ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়ে দলের অবস্থান জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানামুখী বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে নিজের দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি শব্দ ও অক্ষর বিএনপি অন্তরে ধারণ করে এবং এর পূর্ণ বাস্তবায়নে দলটি অঙ্গীকারবদ্ধ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও এই জাতীয় সনদে বর্ণিত লক্ষ্যসমূহ বিএনপির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামেরই প্রতিফলন। ফলে এই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই।

এসময় তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকার গঠন থেকে শুরু করে সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম সংবিধানের আলোকেই পরিচালিত হচ্ছে । আমরা সংবিধান মেনেই এ পর্যন্ত এসেছি, সংবিধান মেনে চলছি এবং সামনেও সংবিধান মেনে চলার আকাঙ্ক্ষা রাখি।

আরও পড়ুন

‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের প্রতি আইনজীবীদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন। বিশেষ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে সৃষ্ট আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনি সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদি আমরা গণভোটের রায়কে যথাযথ সম্মান দিতে চাই, তবে অবশ্যই জাতীয় সংসদে যেতে হবে। সেখানে আলাপ-আলোচনা ও প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়টি সংসদেই নির্ধারিত হতে হবে এবং কোন ফর্মে শপথ হবে তা সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে আনতে হবে। কে শপথ পাঠ করাবেন তাও বিধিসম্মতভাবে নির্ধারিত হতে হবে।

জবরদস্তিমূলক শপথ গ্রহণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, যাদের জবরদস্তিমূলক শপথ পড়ানো হলো কিংবা যিনি পড়ালেন, তা সংবিধানসম্মত হয়েছে কি না, সেটি দেখার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের। কারণ বিচারপতিরা সংবিধান সুরক্ষার শপথ নিয়েছেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ গণঅভ্যুত্থানের অভিপ্রায় নিয়ে চলমান বিতর্কের জবাব দিতে গিয়ে প্রশ্ন তোলেন—যদি অভিপ্রায়ই সবকিছুর ভিত্তি হয়, তবে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে হলো কেন?

