ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ছয় মাসের চাকরি, আকাশেই কেটে গেল ৬৩ বছর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র ছয় মাসের জন্য বিমানসেবিকার চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন ক্যারল ফেয়ার। পরিকল্পনা ছিল, এরপর বিয়ে করে সংসার শুরু করবেন। কিন্তু সেই সাময়িক চাকরিই হয়ে ওঠে তার জীবনের দীর্ঘতম অধ্যায়। এক-দুই বছর নয়, টানা ৬৩ বছর আকাশপথে যাত্রীদের সেবা দিয়েছেন তিনি। অবশেষে ৮৩ বছর বয়সে শেষ ফ্লাইটে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে কর্মজীবনের ইতি টানলেন আমেরিকান এয়ারলাইন্সের প্রবীণতম বিমানসেবিকা ক্যারল ফেয়ার।

তার অবসরকে স্মরণীয় করে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট ডগলাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজন করা হয় বিশেষ সংবর্ধনার। সেখানে তাকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন সহকর্মী, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। এমনকি তার সম্মানে আয়োজন করা হয় বিশেষ ‘ওয়াটার স্যালুট’। সাধারণত নতুন বিমান বা বিশেষ ফ্লাইটকে স্বাগত জানাতে এ ধরনের আয়োজন করা হলেও কোনো বিমানসেবিকার অবসরে এমন সম্মান বিরল।

গত ২৬ অক্টোবর লন্ডন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লটগামী আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ৭৩৩ নম্বর ফ্লাইটে শেষবারের মতো দায়িত্ব পালন করেন ক্যারল। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় তার দীর্ঘ ৬৩ বছরের আকাশযাত্রা।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিমানসেবিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ক্যারল। তার প্রথম কর্মস্থল ছিল পিডমন্ট এয়ারলাইন্স। এর আগে আমেরিকান এয়ারলাইন্সে চাকরির আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন তিনি। ‘ফোর্বস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্যারল জানান, তখন তাকে বলা হয়েছিল, তিনি নাকি ওই সংস্থার জন্য উপযুক্ত নন।

কর্মজীবনের শুরুতে এই পেশাকে সাময়িক হিসেবেই দেখেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, ছয় মাস কাজ করার পর বিয়ে করে সংসার শুরু করবেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে যায় তার পরিকল্পনা। আকাশপথের জীবন, যাত্রীদের সঙ্গে পরিচয় আর কাজের প্রতি ভালোবাসা তাকে আটকে রাখে এই পেশায়।

১৯৮৭ সালের ১৫ জুন পিডমন্ট এয়ারলাইন্সের শার্লট থেকে লন্ডনগামী প্রথম ফ্লাইটেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যারল। শার্লটের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে গুরুত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে ওই ফ্লাইট ছিল উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা। দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষ যাত্রায় আবারও সেই পথের একাংশ পাড়ি দেন তিনি।

কর্মজীবনের শুরুতে ছোট আকারের বিমানে কাজ করতেন ক্যারল। পরে সুযোগ পান বড় বোয়িং বিমানে দায়িত্ব পালনের। ডিসি-৩ বিমান থেকে বোয়িং ৭৬৭-তে কাজ করার সুযোগ পাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল তার কাছে স্বপ্নপূরণের মতো। এ নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, নতুন বিমানে কাজের উত্তেজনায় আগের রাতে ঘুমাতেই পারেননি।

দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতিও পেয়েছেন ক্যারল। ২০০৮ সালে নর্থ ক্যারোলাইনার পরিবহণ খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে তৈরি বিশেষ তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি। অবসরের সময় আমেরিকান এয়ারলাইন্সের প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর মধ্যে জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে শীর্ষে ছিলেন এই বিমানসেবিকা।

বিদায় অনুষ্ঠানে ক্যারলকে দেখা যায় মাথায় মুকুট, গলায় সম্মানসূচক ফিতা এবং হাতে বেলুনের তোড়া নিয়ে। তার সম্মানে বিমানবন্দরে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমী ওয়াটার স্যালুট। পানির ফোয়ারার নিচ দিয়ে বিমান চলাচলের মতোই বিশেষ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাকে জানানো হয় বিদায়।

অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্যারল জানান, এবার থামার সময় হয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি উপভোগ করেছেন। প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর মধ্যে জ্যেষ্ঠতার তালিকায় শীর্ষে পৌঁছানোর পর সামনে আর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই এমন উপলব্ধি থেকেই অবসরের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

