ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

অপরাধীদের হাতে লুটের অস্ত্র, নির্বাচনের নিরাপত্তা ঘিরে বড় শঙ্কা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
ফাইল ছবি

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের যেসব আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়েছিল, দেড় বছরেও সেগুলো পুরোপুরিভাবে উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এক হাজারেরও বেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুই লাখের বেশি গোলাবারুদের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত।

লুট হওয়া এসব অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারে গত ১৭ মাসে দফায় দফায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে সেনা-পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী। এমনকি লুণ্ঠিত অস্ত্রের সন্ধান পেতে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কারও ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু এতসব তোড়জোড়ের পরও অস্ত্র উদ্ধারে মেলেনি আশানুরূপ সফলতা। হাতবদল হয়ে অনেক অস্ত্র অপরাধীদের কাছে চলে গেছে বলেও জানা যাচ্ছে, যা ব্যবহার হচ্ছে ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, এমনকি মানুষ হত্যার মতো অপরাধ কাজে।

এ অবস্থায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার না হলে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামানের ভাষ্য অনুযায়ী, লুট হওয়া অস্ত্রগুলো গত দেড় বছরে পুরোপুরি উদ্ধার হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ভোটের আগে অস্ত্রগুলো উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা কঠিন হতে পারে।

আরও পড়ুন

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন চলাকালে বিতর্কিত ভূমিকার কারণে পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষোভ জন্ম নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাড়ে চারশোর বেশি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে, গণভবন থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) অস্ত্রশস্ত্রও লুট হয়।

হামলাকারীরা তখন সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার আগ্নেয়াস্ত্র এবং সাড়ে ছয় লাখের মতো গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল পুলিশ।

তবে, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, গণ অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের প্রকৃত সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৬১৯টি। আর গোলাবারুদ লুট হয়েছিল চার লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড।

লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে চায়নিজ রাইফেলসহ বিভিন্ন ধরনের বন্দুক, সাব মেশিনগান (এসএমজি), লাইট মেশিনগান (এলএমজি), পিস্তল, শটগান, গ্যাসগানসহ আরও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ছিল বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। লুট হওয়া এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বিশেষ অভিযান শুরু করে সেনা-পুলিশের সময়ন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী।

গত দেড় বছরে দফায় দফায় চলা অভিযানে দুই হাজার ২৫৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান সেনাপ্রধান, যা লুট হওয়া অস্ত্রের প্রায় ৬২ দশমিক চার শতাংশ। এছাড়া, প্রায় দুই লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে, যা লুটকৃত গোলাবারুদের প্রায় ৫২ শতাংশ।

বাকি অস্ত্র উদ্ধারে গত জানুয়ারিতে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যে এলএমজির সন্ধান দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ, এসএমজির জন্য দেড় লাখ এবং চায়নিজ রাইফেলের জন্য এক লাখ টাকা করে পুরষ্কার দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, পিস্তল ও শটগানের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতি রাউন্ড গুলির সন্ধানের জন্য ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানায় সরকার।

আরও পড়ুন

এদিকে থানা থেকে পুলিশের যেসব অস্ত্র ও গুলি লুট হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে অনেক অস্ত্র ও গুলি গত দেড় বছরে ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, এমনকি মানুষ হত্যার মতো অপরাধ কাজেও ব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে গত বছরের এপ্রিল মাসে চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনা থেকে আটক দুই ব্যক্তির কাছ থেকে পুলিশের ব্যবহৃত দুটি পিস্তল, একটি শটগান এবং বেশকিছু গুলি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পুলিশের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল যে, আটক ব্যক্তিরা লুটের ওইসব অস্ত্র ও গুলি চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে আসছিল।

এ ঘটনার কয়েক মাসের মধ্যে চট্টগ্রামে থেকেও লুটের বেশকিছু অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। সেগুলোও ছিনতাই ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানানো হয়।

এছাড়া, ২০২৪ সালের নভেম্বরে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় শাহিদা আক্তার নামের এক নারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শ্রীনগর উপজেলার দোগাছি এলাকার এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন থেকে মরদেহটি উদ্ধার কর পুলিশ। তদন্তে কর্মকর্তারা জানতে পারেন যে, ঢাকার ওয়ারী থানা থেকে লুট করা পিস্তল দিয়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে। পরে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে সেই পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, লুটের যেসব অস্ত্র সাধারণ অপরাধীদের হাতে পড়েছে, তারাই ছিনতাই-ডাকাতির মতো ঘটনায় সেগুলো ব্যবহার করছে। কিন্তু আরেকটি বড় উদ্বেগের জায়গা হলো, অনেক অস্ত্র হাত বদল হয়ে উগ্র গোষ্ঠীগুলোর কাছেও চলে যেতে পারে। আর সেটি ঘটলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

একই সুরে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নুরুল হুদা বলেন, খোয়া যাওয়া অস্ত্র সব সময়ই নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকে। সেগুলো কাদের হাতে পড়েছে এবং তারা কী উদ্দেশ্যে সেটার ব্যবহার করতে চাচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লুট হওয়া অস্ত্রের বড় একটা অংশ এখন পর্যন্ত উদ্ধার না হওয়ায় অতীতের নির্বাচনগুলোর তুলানায় এবারের সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ রয়েছে বলে অভিমত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলামের মতে, এই বাড়তি উদ্বেগের একটা বড় কারণ হলো পুলিশ বাহিনীর দুর্বল অবস্থান। সাধারণ মানুষ এখনও তাদের ওপর পুরোপুরি ভরসা রাখতে পারছেন না।

জুলাই গণ অভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকার কারণে পুলিশের সদস্যরা অনেক জায়গায় হামলা ও হত্যার শিকার হন। এ অবস্থায় একদিকে বাহিনীর শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, সেইসঙ্গে পুলিশের সদস্যরাও নৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর পুলিশকে মাঠে ফেরানো গেলেও গত দেড় বছরে বাহিনীটি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি, যার ফলে নির্বাচনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানোর পরও লুটের অস্ত্র ও গুলির বড় একটা অংশ জমা পড়েনি। কাজেই এটা পরিষ্কার যে, যাদের কাছে অস্ত্রগুলো রয়েছে, তারা সেগুলো ভালো কোনো উদ্দেশ্যে রাখেনি। সুযোগ পেলেই তারা অস্ত্রগুলোকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে। এক্ষেত্রে নির্বাচনের মৌসুমকে তারা সুযোগ হিসেবে দেখতে পারে।

ইতোমধ্যেই একাধিক প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে গুলি করে হত্যা করা হয় ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্যপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রার্থীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বহু প্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে অস্ত্র রাখার লাইসেন্স। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা লাইসেন্স পাচ্ছেন তাদের অনেকেই অস্ত্র ঠিকমত ব্যবহারও করতে জানেন না। ফলে, সেটা অন্য কারো হাতে চলে যেতে পারে। সেটার চেয়ে বড় কথা, নির্বাচনের সময় একজন প্রার্থীর হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার অর্থ হলো প্রতিপক্ষের ওপর তাকে এক ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দেওয়া। এটা ভালো কোনো আলামত নয় বলে অভিমত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।

অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছরের শাসনামলে একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, গত ১৭ মাসে গোলাগুলির বিভিন্ন ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন নিহত এবং ১৩৭ জন আহত হয়েছেন।

এসব ঘটনায় নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীম বলেন, নির্বাচনের সময়েও যদি মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে যায়, তাহলে তারা ভোটকেন্দ্র যাওয়ার ব্যাপারে কতটা আগ্রহ দেখাবেন, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।

এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানান, লুটের অস্ত্র যাতে নির্বাচনকালে ব্যবহার না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যে অস্ত্রগুলো লুট হয়ে গেছে আমাদের থানা থেকে, ওই অস্ত্রে কিছু এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয় নাই। কিন্তু, এই অস্ত্রগুলো নির্বাচনের সময় এরা ব্যবহার করতে পারবে না। এই প্রতিশ্রুতি আমি আপনাদের দিতে পারি।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল
পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল পুরো দেশ। আর এই আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর ভারত কড়া নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাক্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়সওয়াল।  তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সেখানে নানা ঘটনাবলি ঘটছে এবং আমরা সেসব ঘটনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের অভিমুখে কাজ করতে চাই। বাংলাদেশে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়ায়। বিশেষ করে ঢাকার মিরপুর এলাকায় সকালে কিছু কারখানা আংশিক চালু হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গা পানি চুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে এলে রণধীর জয়সওয়াল জানান, আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত যেকোনও আলোচনা নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।  তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ মাধ্যম। এ ছাড়া ঢাকা ও নয়া দিল্লির মধ্যে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে ভারতের পক্ষ থেকে একটি স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে।  জয়সওয়াল বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই বিষয়ে কোনও নতুন আপডেট থাকলে তা আপনাদের জানানো হবে। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল
দফাদার এখন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদার হবেন ‘গ্রাম পুলিশ’
ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। ‘দফাদার’ পদবি পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ পদবি পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ’ করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দীনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৯৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলি সম্পর্কিত বিধিমালা, ২০১৫ সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, মূল বিধিমালার সর্বত্র ব্যবহৃত ‘দফাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ’ শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ সংশোধন অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব আতিকুল ইসলাম প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন। আরটিভি/এসআর  
দফাদার এখন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদার হবেন ‘গ্রাম পুলিশ’
পুলিশের এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে
ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) অব পুলিশ নিয়োগ-২০২৬ এর লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা এবং বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টারসের রিক্রুটমেন্ট ও প্ল্যানিং-২ শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ফল প্রকাশ করা হয়।  এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০০০ জন পরীক্ষার্থী। ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) অব পুলিশ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা এবং বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষার (Aptitude Test and Viva-voce) ফলাফলের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে জেলাভিত্তিক শূন্যপদের বিপরীতে প্রাথমিকভাবে সুপারিশকৃত ২০০০ জনসহ অপেক্ষমান প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচী যথাসময়ে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড হতে প্রার্থীর নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশের এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপনে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর তারিখ ঘোষণা
আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা-দাম্মাম-ঢাকা রুটে আবারও নিয়মিত ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার সময়সূচিতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে। দাম্মাম রুটে ৭ নভেম্বর থেকে নিয়মিত ফ্লাইট শুরু হবে। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন দিনের বেলায় এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। অন্যদিকে, রিয়াদগামী যাত্রীদের উল্লেখযোগ্য অংশ বিকল্প পথে সৌদি আরবে যাতায়াত করায় এ রুটে বর্তমানে পর্যাপ্ত যাত্রী চাহিদা নেই। এ কারণে ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছে তারা। আরটিভি/এসআর  
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর তারিখ ঘোষণা
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল কখন জানা যাবে
শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন আজ, ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে চাপে ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে ভোটার জালিয়াতিতে অভিযুক্ত ৬৩, তালিকায় বাংলাদেশিও