ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সামনে দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে, এসব সয়েই এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আগামীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়বে এবং এসব সয়ে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করতে গিয়ে সোমবার (২৩ মার্চ) এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

এদিন সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নেহা নদী পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক শুদ্ধাচার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, বরং কঠিন সময় আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধটা আমাদের বিশাল ক্ষতি করছে। সামনে তেলের দাম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বেড়ে যাবে। আমাদের এসব সয়ে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহ কিছুটা কম হতে পারে, কিন্তু সেই অজুহাতে পাম্প ভাঙচুর করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আমরা 'মব' বা উশৃঙ্খল জনতাকে কঠোর হস্তে দমন করব। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কাউকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন

এরপর কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ঝড়-বৃষ্টিতে গম ও আলুর যে ক্ষতি হয়েছে তা আমরা বুঝি। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমরা কৃষি ঋণ মওকুফ করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস কাজ করছেন।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে কয়েক কোটি নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে এবং সেচ সুবিধার জন্য গোটা দেশে ২০ হাজার খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

ধর্মকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার সমালোচনা করে এরপর তিনি বলেন, ধর্ম নিয়ে ব্যবসা দেশের মানুষ পছন্দ করে না। সৎ পথে থেকে হালাল রুজি খেয়ে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করেই পরকালে মুক্তি পেতে হবে, কেবল কথার মায়াজালে ধোঁকা দেওয়া যাবে না।

এসময় খাল ও নদী পুনঃখনন প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন এলজিআরডি মন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সব প্রজেক্ট সময়মতো ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়াও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পরিবার পরিকল্পনা জোরদারে বছরব্যাপী কার্যক্রম শুরু করছে সরকার
পরিবার পরিকল্পনা জোরদার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বছরব্যাপী প্রচার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ‘দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়’ এই স্লোগান সামনে রেখে আগামী ১ ডিসেম্বর পরিচালিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে এ কর্মসূচি চলবে ৩০ নভেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানান গেছে, দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ও প্রজনন পরিস্থিতি বিবেচনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে এবং মাঠপর্যায়ে সেবা গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করা হবে। দেশে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার পেছনে প্রজনন হার বৃদ্ধি এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার কমে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (মিকস) ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট প্রজনন হার বেড়ে ২ দশমিক ৪ হয়েছে।  অন্যদিকে, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশে নেমেছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিয়ে বছরব্যাপী বড় ধরনের জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছি। চলবে ২০২৭ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।’ তিনি বলেন, আমরা প্রাইমারি লেভেল থেকেই কার্যক্রম শুরু করব। জারি গান, সারি গান, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলাসহ নানা মাধ্যমে স্লোগান প্রচার করা হবে। তবে এ উদ্যোগ শুধু প্রচার-প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী ও পরিবার পরিকল্পনা সেবাও পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে দেশে মোট প্রজনন হার (টিএফআর) ছিল ৬ দশমিক ৩। ২০২২ সালে তা ২ দশমিক ১৫-এ নামলেও ২০২৫ সালে বেড়ে ২ দশমিক ৪ হয়েছে। গত দুই বছর অপারেশনাল প্ল্যান বন্ধ থাকায় মাঠপর্যায়ে প্রচার ও প্রয়োজনীয় সংস্থান সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।  বাল্যবিবাহের হার ২৪ শতাংশ। