ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

কবে থেকে শুরু হবে যৌথবাহিনীর অভিযান জানালো ইসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
ফাইল ছবি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে যৌথবাহিনী। রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক বিশেষ সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, রোববারের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট পরিপত্র জারি হওয়ার কথা রয়েছে।

ইসি সানাউল্লাহ সভায় উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যে সব বাহিনীর প্রধানদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রতিটি বাহিনীর সদর দপ্তরকে অভিযানের বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। মূলত নির্বাচনের পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতেই এই বড় ধরনের সামরিক ও বেসামরিক সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

নির্বাচন কমিশনার এই অভিযানের পেছনের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা জানান। প্রথমত, সারা দেশে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা এবং যেসব অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব নয়, সেগুলো যাতে কোনো ধরনের নাশকতায় ব্যবহৃত হতে না পারে তা নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, তালিকাভুক্ত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তৃতীয়ত, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা। বড় কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তা সরাসরি যৌথবাহিনী মোকাবিলা করবে।

কক্সবাজারের স্পর্শকাতর ভৌগোলিক অবস্থানের কথা বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পুরোপুরি সিল করে দিতে হবে। এছাড়া স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী অবৈধ পথে যাতায়াত করে অপরাধ সংঘটিত করার সুযোগ না পায়। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা
শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা
সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত 'মহালয়া ১৪৩৩'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন একথা বলেন। সকাল ৬ টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বনানী মাঠে পৌঁছালে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ। পরে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। শুভ মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। একইসঙ্গে তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আধুনিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ এবং সরকারের কাছ থেকে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সমান নিরাপত্তা, সমান স্বাধীনতা এবং সমান মর্যাদা পাবেন। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের এই অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করাই সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। তিনি আরও বলেন, মহালয়া মানেই নতুন আশার আলো, অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোর জয় নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল বার্তা। সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের জন্য তিনি গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। মাহদী আমিন বলেন, আজ আমরা এমন একটি এলাকায় সমবেত হয়েছি, যা সংসদীয় আসন হিসেবে  প্রধানমন্ত্রীর এলাকা। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব যেখানে ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা ছাপিয়ে আমাদের একটাই পরিচয় হবে, আর তা হলো আমরা সবাই বাংলাদেশি। তিনি সনাতনী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ ও শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন। মাহদী আমিন বলেন, আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য কিংবা বিভেদের শিকার হতে হবে না। প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচবেন এবং সমান মর্যাদা নিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবেন। দীর্ঘ সময় পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতি রেখে পূজার সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আমরা চাই এই উৎসবের আনন্দ একইভাবে সনাতনী সম্প্রদায়ের  প্রতিটি মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে পড়ুক। তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের আবহমান ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক দৃঢ় বন্ধন। আমাদের মধ্যকার ভিন্নতা ও বৈচিত্র্যকে শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা এমন এক মানবিক বাংলাদেশ চাই, যেখানে বিদ্বেষের জায়গা নেবে ভালোবাসা, বৈষম্যের জায়গা নেবে ন্যায়বিচার এবং বিভাজনের জায়গা নেবে ঐক্য। বাংলাদেশের মূল শক্তি এ দেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, জনগণের অন্তরের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা এবং একতাবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয়ই আমাদের চালিকাশক্তি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, দেশের মানুষের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক জনকল্যাণই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই আমরা বলি 'সবার আগে বাংলাদেশ'। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, মহালয়ার বার্তা ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। দুর্গোৎসবের এই শুভ সূচনা সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবশেষে তিনি আয়োজনের সুন্দর ও সার্থকতার মাধ্যমে সনাতনী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান  তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি  অলোক সাহা, সাধারণ সম্পাদক  বিনয় গোপাল রায় প্রমুখ। আরটিভি/টিআর
সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন
মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তাদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সব নাগরিকের সার্বিক মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।   এ বছরের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীতিনির্ধারণ ও সেবা পরিকল্পনায় তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়াই এ প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সার্বিক সুস্থতা, কর্মক্ষমতা ও জীবনমানের একটি অপরিহার্য অংশ। পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অস্থিরতা, একাকিত্ব, মাদকাসক্তি, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্রের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। তাই শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘মানসিক সুস্থতাসম্পন্ন ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা করি।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমান সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বিত করার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্ত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের যথাযথ সেবা পৌঁছে দিতে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এ ছাড়া ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির পরিবর্তে যথাযথ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। আরটিভি/টিআর
মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
আজ দেশের যেসব এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণকাজের জন্য শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজশাহী ও বগুড়ার বেশকিছু এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) বগুড়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এবং নেসকো রাজশাহীর বিমানবন্দর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বগুড়ার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এ বিষয়ে নেসকো বগুড়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জাহাঙ্গীরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন সাসেক প্রকল্পের আওতায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণকাজের নিমিত্তে নেসকো বগুড়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর আওতাধীন ৩৩ কেভি রহমান নগর এবং ৩৩ কেভি বনানী ফিডারসমূহ শাটডাউনের নিমিত্ত আগামী ১০ অক্টোবর সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ১০ ঘণ্টা এই দুই ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। বিজ্ঞপ্তিতে জরুরি নির্মাণকাজের নিমিত্তে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সেবামূলক কাজের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের সহযোগিতা কামনা করেছে নেসকো কর্তৃপক্ষ। এদিকে শনিবার রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। নেসকো রাজশাহীর বিমানবন্দর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিদ্যুৎ লাইনের নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য নেসকো রাজশাহীর ১১ কেভি বাগধানী ফিডারের আওতাধীন দুয়ারি, কুমড়াপুকুর ও বাগসারা এলাকাসমূহে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মোট ৩ ঘণ্টা এবং তেঘর থেকে বাগধানী এলাকা পর্যন্ত সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নেসকো কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/টিআর
আজ দেশের যেসব এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না
মধ্যরাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়েছে এবং অপরটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান। তিনি জানান, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেন। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। অপরটি উদ্ধার করে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট। খবর পেয়ে তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে। তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা বস্তুতে স্প্লিন্টার পাওয়া যায়নি। এটি সাধারণ পটকাজাতীয় বিস্ফোরক উপাদানের মতো ছিল বলে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এ ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডিসি ইবনে মিজান বলেন, দুর্বৃত্তরা মূল সড়ক এড়িয়ে লিংক রোড দিয়ে এসে ককটেল নিক্ষেপ করে চলে যায়। মূল সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তা-ব্যবস্থা থাকলেও তারা বিকল্প পথ ব্যবহার করেছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। আরটিভি/টিআর
মধ্যরাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
আরও পড়ুন
ইউপি নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত হবে সোমবার: ইসি সানাউল্লাহ
ইসির সঙ্গে বৈঠকে নেপালের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদল
আইসিসির মাসসেরার দৌড়ে অভিষেক-রাজা-শুভমান
জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির