ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

নতুন সরকারের শপথ পড়াবেন কে, সংবিধান কী বলছে?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহাসিক এক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গণভোট। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি সংসদীয় আসনে দেশের ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হওয়া এই ভোটে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠনের দিকে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি জোট।

ফলাফল ঘোষণার পর জনমনে এখন বড় প্রশ্ন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে এবং কে শপথ পড়াবেন?

সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। অতীতে সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়িয়ে থাকেন। তবে বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সংসদ ও স্পিকার না থাকায় শপথ প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান-এর ১৪৮ অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্ধারিত ব্যক্তি শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন।

যদি নির্ধারিত ব্যক্তি তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাতে ব্যর্থ হন বা না করেন, তাহলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন, যেন তিনিই এ উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

তাহলে শপথ পড়াবেন কে?

সংবিধান অনুযায়ী সম্ভাব্য দুটি পথ রয়েছে,

১. রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি
রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের জন্য কাউকে মনোনীত করতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে প্রধান বিচারপতির নাম আলোচনায় এসেছে।

২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)
যদি রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে না পারেন, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াবেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল গত ৫ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচন-পরবর্তী দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরে সরকার নীতিগতভাবে প্রস্তুত। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি যেমন প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতে পারেন। অন্যথায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ গ্রহণ করাবেন।

তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, তিন দিনের অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব শপথ সম্পন্ন করার চেষ্টা থাকবে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে শপথের সময়সীমা সরাসরি যুক্ত নয়।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শপথের সময় গণনা শুরু হবে তখনই, যখন নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হবে। অর্থাৎ বেসরকারি ফল ঘোষণার পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যেই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুন

সংবিধান স্পষ্টভাবে শপথ প্রক্রিয়ার বিকল্প পথ নির্ধারণ করে রেখেছে। সংসদ বা স্পিকার না থাকলেও সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এখন নজর থাকবে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কেউ শপথ পড়ান, নাকি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে এই সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
খুলনায় ছিনতাইকারী ও দুষ্কৃতকারীদের হামলায় গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. শাহ আলমকে দেখতে বুধবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 
আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসর নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এই ঘোষণা দিয়েছেন।  ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক,  ৫০৩টি উপজেলার ইউএনসহ জেলা ক্রীড়া অফিসার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সকলের সাথে আলোচনা করে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রম বাস্তবায়নের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি সফলভাবে শেষ হয়েছে নতুন কুঁড়ির প্রথম আসর। যে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নতুন কুঁড়ি শুরু করেছিল প্রথম আসরের পরে সেই কার্যক্রমে অনেকটাই সফলতা এসেছে বলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় গতানুগতিক ধারায় কোন টুর্নামেন্ট শেষ হলো, এরপর আর সেই খেলোয়াড়দের খুঁজে পাওয়া যায়না। এটাই ক্রীড়াঙ্গনের বাস্তব চিত্র ছিল। তিন  আরও বলেন, কিন্তু এখানে আমরা একটু ভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এটাকে স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য ইতিমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছি। প্রথম আসরের যে ৩১০ জন ক্রীড়াবিদ পেয়েছি, তাদেরকে নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে বিকেএসপিতে ৪০ দিনের একটি ট্রেনিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ৪০ দিনের এই ট্রেনিং সেশনের মধ্য থেকে যারা বিশেষ প্রতিভাবান তাদেরকে নির্বাচিত করে বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ করে দেয়া হবে। খেলাধুলার পাশাপাশি তারা যাতে পড়াশুনাও চালিয়ে যেতে পারে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শুধুমাত্র ঢাকার বিকেএসপি না অন্যান্য যে বিকেএসপিগুলো আছে, সেগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ইতিমধ্যে কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের ভেতরে অন্যান্য বিকেএসপিগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার কাজ চলমান রয়েছে। দ্বিতীয় আসরকে আরও একটু প্রসারিত করে ৪৫৯৯টি ইনিয়নের দল গঠনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১৬ লাখ ৩ হাজার। সেখানে র প্রায় ৯ লাখের কিছু বেশী কিশোর এবং ৬ লাখ কিশোরী রয়েছে। অর্থাৎ ৫০ শতাংশ কিশোর ও ৪২ শতাংশ কিশোরী এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে।  আমিনুল বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের আগামী ক্রীড়াঙ্গনে মেয়েদের যে অংশগ্রহণ, সেটিতে আরো অনেক বেশি অনেকেই উৎসাহিত হবেন, অনেক পরিবার তারা উৎসাহিত হবেন। তাদের হাত ধরে যে আমার বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে, সেই আশার আলো সেই সকল পরিবার দেখতেই পারে। প্রথম আসরের সাথে আরও দুটি ইভেন্ট এবার যুক্ত হয়েছে- টেবিল টেনিস ও ভলিবল। সব মিলিয়ে ১০টি ইভেন্ট নিয়ে দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগের ইভেন্টগুলো হলো- এ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, ফুটবল, ক্রিকেট, মার্শাল আর্ট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি। রোজা, ঈদ ও স্কুলের পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে ধারাবাহিকভাবে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা পরিচালিত হবে। নতুন কুঁড়ির ক্যালেন্ডার সেভাবেই সাজানো হয়েছে। সেই লক্ষ্যে দ্বিতীয় আসরে জাতীয় পর্যায়ের খেলার আগামী বছর এপ্রিলের শেষে অথবা মে মাসের শুরুতে আয়োজন করতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আরটিভি/টিআর
৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
২০২৭ সালের মধ্যে প্রণয়ন হবে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন: সড়কমন্ত্রী
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি।
২০২৭ সালের মধ্যে প্রণয়ন হবে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন: সড়কমন্ত্রী
ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তাটি শেয়ার করা হয়েছে। 
ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ আপনার হৃদয় দেখে বিচার করবেন। আপনারাও তারেক রহমানের হৃদয় দেখবেন। মোটা কাপড়, সিম্পল জীবনযাপন করেন। গত পরশুদিন দুপুরে ঢেরস ভাজি, কুমড়া ভর্তা ও ডাল দিয়ে তার (তারেক রহমান) সঙ্গে খেয়ে এসেছি। 
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
আরও পড়ুন
পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন ড. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া
শপথ নিলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পর তাসনিম জারার দীর্ঘ স্ট্যাটাস
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নতুন চারজন