান্না। অতিথি আপ্যায়নে চটজলদি ভিন্ন স্বাদের রান্না করতে কাসুন্দি মুরগির জুড়ি মেলা ভার। এতে আপনার সময়ও বেঁচে গেল আর অতিথিও খুশি থাকল।  রইল রেসিপি- উপকরণ : মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম পোস্ত বা সাদা সরিষা বাটা ৪ টেবিল চামচ কাজু বাদাম ১০ থেকে ১২টি কাঁচা মরিচ ৪টি টক দই আধ কাপ কাসুন্দি আধ কাপ মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া আধ চা চামচ লবণ স্বাদ মতো চিনি স্বাদ মতো সরিষার তেল ৪ টেবল চামচ প্রণালি: একটি বাটিতে হাড় ছাড়া মুরগির মাংস, টক দই, মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া আর লবণ দিয়ে ম্যারিনেট করে রাখুন। কাজু বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ভেজানো কাজু, পোস্ত বা সাদা সরিষা বাটা আর দুইটি কাঁচা মরিচ একসঙ্গে বেটে নিন। কড়াইতে সরিষার তেল গরম করে ম্যারিনেট করে রাখা মাংস দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে মিনিট দশেক মাংস রান্না করতে থাকুন। এবার তাতে বাটা মশলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে স্বাদ মতো চিনি, লবণ, চেরা কাঁচা মরিচ আর কাসুন্দি দিয়ে দিন। মাংস কষিয়ে ফুটতে দিন। মাংস থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে ওপর থেকে সরিষার তেল ছড়িয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এবার পোলাও বা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম কাসুন্দি মুরগি।
যেভাবে রাঁধবেন কাসুন্দি মুরগি
কাঁচা কাঁঠালের কাবাব
কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় খেয়েছেন নিশ্চই কিন্তু কাঁচা কাঁঠালের কি কাবাব খেয়েছেন! শুনতেই একটু ঝামেলার রান্না মনে হচ্ছে তাই না। তাহলে দেখে নিন সহজেই কাঁচা কাঁঠাল দিয়ে তৈরি করা যায় এমন মুখোরোচক কাবাবের রেসিপি। উপকরণ : বুটের ডাল ১ কাপ ৪/৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে হবে। কাঁচা কাঁঠাল আধা কেজি (কেটে ছোট টুকরো করে নেওয়া)। হলুদ গুঁড়া সামান্য, তেজপাতা ২/৩টি, লবণ সামান্য, দারুচিনি ২/৩টি, শুকনো লাল মরিচ ৪/৫টি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, পুদিনা পাতা ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৬/৭টি, র্কন ফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চা চামচ, গোল মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ও ডিম ৩ থেকে ৪টি। প্রস্তুত প্রণালী : কাঁঠালের ভেতরের অংশ টুকরো করে কেটে নিন প্রথমে। তারপর পানিতে সামান্য হলুদ মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার কাঁঠালের টুকরোগুলো দিয়ে ঢেকে রাখুন। পানি ফুটে উঠলেই ছেঁকে নরমাল পানি দিয়ে কাঁঠালগুলো ধুয়ে নিন। এবার বুটের ডাল ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখার পর তা ধুয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে আধা সেদ্ধ কাঁঠালগুলো দিয়ে দিন। এ পর্যায়ে ১-১০ নং পর্যন্ত উপকরণ মিশিয়ে দিন। তারপর ডাল ও কাঁঠাল সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি শুকিয়ে নিতে হবে অল্প আঁচে নেড়ে নেড়ে। এরপর তেজপাতা ও দারুচিনিগুলো উঠিয়ে ফেলুন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন ডাল কাঁঠাল। এবার ডাল কাঁঠালের সঙ্গে পেঁয়াজ বেরেস্তা, পুদিনা পাতা ও কাঁচা মরিচ মিশিয়ে পাটায় বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার ব্লেন্ড করা কাঁঠালের সঙ্গে ১৪-১৮ নং পর্যন্ত সবগুলো উপকরণ মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিন। এবার এই মিশ্রণ থেকে কাবাব তৈরি করে নিন। সবগুলো কাবাব তৈরি হলে ফেটানো ডিমে চুবিয়ে গরম তেলে বাদামিরঙা করে এপিঠ ওপিঠ ভেজে তুলে নিন।  ব্যাস তৈরি হয়ে গেল কাঁচা কাঁঠালের কাবাব। ছুটির দিনের সন্ধ্যায় উপভোগ করুন গরম গরম কাঁঠালের কাবাব। আরও রেসিপি দেখুন এখানে।
কাঁচা কাঁঠালের কাবাব
আরও পড়ুন
চুলায় তৈরি করুন তন্দুরি চিকেন
কাশ্মিরি মাটন রেসিপি
যেভাবে রাঁধবেন কাঁচা কলার কোপ্তা কারি
সরিষা ফুলের বড়া তৈরির রেসিপি