তিনি বলেন, অভিপ্রায়ের ভিত্তিতেই যদি সব হতো, তবে প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা কেন অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী শপথ নিলেন? শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও কেন তা হলো না?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ওই বিশেষ পরিস্থিতিতে ‘ডকট্রিন অব নেসেসিটি’ বা প্রয়োজনীয়তার নীতি মেনেই সুপ্রিম কোর্টের কাছে যেতে হয়েছে। সেই এক্সেপশনাল পজিশন বা ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির আইনি বৈধতার জন্যই ১০৬ অনুচ্ছেদের আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সহকারী প্রেস সচিব জানান, জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠ ও বাগান পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যা এবং সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও তিনি দেন। এছাড়া সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের এলাকায় যেসব স্থানে সংস্কার দরকার, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক আরও জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও এর সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। আরটিভি/টিআর
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের আওতায় আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সেতুটির সর্বশেষ কংক্রিট ঢালাই সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে ডেক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পথ আরও সুগম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা সেতুটি চালু হলে রাবনাবাদ নদীর তীরবর্তী চরিপাড়ায় অবস্থিত পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে খালাস করা পণ্য সরাসরি সড়কপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর ফলে পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরাও সরাসরি সড়কপথে বন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যায় যে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের আওতাধীন শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন কলকারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এসব শিল্পকারখানায় বন্দরের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত করা হবে।এর ফলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের পাশাপাশি বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে। নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে টার্মিনাল এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনের মাত্র কয়েক দিন আগেই পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিগত ৭ অক্টোবর সকালে চীনের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ফান ঝৌ-৬ (Fan Zhou-6) সরাসরি প্রথম টার্মিনালে নোঙ্গর করেছে। জাহাজটিতে আধুনিক পণ্য ওঠানো-নামানোর পাঁচটি সরঞ্জাম আনা হয়েছে। দুই বছর পর এই প্রথম টার্মিনালে বড় ধরনের পরিচালন সরঞ্জাম পৌঁছাল।  নদীর উপযোগী বিশেষ নকশায় নির্মিত সেতু আন্ধারমানিক নদীর উপর নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৮০ মিটার। এক্সট্রাডোজড প্রযুক্তিতে নির্মিত সেতুটির টাওয়ারের উচ্চতা ৫৮ দশমিক ৫ মিটার। সেতুর মূল ডেকের প্রস্থ ২৩ দশমিক ২ মিটার এবং সংযোগ ডেকের প্রস্থ ২১ দশমিক ২ মিটার। সেতুতে প্রতিটি দিকে দুটি করে মোট চারটি লেন রয়েছে । আন্ধারমানিক নদীতে নৌযান চলাচল সব সময় সচল রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটি মাত্র দুটি প্রধান পিলারের ওপর নির্মাণের নকশা করা হয়েছে। ফলে জাহাজ ও লঞ্চের নির্বিঘ্ন চলাচলের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহও ঠিক থাকবে। ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম পাইল স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এবং চায়না রেলওয়ে ব্রিজ কনস্ট্রাকশন গ্রুপ (সিআরবিজি) যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করছে। নির্মাণকাজ তদারকি করছে একটি কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। নতুন সম্ভাবনার প্রতীক  নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে পৌঁছানোয় সেতুটি স্থানীয় মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নির্মাণস্থলের পাশের ছয় লেনের সড়কে জড়ো হচ্ছে নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণ অগ্রগতি দেখতে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, রাতে সেতুটিতে এমনভাবে আলোকসজ্জা করা হবে, যাতে তা শাপলা ফুলের আকৃতি ফুটিয়ে তোলে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি শুধু যান চলাচলের সুবিধা বাড়াবে না; পায়রা বন্দরের সড়ক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্থানীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং বন্দরের কার্যক্রম ও সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সেতুটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।  আরটিভি/টিআর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘অধ্যক্ষ সম্মেলন-২০২৬’। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ৬ হাজার ৬৫৩ পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের সুপারিশ
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিভিন্ন পদে বর্তমানে ৬ হাজার ৬৫৩টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব পদ আউটসোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পূরণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মো. আবদুস সালাম পিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়েছে। বৈঠকের শুরুতে কমিটির সভাপতি, সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ পরিচিতি পর্বে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ অধিদপ্তর ও সংস্থাগুলোর কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিত করা হয়। বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিভিন্ন পদে বর্তমানে ৬ হাজার ৬৫৩টি শূন্য পদ রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগের কার্যক্রম বন্ধ করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শূন্য পদগুলো পূরণের সুপারিশ করা হয়। অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আবাদি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে বলে আলোচনা হয় বৈঠকে। এক্ষেত্রে কৃষি জমির পরিমাণ সংরক্ষণ এবং অকৃষি কাজে কৃষি জমির অননুমোদিত ব্যবহার রোধে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। বৈঠকে খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটির সদস্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, খাদ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন। এ লক্ষ্যে খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি পর্যায়ে কঠোর নজরদারি এবং বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধানের সীমাবদ্ধতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিশু খাদ্যসহ সকল খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে যাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে সেজন্য এ প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্টসহ শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিটি অফিসে মিনি ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং খাদ্যের ভেজাল মনিটরিং করার জন্য মোবাইল ভ্যান সরবরাহ করার কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ডিলার নিয়োগের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়। উক্ত নীতিমালা প্রণয়ন হলে ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে মো. আবদুস সালাম পিন্টু বলেন, খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। জনগণের কাছে নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাদ্য পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উপকারভোগী নির্ধারণে ত্রুটি যাতে না থাকে, সে লক্ষ্যে উপকারভোগী নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া অনুসরণের সুপারিশ করেন তিনি। এছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে অধিকতর গতিশীল করার লক্ষ্যে কমিটির সদস্যগণসহ সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মো. আবু তালেব মন্ডল, মো. আব্দুল করিম এবং শামছুন্নাহার বেগম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের প্রধানগণ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ৬ হাজার ৬৫৩ পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের সুপারিশ
দুর্গাপূজা ঘিরে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা, প্রস্তুত ডগ স্কোয়াড ও বম্ব ডিসপোজাল টিম
১৫টি ব্যাটালিয়নের ছয় হাজারের বেশি সদস্যকে নিয়ে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সড়কে ৫৪৯টি পিকআপ এবং ৪৪৭টি মোটরসাইকেলে টহল চলছে প্রতিদিন।
দুর্গাপূজা ঘিরে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা, প্রস্তুত ডগ স্কোয়াড ও বম্ব ডিসপোজাল টিম
আরও পড়ুন
বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কোলে ওঠার খেসারত দিতেই হবে: মাহফুজ আলম
মাদক ও জুয়া বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
থাপ্পড় মারা সেই শিক্ষিকাকে ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ বললেন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা
সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী