ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনে আসছে ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

এর মধ্যে ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) কমপক্ষে ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ৩২ জন পর্যবেক্ষক যোগ দেবেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩০ জনে।

আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের এই সংখ্যা ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিতর্কিত সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম।

এর আগে ১২তম, ১১তম ও ১০তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫৮, ১২৫ এবং মাত্র চারজন।

ওআইসির নির্বাচন পর্যবেক্ষক ইউনিটের প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন। এ ছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফআরইএল) থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন পর্যবেক্ষক ব্যক্তিগত পর্যায়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মুরশেদ বলেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরও বাড়বে, কারণ যেসব দেশকে পর্যবেক্ষক পাঠানোর আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের কয়েকটি এখনও প্রতিনিধি দলের নাম নিশ্চিত করেনি।

আরও পড়ুন

এখনো যেসব দেশ প্রতিনিধি নিশ্চিত করেনি, সেগুলো হলো—ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া।

এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম (ফেম্বোসা) শিগগিরই তাদের প্রতিনিধিদের নাম ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ প্রায় দুই হাজার প্রার্থী ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিরোধী দলকে নিয়েই সংবিধান সংশোধন চাই: সালাহউদ্দিন আহমদ
সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অংশগ্রহণের জন্য সরকার অপেক্ষা করবে। তবে তারা অংশ না নিলেও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ থেমে থাকবে না বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আমরা চাই সরকারি দল, বিরোধী দলসহ সবাই মিলে সমঝোতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে সংবিধান সংশোধন গ্রহণ করুক। বিরোধী দলকে আমরা বারবার আহ্বান জানিয়েছি, তারা যেন আলোচনায় অংশ নেয়। তবে তারা একান্তই না এলে আমাদের সাংবিধানিক সংশোধন তো নিতেই হবে। এটা জাতির প্রত্যাশা, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। এটা আমাদের অঙ্গীকার। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সপ্তম বৈঠক শেষে সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য এমপি জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং এমপি মো. মাহমুদুল হক রুবেল অংশগ্রহণ করেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন হয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে। ওই কমিশনের সহ-সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং সভাপতি ছিলেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এখন সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। বিরোধী দলকে কমিটিতে প্রতিনিধি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিনিধি দিলে তাদের আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশনসহ প্রতিটি বৈঠকে বিরোধী দলকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। তারা চাইলে লিখিত মতামতও দিতে পারে। সংবিধান সংশোধনের প্রতিবেদন প্রণয়নের পর সংসদে সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হলে সেখানেও বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ও আলোচনায় ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন। বিশেষ কমিটির বৈঠকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জাতীয় অধ্যাপক, সাবেক উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেন। বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ ও জ্ঞানসমৃদ্ধ উল্লেখ করে কমিটির সভাপতি বলেন, অংশগ্রহণকারীদের অনেকে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। অন্যরাও আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে লিখিত মতামত দেবেন বলে জানিয়েছেন। বৈঠকে সংবিধানের বিভিন্ন অংশে জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়গুলো কীভাবে প্রতিফলিত করা যায়, সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও এখতিয়ার, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব আরও সুস্পষ্ট করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে সংশোধনের যে বিধান রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা মতামত দিয়েছেন। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের গণভোট-সংক্রান্ত বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আদালতের রায়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তা আইনসভার মাধ্যমে কীভাবে বিবেচনা করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কঠোরতা কিংবা অতিরিক্ত নমনীয়তা—কোনোটিই যেন তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে মতামত এসেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, এর গঠনপ্রক্রিয়া ও বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতামত দিয়েছেন। জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার যে বিধান ছিল, তা বিলুপ্ত করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল। আগের বিকল্পগুলোতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত না হলে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে বিচার বিভাগের ভূমিকা রাখার বিষয়টি নিয়েও আলোচনায় মতামত এসেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখিত প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও এখতিয়ার প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি বলেন, সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ক্ষমতা এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো-সংক্রান্ত বিষয়ে বিচার বিভাগের এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি রাষ্ট্রের এক অঙ্গ যেন অন্য অঙ্গের ওপর অযাচিত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা আরও লিখিত মতামত দেবেন। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, এ অংশে থাকা কিছু নীতি মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত করে বাস্তবায়নযোগ্য করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধানের প্রজাতন্ত্র অংশে জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণা আরও স্পষ্ট ও সুসংহত করার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ বা উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, উচ্চকক্ষে কোন শ্রেণি বা এলাকার প্রতিনিধিত্ব থাকবে, প্রতিনিধিরা কীভাবে নির্বাচিত হবেন, জেলাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব থাকবে কি না এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে কি না—এসব বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতামত দিয়েছেন। এসব মতামত লিখিতভাবে পাওয়ার পর পর্যালোচনা করে কমিটিতে আলোচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি, বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দিনব্যাপী আলোচনার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য শোনা, তা রেকর্ড করা এবং বিস্তারিত পর্যালোচনার সুযোগ রাখতেই দিনব্যাপী আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে জাতীয় অধ্যাপক মাহবুবুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন, অধ্যাপক সামিয়া লুৎফা, অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক কে এইচ লুৎফুল এলাহী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রেজাউল করিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক একরামুল হক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম ও অধ্যাপক শামীমা সুলতানাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাবিদরা অংশ নেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ একরামুল হক, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেসার ইউ আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। কমিটির সভাপতি বলেন, শিক্ষাবিদদের লিখিত ও মৌখিক মতামত পর্যালোচনা করে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করার বিষয়ে কমিটিতে আলোচনা করা হবে। জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়গুলোর পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রয়োজন, নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের প্রত্যাশার ভিত্তিতে আরও কিছু বিষয় সংশোধনী প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন হতে পারে। সূত্র: বাসস  আরটিভি/এসকে
বিরোধী দলকে নিয়েই সংবিধান সংশোধন চাই: সালাহউদ্দিন আহমদ
রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী
দেশের রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে ৮০টি লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০টি লোকোমোটিভ ক্রয়ের প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী
‘মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি সহায়তার চেয়েও জেলেদের মানসিক অঙ্গীকারই গুরুত্বপূর্ণ’
মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি সহায়তার চেয়েও জেলেদের মানসিক অঙ্গীকার ও দায়িত্ববোধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
‘মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি সহায়তার চেয়েও জেলেদের মানসিক অঙ্গীকারই গুরুত্বপূর্ণ’
ঢাকা-কুমিল্লা ৮১ কিমি এলিভেটেড রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ
ঢাকার শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের রেলপথের দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার কমবে।
ঢাকা-কুমিল্লা ৮১ কিমি এলিভেটেড রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ
দুর্গাপূজা ঘিরে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই: ডিএমপি
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন।
দুর্গাপূজা ঘিরে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই: ডিএমপি
আরও পড়ুন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম
মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা
ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা
ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণে বৈঠকে ইসি