ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ বছর পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রথমেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কারটি গ্রহন করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনি ‘দাদু’র পদক গ্রহণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে’ সার্বিক অবদানের জন্য। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে’ সার্বিক অবদানের জন্য।

খালেদা জিয়াসহ মরণোত্তর এই সন্মাননা পেয়েছেন সাতজন। এরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজ সেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান।

আরও পড়ুন

মেজর জলিলের পক্ষে তার কণ্যা ব্যারিস্টার সারা জলিল, ড. আশরাফ সিদ্দিকীর পক্ষে তার মেয়ে ড. তাসনিম আরিফা সিদ্দিকৗ, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে তার ছেলে বারীশ হাসান চৌধুরী, মাহেরীন চৌধুরীর পক্ষে তার স্বামী মনসুর হেলাল, বশির আহমেদের পক্ষে তার হুমায়ারা বশির এবং কাজী ফজলুর রহমানের পক্ষে তার কন্যা তাবাসুম শাহনাজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সংস্কৃতিতে একেএম হানিফ (হানিফ সংকেত), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজ সেবায় সাইদুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার নেন।

অধ্যাপক জহুরুল করিমের পক্ষে তার পুত্র হারুনুর রশীদ এবং একেএম হানিফ, জোবেরা রহমান, সাইদুল হক, মোহাম্মদ আবদুল বাকী, এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, আবদুল মুকিত মজমুদার প্রত্যেকে নিজে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নেন।

এ বছর যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে মনোনীত করা হয়েছে তা হলো, মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা বিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), জনসেবায় এসওএস শিশু পল্লী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে।

আরও পড়ুন

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আদনান কবির, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান, এসওএস শিশু পল্লীর ন্যাশনাল ডাইরেক্টর ড. এনামুল হক এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সিনিয়র প্যারামেডিক বিউটি রানী সাহা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন।

স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আঠারো ক্যারেটের ৫০ গ্রামের একটি স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা ও একটা সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান
বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সংস্কার সমর্থন করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের এ সময়ে বহুপাক্ষিকতা শুধু একটি বিকল্প নয় বরং অপরিহার্য।
বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সংস্কার সমর্থন করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিচার বিভাগকে বাইরে রেখে বিরোধীদলের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান‌ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিচার বিভাগকে বাইরে রেখে বিরোধীদলের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান‌ করার প্রস্তাব দিয়েছেন অনেকে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় সংবিধান সংশোধন কমিটি একদলীয় সরকারের ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে চেয়েছিল‌। তার সাথে গণতান্ত্রিক সরকারের কমিটিকে এক করা উচিত হবে না। বিরোধী দল যদি চায় বিএনপি তাদের নোট অব ডিসেন্ট শিথিল করুক, তাহলে তাদের সেই কথা বৈঠকে এসে বলতে হবে। অমরা চাই বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুক। তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংবিধানে নেই। গণভোটকে আমরা স্বীকার করি। তবে তাতে রাখা প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক আছে। গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে আমরা সম্মান করি। যদি আবার গণভোট হয় তবে এটা হবে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত। সংবিধান সংশোধনে বিশিষ্ট নাগরিক বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সাথে পর্যায়ক্রমে বৈঠক করছে সংবিধান সংশোধন কমিটি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ে তারা তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।  আলোচনা হয় ৭০ অনুচ্ছেদ, মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে। আরটিভি/এসআর
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির দেওয়া নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বিরোধীদলকে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে এসে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সংবিধান বিশেষজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সঠিক প্রক্রিয়ায় সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা হবে। আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে নিজেদের মতো করে সংবিধান সংশোধন করেছিল। কিন্তু জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার সে পথে হাটবে না। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-আর্টিকেল ৭০-প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।  এছাড়াও, আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। আরটিভি/এসআর
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিদ্যুৎ স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার নতুন ফি নির্ধারণ
বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকার। নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ মেগাওয়াট নয়, ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতাভেদে ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১০ হাজার টাকা। ২০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ ফি যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি। ২০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি দুই লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি এক লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে চার লাখ ও দুই লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি সাত লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ তালিকাভুক্ত ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত সরঞ্জামের জন্য পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতার সরঞ্জামের ক্ষেত্রে এ ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা। ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ছয় হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তফসিলে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে সমজাতীয় ক্যাটাগরির অব্যবহিত আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফি-এর আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা। নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে এ-চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় বা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ রহিত করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বিদ্যুৎ স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার নতুন ফি নির্ধারণ
আরও পড়ুন
বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা উঠল ‘বেগম খালেদা জিয়া’ আইএইচএফ নেশনস ট্রফির
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল
বেগম খালেদা জিয়া জবি প্রতিষ্ঠা করেছেন বলেই পদে পদে বঞ্চিত হয়েছি: জবি উপাচার্য
১০ তলা ভবনে লিফট নেই, ভোগান্তিতে বাকৃবির খালেদা জিয়া হলের ছাত্রীরা