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের হার ৪৯ শতাংশ এবং এর ৬১ শতাংশের ক্ষেত্রে অনিরাপদ গর্ভপাত ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশুস্বাস্থ্যসেবায় গতি আনতে বছরব্যাপী ২২ দফা কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। এর মধ্যে মহিলা সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রচার, হাট-বাজারে বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের সম্পৃক্ততা, ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করা, ‘মা ও গর্ভবতী সুরক্ষা সমাবেশ’, বস্তি ও ভাসমান জনগোষ্ঠীর সেবা, ২৩ হাজার ৫০০ ইউনিটে ‘ওয়েলবিং ক্লাব’ গঠন, ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘পরিবার সংলাপ’, কৈশোর ও যুববান্ধব স্বাস্থ্যসেবা, নবদম্পতি কাউন্সেলিং এবং পুরুষদের সম্পৃক্তকরণ। বিনা মূল্যে সরকারি পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর প্রচার, পল্লিচিকিৎসক ও ধাত্রীদের রেফারেল অংশীদারি এবং এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়াও তরুণ-কিশোর-কিশোরী, নবদম্পতি ও পুরুষদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, বস্তিবাসী, ভাসমান ও বিভিন্ন অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে কর্মসূচির আওতায় আনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, হাট ক্যাম্পেইন, র‌্যালি ও সমন্বয় সভা ছাড়া এক বছরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। নভেম্বর মাসে মহিলা সংসদ সদস্যদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ওরিয়েন্টেশন এবং ৬৪ জেলা ও ৫০৩ উপজেলায় গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম চালানো হবে। ডিসেম্বর মাসে ইউনিয়ন পর্যায়ে হাট ক্যাম্পেইন এবং উপজেলা পর্যায়ে আন্ত মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয় সভা হবে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা কনডম, খাবার বড়ি, আইইউডি, ইনজেকশন ও ইমপ্ল্যান্টসহ প্রায় ২৮ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ করেন। কিন্তু দুই বছরের বেশি সময় ধরে এসব সামগ্রী কেনা বন্ধ থাকায় অনেক উপজেলা ও মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত মজুত নেই। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট পোর্টালের (এসসিএমপি) মনিটরিং ড্যাশবোর্ড অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ১৯৮টি উপজেলায় কনডমের মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। এ ছাড়া ৩৫৪টি উপজেলায় জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবং ৪২৮টি উপজেলায় আইইউডির মজুত নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জিন্নাত রেহানা বাসস’কে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগের অপারেশনাল প্ল্যানের অসমাপ্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় গর্ভনিরোধক সামগ্রী কেনার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।  ডিসেম্বর নাগাদ এসব সামগ্রী সংগ্রহ করে মাঠপর্যায়ে বিতরণ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জিনাত রেহানা বলেন, আমাদের জিনিসপত্র হাতে আসছে। এখন জনগণকে জানাতে হবে যে, গর্ভনিরোধক সামগ্রী আবার পাওয়া যাচ্ছে, কোথায় পাওয়া যাবে এবং কীভাবে পাওয়া যাবে এ জন্যই জাতীয়ভাবে একটি ক্যাম্পেইন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে। একই সঙ্গে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ কমাতে হবে এবং একটি সন্তানের পর পরবর্তী সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ বিরতি সম্পর্কে পরিবারগুলোকে সচেতন করতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ জনবল সংকট উল্লেখ করে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, মাঠপর্যায়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দেওয়া পরিবার কল্যাণ সহকারীদের (এফডব্লিউএ) বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।  আমাদের প্রায় ৩৭ শতাংশ জনবল ঘাটতি রয়েছে। প্রায় ১৯-২০ হাজার কর্মী এখনো নেই, যা থাকার কথা ছিল। তবে জনবল সংকটের মধ্যেও বিদ্যমান কর্মীদের দিয়ে সেবা কার্যক্রম চালু রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
পরিবার পরিকল্পনা জোরদারে বছরব্যাপী কার্যক্রম শুরু করছে সরকার
ইন্টারপোলের সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্স গেলেন আইজিপি
দ্বিতীয় ইন্টারপোল গ্লোবাল বায়োসিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে ফ্রান্সের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। 
ইন্টারপোলের সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্স গেলেন আইজিপি
বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন লালন শাহ: দীনেশ ত্রিবেদী