মাত্র ছয় মাসের পরিকল্পনা নিয়ে শুরু হওয়া যে কর্মজীবন ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলেছে, তার পরিসমাপ্তি ঘটল এক আবেগঘন বিদায়ের মধ্য দিয়ে। ৬৩ বছরের আকাশযাত্রা শেষ হলেও বিমান চলাচলের ইতিহাসে নিজের জন্য স্মরণীয় এক অধ্যায় রেখে গেলেন ক্যারল ফেয়ার।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ট্রাম্পকে তুলে ডাস্টবিনে ফেলার’ ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা খাওয়ার পর এই ভিডিওটি নিজেদের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেছে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস।
‘ট্রাম্পকে তুলে ডাস্টবিনে ফেলার’ ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিকদের মধ্যে জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর এমডি মাসুদুর রহমানও পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক ফলাফলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক
১৭৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর পেল উইসকনসিন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উইসকনসিনের পরবর্তী গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ডেভিড ক্রাউলি। এর মধ্য দিয়ে অঙ্গরাজ্যটির ১৭৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর হতে যাচ্ছেন তিনি। 
১৭৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর পেল উইসকনসিন
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইতিহাস গড়েছেন মিশরীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিক আবদুল এল-সায়েদ। দেশটির মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এই প্রার্থী। তার বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন মুসলিম ব্যক্তি নির্বাচিত সিনেটর হতে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্সকে পরাজিত করেন তিনি। বুধবার (৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) পূর্বাভাসে তার বিজয় নিশ্চিত করা হয়। মিশিগানের বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্সের ছেড়ে দেওয়া আসনে জয় পেয়েছেন তিনি। মিশরীয় পরিবারে জন্ম, বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রে আবদুল এল-সায়েদের পূর্ণ নাম আবদুলরহমান মোহাম্মদ এল-সায়েদ। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের রচেস্টার হিলসে তার জন্ম। তার বাবা-মা দুজনই মিশরীয় বংশোদ্ভূত অভিবাসী। তার বাবা মোহাম্মদ এল-সায়েদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায়। উচ্চশিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ডেট্রয়েটের ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করেন। তার মা ফাতেন এল-কোমি পেশায় একজন নার্স প্র্যাকটিশনার এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে কর্মরত। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে মিশিগানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষে তিনি ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানে ভর্তি হন। সেখানে জীববিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। এ সময় তিনি মর্যাদাপূর্ণ রোডস স্কলারশিপ লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমডি ডিগ্রিও অর্জন করেন। জনস্বাস্থ্য থেকে রাজনীতির মাঠে পেশাগত জীবনে আবদুল এল-সায়েদ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, মহামারিবিদ ও প্রশাসক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক হেলথে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৫ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে ডেট্রয়েট শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শহরটির আর্থিক সংকটের পর স্বাস্থ্য বিভাগ পুনর্গঠন এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করে তিনি পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য, মানবসেবা ও ভেটেরানস সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে মিশিগানের গভর্নর পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সে নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। তবে রাজনীতিতে তার সক্রিয়তা অব্যাহত থাকে। ২০২৬ সালের ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেনসকে পরাজিত করে দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন তিনি। এরপর সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটের আসনটি নিজের করে নেন। নীতিগত অবস্থান ও ঐতিহাসিক বিজয় নির্বাচনী প্রচারে আবদুল এল-সায়েদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, স্বাস্থ্যসেবাকে সবার জন্য সহজলভ্য করা এবং রাজনীতিতে করপোরেট অর্থ ও প্রভাব সীমিত করা। তিনি সবার জন্য সরকারি অর্থায়নে স্বাস্থ্যসেবা বা ‘মেডিকেয়ার ফর অল’ কর্মসূচির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে তার বক্তব্য তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলে। তার এই বিজয় শুধু মিশিগানের রাজনীতিতেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর মুসলিম ও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রথমবারের মতো একজন মুসলিম নির্বাচিত প্রতিনিধি যুক্ত হতে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে মোট ১০০ জন সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচিত আবদুল এল-সায়েদের দায়িত্ব গ্রহণের কথা ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি। মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সদস্য নির্বাচিত হওয়া আবদুল এল-সায়েদের এই অর্জন অভিবাসী পরিবারগুলোর নতুন প্রজন্মের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আরটিভি/টিআর
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ
ওহাইওর প্রথম নারী গভর্নর নির্বাচিত হলেন অ্যামি অ্যাক্টন
ওহাইওর পরবর্তী গভর্নর হওয়ার লড়াইয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ড. অ্যামি অ্যাক্টন। তিনি বর্তমান রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইনের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ওহাইওর প্রথম নারী গভর্নর নির্বাচিত হলেন অ্যামি অ্যাক্টন
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নর ডেব হাল্যান্ড
ফ্লোরিডায় প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর রিপাবলিকান বায়রন ডোনাল্ডস