ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মারা গেছেন ‘মুখ ও মুখোশ’-এর কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ এএম
কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এ গায়িকা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। মাহবুবা রহমান বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রে ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানে কণ্ঠ দেন মাহবুবা রহমান, সংগীত পরিচালনা করেছেন সমর দাস। পরে ফতেহ লোহানীর ‘আসিয়া’ সিনেমায় ‘আমার গলার হার খুলে নে ওগো ললিতে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে খ্যাতি পান তিনি।

মাহবুবা রহমানের অন্যান্য পরিচিত গানের মধ্যে রয়েছে আমার যদি থাকত পাখির ডানা, আমার না বলা কথা, সোনালী এই ধানের ক্ষেতে, আগে জানি না রে দয়াল, তুমি দাও দেখা দরদী, আমার বন্ধু বিনোদিয়া, আজকে আমার মালঞ্চে ফুল ফোটে নাই ও আমার মন ভালো না গো প্রাণ ভালো না গো।

জাগো হুয়া সাভেরা, আসিয়া, এ দেশ তোমার আমার, যে নদী মরুপথে, কখনো আসেনি, সূর্যস্নান, সোনার কাজল, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, সাত ভাই চম্পার মতো ঢাকার প্রথম দিকের অনেক সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন তিনি।

কয়েক দশক ধরেই অনেকটা নিভৃতে জীবন যাপন করছিলেন মাহবুবা রহমান। তার প্রকৃত নাম নিভা রানী রায়। ১৯৩৫ সালের ৩ মার্চ চট্টগ্রামে জন্ম। শৈশবেই ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় সুধীরলাল চক্রবর্তী, ওস্তাদ পিসি গোমেজ এবং মোমতাজ আলী খানের কাছে কিছুদিন গান শেখেন তিনি। গীত, গজল শিখেছিলেন ওস্তাদ কাদের জামেরী ও ওস্তাদ ইউসুফ কোরেশীর কাছে; মমতাজ আলীর কাছে শিখেছিলেন লোকসংগীত।

মাহবুবা রহমান ১৯৪৮ সালে ঢাকার কামরুননেসা গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এর আগের বছর অল ইন্ডিয়া রেডিও ঢাকা কেন্দ্র থেকে তার গান প্রথম প্রচার হয়।

১৯৫৮ সালে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় মাহবুবা রহমানের। এর আগে, আবুল হাসনাতকে বিয়ে করেন তিনি। খান আতাউর রহমানের সঙ্গে তার রয়েছে দুই মেয়ে ও এক ছেলে। তাদের একজন সংগীতশিল্পী রুমানা ইসলাম।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। ডা. জাহেদ জানান, ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা আওয়ামী সন্ত্রাস। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার। প্রতিশোধ নয়, ন্যায় বিচার নিশ্চিতে হাসিনাকে ফেরত চায় ঢাকা। তিনি বলেন, রিকনসিলিয়েশনের জন্য যারা মারাত্মক ফৌজদারি অপরাধ করেছে তাদের বিচার হতে হবে। যে দল মানবতাবিরোধী অপরাধ করে চলে গেছে, তার জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত অনুতাপের কোনও লক্ষণ নেই, উপরন্তু তারা নানা রকম সংকট করার চেষ্টা করছে। ড. ইউনূসকে হেনস্তা করার চেষ্টা হয়েছে। তার অপরাধ হচ্ছে তিনি শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব কেন নিয়েছেন। শুধু এটি নয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে।  তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যে দল প্রকাশ্যে দেশের ভেতরে নানারকম সহিংসতা ও সন্ত্রাস উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করে তাদের দলের প্রধান করে; সেখানে সরকারের দিক থেকে রিকনসিলিয়েশনের ইনিশিয়েটিভ নেয়ার প্রশ্নই আসে না। রিকনসিলিয়েশনের নূন্যতম কোনো সম্ভাবনা যদি থেকে থাকে, তাহলে সেটি আওয়ামী লীগকে তার জায়গা থেকে বলার কথা ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, দুই বছর পরে এবং তাদের আচরণ দেখে রিকনসিলিয়েশনের আদৌ কোনও সম্ভাবনা আমি দেখি না। ক্ষমা চাওয়া, অনুতাপ দূরে থাকুক; তারা হুমকি দিচ্ছে এবং নানা রকম সহিংসতা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তার চেষ্টা প্রেশার গ্রুপ ট্রুপ কিছু না, এগুলো আওয়ামী সন্ত্রাস। সেটা নিয়ে লিগ্যাল প্রসেস শুরু হয়েছে, ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এ ধরনের পদক্ষেপ আনচ্যালেঞ্জড যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আরটিভি/ এমএ
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
আমলাতন্ত্রের কারণে সরকারি প্রণোদনার কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় না: ডেপুটি স্পিকার
আমলাতন্ত্রের কারণে সরকারি প্রণোদনার কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় না, সবখানেই সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। 
আমলাতন্ত্রের কারণে সরকারি প্রণোদনার কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় না: ডেপুটি স্পিকার
দুর্যোগ মোকাবিলায় দূরদর্শী নীতি ও সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
দুর্যোগ মোকাবিলায় দূরদর্শী নীতি ও সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের আলোচনা সভায় এ তাগিদ দেন তিনি। তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা যেন কাগজে সীমাবদ্ধ না থাকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যতম শক্তি জনগণের অংশগ্রহণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশের সবচেয়ে উদীয়মান ঝুঁকির একটি ভূমিকম্প। নগরে ভবন নির্মানবিধির প্রয়োগের ঘাটতি ভূমিকম্পের এ ঝুঁকি বাড়িয়েছে। এসময় দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনায় নারী, শিশু, প্রবীন ও প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। আরটিভি/এসআর
দুর্যোগ মোকাবিলায় দূরদর্শী নীতি ও সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ‘নতুন মাত্রা’
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা জোরদার করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। প্রচলিত টহল ও জনবলনির্ভর ব্যবস্থার পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা, থার্মাল ইমেজিং, নাইট ভিশন ডিভাইস, ড্রোন, রাডার ও আধুনিক যোগাযোগপ্রযুক্তির ব্যবহার সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ‘নতুন মাত্রা’
প্রবাসী‌দের জন্য বি‌শেষ ট্রাইব্যুনাল কর‌ছে সরকার: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রবাসী‌দের জন‌্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা বিশেষ আদালত গঠন করার প‌রিকল্পনা হা‌তে নি‌য়ে‌ছে সরকার। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর এক‌টি হো‌টে‌লে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) ৩০ বছর উদযাপন অনুষ্ঠা‌নে এ তথ‌্য জানান তি‌নি। আইনমন্ত্রী ব‌লেন, আমা‌দের শ্রম আদালত রয়েছে। বাংলা‌দে‌শের অভ‌্যন্ত‌রে শ্রমিক‌দের জন‌্য বি‌শেষ শ্রম আদালত গঠন করা হ‌য়ে‌ছে, শ্রমিক আইন করা হ‌য়ে‌ছে। কিন্তু আমা‌দের প্রবাসীরা বি‌দেশ থে‌কে বাংলা‌দে‌শে টাকা পাঠা‌নোর প‌র যখন প‌রিবা‌রের সদস‌্যদের কা‌ছে টাকা ফেরত চাই‌তে যান, কিংবা তা‌দের সম্প‌ত্তি নি‌য়ে বি‌রোধ তৈ‌রি হয়, তখন বছ‌রের পর বছ‌র তারা (প্রবাসীরা) আমা‌দের আইনজীবী‌দের প‌কে‌টে টাকা দেন, মামলা কর‌তে থা‌কেন, তা‌দের জীবন শেষ হ‌য়ে যায় মামলা টেকঅ‌্যাপ (বিচারক কর্তৃক শুনানির জন্য কোনো নির্দিষ্ট মামলার কার্যক্রম) কর‌তে গি‌য়ে। তিনি ব‌লেন, প্রবাসী‌দের জন‌্য আমরা বি‌শেষ আদালত গঠন করব বি‌শেষ ক‌রে ডি‌ভিশনাল হেড‌কোয়ার্টা‌রে। যে আদালত শুধুমাত্র প্রবাসী‌দের যেকো‌নো ধর‌নের সম্পদ সহায়তা দি‌তে পার‌বে, যে‌কো‌নো ধর‌নের প্রবাসী মামলা এই আদালত দেখ‌তে পার‌বে, বিশেষায়িত আদালত। তিনি আরও বলেন, এই প‌রিকল্পনা আমরা হা‌তে নি‌য়েছি এবং আশা ক‌রি এটা আমরা অচিরেই শুরু কর‌তে পারব। আরটিভি/এমএ
প্রবাসী‌দের জন্য বি‌শেষ ট্রাইব্যুনাল কর‌ছে সরকার: আইনমন্ত্রী
আরও পড়ুন
চলে গেলেন স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী শিবু রায়
নতুন গান ‘তোমার কলরব’ নিয়ে ফিরলেন মিলানা মমিন
আশা ভোঁসলের শেষ বিদায় সম্পন্ন