ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

র‍্যাবের জন্য কেনা হচ্ছে ১৬৩ গাড়ি, খরচ ১২২ কোটি টাকা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
ফাইল ছবি

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) আভিযানের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৬৩টি গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩টি জিপ, ১০০টি টহল পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস রয়েছে। দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব গাড়ি কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে ১২২ কোটি টাকার বেশি।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন র‍্যাবের ‘র‍্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১২২ কোটি ২৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকার যানবাহন ক্রয়ের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।

সুপারিশ অনুযায়ী, ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গত ২৭ জানুয়ারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন পায়।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল অর্থ বিভাগের পরিপত্র অনুযায়ী সব ধরনের যানবাহন ক্রয় বন্ধ থাকলেও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং র‍্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন বিবেচনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে এ প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।

প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর একনেক থেকে অনুমোদিত হয়। এর মেয়াদ ১ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত। চলতি আরএডিপিতে প্রকল্পটির অনুকূলে ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা সফল হবে না’
শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির যেকোনো পরিকল্পনা সফল হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
‘শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা সফল হবে না’
শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিরসনের লক্ষ্যে বিকেলে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে মন্ত্রী চলমান আন্দোলন ও তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বিষয়ে কথা বলবেন।
শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নতুন মজুরি ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।  সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে রোববার (১ নভেম্বর) মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। সোমবার সেই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে অথবা সম্ভাব্য খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তারা বসবেন। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হবে এবং সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যথা-শিগগির সম্ভব তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সেটি ঘোষণা হতে পারে। আশা করি, তারা সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ন্যূনতম মজুরি ঠিক করতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যেন শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ হয় এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। শ্রমিকদের বিষয়গুলো যেন অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হয়। সুতরাং, বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারিত হবে। এখানে অসন্তোষের কিছু নেই। গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শিল্প মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে তারা বলেছেন কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে। তাদের তালিকা তারা আমাদের প্রদান করবেন। এ ছাড়াও কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে, সে সব সংগঠন এবং নামের তালিকাও আমরা তাদের সরবরাহ করতে বলেছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিক এবং কোনো শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন না। আন্দোলনের নামে সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে কিছু শিল্প-মিল মালিক জড়িত আছে এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে কিছু লোকজন অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে, যা কোনোভাবেই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না। আমরা অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলে দিতে চাই যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, আইন-শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আরটিভি/এসকে
সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
উপকূলে কমেছে জলদস্যুতা
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান, টহল জোরদার ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন জলসীমায় জলদস্যুতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
উপকূলে কমেছে জলদস্যুতা
সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব জানান । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে রোববার (১ নভেম্বর) মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। সোমবার সেই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে অথবা সম্ভাব্য খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তারা বসবেন। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হবে এবং সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যথা-শিগগির সম্ভব তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সেটি ঘোষণা হতে পারে। আশা করি, তারা সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ন্যূনতম মজুরি ঠিক করতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যেন শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ হয় এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। শ্রমিকদের বিষয়গুলো যেন অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হয়। সুতরাং, বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারিত হবে। এখানে অসন্তোষের কিছু নেই। গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শিল্প মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে তারা বলেছেন কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে। তাদের তালিকা তারা আমাদের প্রদান করবেন। এ ছাড়াও কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে, সে সব সংগঠন এবং নামের তালিকাও আমরা তাদের সরবরাহ করতে বলেছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিক এবং কোনো শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন না। আন্দোলনের নামে সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে কিছু শিল্প-মিল মালিক জড়িত আছে এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে কিছু লোকজন অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে, যা কোনোভাবেই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না। আমরা অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলে দিতে চাই যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, আইন-শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আরটিভি/এসকে
সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ভোলায় এক পাঙ্গাস বিক্রি হলো ৯ হাজার টাকায়
কাজ করিয়ে পারিশ্রমিক না দেওয়ার অভিযোগ রাকসুর সাবেক নেতার বিরুদ্ধে
টাকা নিয়ে ইলিশ শিকারের সুযোগ দেন মৎস্য কর্মকর্তা, অডিও ভাইরাল
ঋণের টাকা নিয়ে ভাবিকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন দেবর, ভিডিও ভাইরাল