ফকির লালন শাহকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন বলে অভিহিত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বলেন, মানবসমাজের পথনির্দেশক লালন শাহের কালজয়ী দর্শন অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আয়োজিত ‘লালন সন্ধ্যা'য় এ কথা বলেন তিনি। লালনের দর্শন ও সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, লালন সাঁইকে নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করার মতো যোগ্যতা আমার নেই। তাকে নিয়ে সামান্য পড়াশোনা করে আমার মনে হয়েছে, তিনি আমার মনের মানুষ। এ কথা দ্বিধাহীনভাবে বলতে পারি, তার বাণী, তার দর্শন সব মানুষের জন্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, লালন সবাইকে মুগ্ধ করেছিলেন, এমনকি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও অনুপ্রাণিত করেছিলেন। লালন সাঁই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এক অনন্য সেতুবন্ধন। দুই দেশের মানুষের জন্য তিনি মানবতার এক চিরন্তন বাতিঘর। আলোচনা সভা শেষে মিলনায়তনে আগত লালন অনুরাগীদের বিমোহিত করেন শিল্পীরা। সুরের বৃষ্টিতে দর্শক শ্রোতাদের ভেজানোর পাশাপাশি সাঁইজির আদর্শে উদ্ধুদ্ধ হয়ে মানবপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার জন্যও দর্শক শ্রোতাদের আহ্বান জানান তারা। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন লালন শাহ: দীনেশ ত্রিবেদী
আরও সহজ হচ্ছে ভূমিসেবা, ঘরে বসেই মিলবে খতিয়ান
দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে জমির রেকর্ড সংগ্রহ, খতিয়ান যাচাই এবং ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রেকর্ড রুমের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এ পর্যন্ত আট কোটির বেশি খতিয়ান বা পর্চা ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আরও সহজ হচ্ছে ভূমিসেবা, ঘরে বসেই মিলবে খতিয়ান
নতুন কাঠামোয় আজ বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, পাবেন না যারা
নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী তিন মাসের বকেয়াসহ আজ রোববার থেকে বর্ধিত বেতন পাওয়ার কথা সরকারি চাকরিজীবীদের। এ লক্ষ্যে বেতন পরিশোধের প্রস্তুতিও নিয়েছে সরকার।  তবে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ না হওয়ায় অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আপাতত পুরোনো কাঠামোতেই বেতন পাচ্ছেন। পরবর্তী সময়ে তাদের বর্ধিত বেতন ও বকেয়া সমন্বয় করা হবে। অর্থ বিভাগ সূত্রের খবর, দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, আট লাখ পেনশনভোগী এবং ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেরই এখনো নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ হয়নি।  বেতন নির্ধারণ করতে গিয়ে গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড, বাড়িভাড়া ভাতা এবং পদোন্নতির পর আর্থিক সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসংগতি দেখা দিয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইবাস++ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবেদন করেছেন। তবে এখনো এসব আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। অর্থ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন তৈরি ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ চলছে। এদিকে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে গ্রেডভিত্তিক বেতনের অসংগতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন কর্মচারীরা। তাদের অভিযোগ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিচের গ্রেডের কর্মচারীর মূল বেতন ওপরের গ্রেডের কর্মচারীর চেয়ে বেশি নির্ধারিত হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তারা বলছেন, ১১তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন নির্ধারণ হচ্ছে ৩৭ হাজার টাকা। অথচ ১২তম গ্রেডের একজন কর্মচারী পাচ্ছেন ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা। বাড়িভাড়া ভাতা নির্ধারণেও দেখা দিয়েছে অসংগতি। কর্মচারীদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে পদোন্নতি পেলে মূল বেতন ১ হাজার ৩০০ টাকা বাড়লেও বাড়িভাড়া ভাতা কমতে পারে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এতে পদোন্নতির পরও একজন কর্মচারীর মোট মাসিক আয় ৬০০ টাকা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্যতা ও সময় নির্ধারণ এবং আইবাস++ ব্যবস্থায় বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সব মিলিয়ে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হলেও সবার বেতন-ভাতা নির্ধারণের জটিলতা এখনো কাটেনি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন না পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া ও অতিরিক্ত অর্থ কবে নাগাদ সমন্বয় করা হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আরটিভি/এসআর
নতুন কাঠামোয় আজ বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, পাবেন না যারা
আরও পড়ুন
জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করছেন: এলজিআরডি মন্ত্রী
ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অন্যান্য নিয়োগে স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল