ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখলেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন নব-নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় স্মৃতিসৌধে মহান শহীদদের ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি।

পরিদর্শন বইয়ে তারিখের জায়গায় বাংলায় আজকের ১৮-২-২০২৬ তারিখ লেখেন তিনি। পদবীর জায়গায় লেখেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

আর মন্তব্যের ঘরে লেখেন, ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।

তিনি লেখেন, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রীসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎ কালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

তিনি আরও লেখেন, আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।

এ সময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নবনির্বাচিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণও উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘কোনো সরকার বা বিশেষ ব্যক্তির জন্য নয়, জনগণের জন্য কাজ করবে তথ্য কমিশন’
তথ্য কমিশন কোনো সরকার বা বিশেষ ব্যক্তির জন্য নয়, জনগণের জন্য কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান তথ্য কমিশনার ড. নাহরিন ইসলাম খান। 
‘কোনো সরকার বা বিশেষ ব্যক্তির জন্য নয়, জনগণের জন্য কাজ করবে তথ্য কমিশন’
মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা 
রোববার (১৮ অক্টোবর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট এমপিদের কাছে এ ডিও লেটার প্রেরণ করা হয়।
মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা 
‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব’
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব’
দেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে : চিফ হুইপ 
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। রোববার (১৮ অক্টোবর) বেতাগি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহ. সাদ্দাম হোসেন।   তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।  তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।’ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য বা অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।  চিফ হুইপ বলেন, বেতাগী উপজেলার সব মন্দিরে এক মেট্রিক টন করে চাল ও পাঁচ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। যেসব মন্দিরে যাতায়াতের রাস্তা নেই, সেখানে রাস্তা নির্মাণ এবং যেসব মন্দিরে নিজস্ব ঘর নেই, সেগুলোতে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ৮৯ শতাংশ সম্পদ দখল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা নেই এবং প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেনি। নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বেতাগীকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। এ লক্ষ্যে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধী যে দলেরই হোক, এমনকি বিএনপির নেতাকর্মী হলেও কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আমার নাম ব্যবহার করে কোনো কর্মকর্তা অর্থ আদায় বা অনিয়ম করলে তা আমাকে জানাবেন। প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। সভায় অনুপস্থিত থাকায় পৌরসভার প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশনাও দেন তিনি। বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়ে চিফ হুইপ বলেন, উপজেলার পানির সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন অনুযায়ী টিউবওয়েল সরবরাহ করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণ ও বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করার কথা জানান। এসএসসি পরীক্ষায় কম পাস করা স্কুল ও মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষার মান পর্যালোচনা, সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।  মাদ্রাসা পরিদর্শনের পর দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন তিনি। শিক্ষার মানোন্নয়নে ভালো কাজ করা সেরা তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দেন চিফ হুইপ। কৃষকদের জন্য সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে কার্যকর তদারকির নির্দেশ দিয়ে চিফ হুইপ বলেন, সার ডিলারদের অনিয়ম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে। কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রেখে প্রকৃত উপকারভোগীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে তিনি বিগত সরকারের আমলে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে বিপুল অর্থ লুটপাটের কারণে বিদ্যুৎ খাতে সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এসব সংকট সমাধানে কার্যকর পরিকল্পনা ও বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সভায় সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় ৩৭ জনকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া আগামী এক বছর উপজেলায় ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ নিজস্ব অর্থায়নে তিনজনকে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দেন চিফ হুইপ। সভায় উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
দেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে : চিফ হুইপ 
আমিনবাজারে ময়লার ভাগাড় থেকে দৃষ্টিনন্দন বাগান, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা
একসময় ছিল বর্জ্যের বিশাল পাহাড়, দুর্গন্ধ আর মারাত্মক পরিবেশদূষণ সহ্য করা কঠিন ছিল। দুই দশকের সেই চেনা রূপ বদলে সেখানে শোভা পাচ্ছে হাজারো সবুজ গাছপালা ও শোভাবর্ধক উদ্ভিদ।ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ময়লার ভাগাড়ের স্থান সংস্কার করে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাগান প্রকল্প ‘রূপান্তর’।  প্রধানমন্ত্রী রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর বড় প্রমাণ। তিনি বলেন, পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয়জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই মাস আগে আমিনবাজার এলাকার যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।এতে এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য অপেক্ষাকৃত সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’ তিনি এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তারেক রহমান বলেন, সরকারের উদ্যোগে একটি এলাকাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এখন সেই সৌন্দর্য ও পরিবেশের উন্নয়ন ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। সবাই সহযোগিতা করলে এলাকাটিকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসককে আমিনবাজারের আশপাশে ঢাকা জেলার আওতাধীন এলাকায় সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলেন। তিনি বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে থাকা মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে, সেসব জায়গা উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিতভাবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও এর আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রতিও আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অনুরূপ স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির আওতায় ঢাকা- আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
আমিনবাজারে ময়লার ভাগাড় থেকে দৃষ্টিনন্দন বাগান, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা
আরও পড়ুন
মাভাবিপ্রবি চীনা প্রতিনিধিদের পরিদর্শন, প্রযুক্তি ও গবেষণায় নতুন প্রস্তাব
২৫% কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে ডিএসসিসির নির্দেশ
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা 
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা