ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক: সিইসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৬ এএম
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় আপিলের বুথ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নাসির উদ্দিন বলেন, সবার সহযোগিতা থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে উপহার দেওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নির্বাচনের পরিবেশ-পরিস্থিতি সন্তোষজনক আছে।

আরও পড়ুন

এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই আপিল আবেদনের ওপর পর্যায়ক্রমে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি জানায়, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আগামী ৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করতে পারবেন। আপিল আবেদনের জন্য ১ সেট মূল কাগজপত্র এবং ৬ সেট ছায়ালিপি (ফটোকপি) মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।

সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে আপিল গ্রহণের জন্য পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। রংপুর অঞ্চল: বুথ-১ (আসন ১-৩৩), রাজশাহী অঞ্চল: বুথ-২ (আসন ৩৪-৭২), খুলনা অঞ্চল: বুথ-৩ (আসন ৭৩-১০৮), বরিশাল অঞ্চল: বুথ-৪ (আসন ১০৯-১২৯), ময়মনসিংহ অঞ্চল: বুথ-৫ (আসন ১৩০-১৬৭), ঢাকা অঞ্চল: বুথ-৬ (আসন ১৬৮-২০৮), ফরিদপুর অঞ্চল: বুথ-৭ (আসন ২০৯-২২৩), সিলেট অঞ্চল: বুথ-৮ (আসন ২২৪-২৪২), কুমিল্লা অঞ্চল: বুথ-৯ (আসন ২৪৩-২৭৭) ও চট্টগ্রাম অঞ্চল: বুথ-১০ (আসন ২৭৮-৩০০)

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এটি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরিস্থিতি ও আপিলের সংখ্যা বিবেচনায় এই সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে। শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার প্রতিনিধি এবং আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শন করা হবে এবং ই-মেইলে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। এছাড়া নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০-১২ জানুয়ারির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩-১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬-১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যানবাহনের নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষায় কঠোরতা অবলম্বন করছে প্রশাসন। পাশাপাশি গতি নিয়ন্ত্রণ, সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি এবং চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত, মামলা দায়ের এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করছে। ট্রাফিক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সমন্বিত পদক্ষেপে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। যানবাহন নিবন্ধন, লাইসেন্স প্রদান, ফিটনেস পরীক্ষা এবং আইন প্রয়োগে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে বিআরটিএ। সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক বলেন, গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা ও স্পিড ব্রেকার স্থাপন, নিয়মিত নজরদারি এবং অদক্ষ চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব। তিনি বলেন , প্রধানত চালকদের অসতর্কতা, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের বেপরোয়া গতি, ড্রাইভিংকালে ফোনে কথা বলা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, পথচারীদের অসচেতনতা এবং অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণেই অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ তুলে ধরে ড. শামসুল হক আরও বলেন, আইন অমান্যকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা, ফুটপাত ও সড়কের মান উন্নয়ন এবং পর্যাপ্ত আলো, ট্রাফিক সিগন্যাল, জেব্রা ক্রসিং ও সড়কচিহ্ন স্থাপন করা জরুরি। এছাড়া হেলমেট ও সিটবেল্ট পরা বাধ্যতামূলক করা এবং মাদকাসক্ত বা ক্লান্ত-ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। সড়কের বিশৃঙ্খলাকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, টেম্পো ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মতো ছোট গাড়ির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব ছোট গাড়ি দ্রুতগতির যানবাহনের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়, যা দুর্ঘটনা বাড়ায়। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তিনি বলেন, প্রধান সড়কের পাশে ফুটপাত দখল ও মার্কেট গড়ে ওঠায় মানুষের যাতায়াত বাড়ছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে নিয়মিত গবেষণা চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো (ব্ল্যাক স্পট) চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর তাগিদ দেন এই প্রকৌশলী। লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে কিছু চালকেরা ট্রাফিক আইন অমান্য করে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তাই চালকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এছাড়া মহাসড়ক ও প্রধান সড়কে ছোট গাড়ির আনাগোনা কমানো না গেলে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা কেবল জীবনই কেড়ে নেয় না, বরং পুরো পরিবার ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। নিহত বা পঙ্গু হওয়া ব্যক্তির কর্মক্ষমতা হারানোয় আয় কমে যাওয়া ও চিকিৎসাব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবারগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। মোটরসাইকেল আরোহী, সাধারণ পথচারী, শিশু, সাইকেল ও তিন চাকার যাত্রী এবং সড়কের পাশে বসবাসকারী মানুষই দুর্ঘটনার সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং ও উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল এবং যানবাহন পরিদর্শনের দুর্বলতাও এর জন্য বড় দায়ী। তিনি বলেন, দুর্ঘটনা ঘটলেও যেন প্রাণহানি না ঘটে- এমন নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। সেজন্য পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা, মিডিয়ান ব্যারিয়ার, উপযুক্ত বাসস্টপ, পর্যাপ্ত আলো, স্পষ্ট রোড মার্কিং এবং স্কুল ও বাজার এলাকায় গতিসীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ছয় মাসে সারাদেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জন নিহত এবং ৭ হাজার ৫৪৪ জন আহত হয়েছেন। সড়কে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে সাধারণ পথচারী মো. সাফিউর রহমান বলেন, পথচারীদের যত্রতত্র রাস্তা পার না হয়ে সচেতনভাবে চলাচল করা উচিত। দ্রুত রাস্তা পার হওয়ার প্রবণতা দুর্ঘটনার বড় কারণ। তবে অনেক চালক অস্বাভাবিক বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নিয়ম না মেনে গাড়ি চালায়। চালক ও পথচারী- উভয়ের সচেতনতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগই পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে। সূত্র: বাসস আরটিভি/এসকে
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
বিশ্বের সেরা স্থাপত্যের স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের কারখানা
সবুজে ঘেরা উঠান, পুকুরপাড়ের পথ আর গাছপালায় ঢাকা দেয়াল—এমন নান্দনিক নকশার জন্য বিশ্বের সেরা নতুন স্থাপনার স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের একটি কারখানা।
বিশ্বের সেরা স্থাপত্যের স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের কারখানা
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন শর্ত, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা
আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেল চালকদেরকে এ নিয়ম পালনে ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দেশ না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন শর্ত, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৪৭ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পঞ্চম বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। 
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৪৭ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে লাগবে যেসব কাগজপত্র
জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম কিংবা ঠিকানায় ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে কোন তথ্য সংশোধন করতে কী কী কাগজপত্র জমা দিতে হবে, তা নির্ভর করে সংশোধনের ধরন ও ভুলের মাত্রার ওপর।
এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে লাগবে যেসব কাগজপত্র
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বী সৈয়দের ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
সংরক্ষিত মহিলা আসনে উপনির্বাচন, শুক্রবার মনোনয়ন ফরম দেবে বিএনপি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে যা জানালেন ইসি
প্রথম ধাপে ৮০০ ইউপিতে ভোট, বিশৃঙ্খলা ও প্রভাব বিস্তারে তাৎক্ষণিক শাস্তি