ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

রোববার থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার (১০ মে) থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনের পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬। এ দিন সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহের কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করবেন।

রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রধানমন্ত্রী পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের সুশৃঙ্খল, দৃষ্টিনন্দন ও বর্ণিল প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করবেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন। এ সময় তিনি পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের পদক পরিয়ে দিবেন।

পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন কর্ম অধিবেশনে বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পরবর্তী বছরের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। আগামী ১৩ মে এবারের আয়োজন শেষ হবে।

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, পুলিশ বাহিনীর সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার ওপর একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অনেকাংশে নির্ভর করে। বিভিন্ন জাতীয় আয়োজন ও ক্রান্তিকালীন সময়েও পুলিশ বাহিনীর নৈর্ব্যক্তিক, পেশাদার ও জন-বান্ধব ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অপরাধের ধরন জটিল ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশ সদস্যদের এআই, ডেটা অ্যানালিটিকস, সিসিটিভি নজরদারি, ডিজিটাল ফরেনসিকস-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।

মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তার বাণীতে বলেন, প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে পেশাদারিত্বের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের কাছে সেবা ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠতে হবে, ভুক্তভোগীকে তার প্রাপ্য আইনি সেবা পেতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার পাশাপাশি কোন নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়- সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

এ ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে পৃথক বাণী দেন।

এবারের বার্ষিক পুলিশ প্যারেডে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের পুলিশ সদস্যরা প্যারেডে অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, বার্ষিক পুলিশ প্যারেড অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ দেওয়া হবে।

বার্ষিক পুলিশ প্যারেড অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

আরটিভি/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় বাড়ল
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।  নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। কারিগরি ত্রুটির কারণে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি (অনলাইন) ত্রুটির কারণে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন প্রক্রিয়া শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিঘ্নিত হয়। এ কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে পারেননি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ৭ নভেম্বর রাত ১২টার পরিবর্তে ৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, গত ১ নভেম্বর থেকে এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টায়।  নির্ধারিত সময়ে পুনর্নিরীক্ষণে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের একেকজন একাধিক বিষয় ও পত্রের পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন জমা দিয়েছেন। এতে মোট আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি। আরটিভি/এসআর  
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় বাড়ল
যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিএনপির র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকে যে মহল বাংলাদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত...জনগণ তাদের পরাজিত করেছে। আবারও তারা ষড়যন্ত্র নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, আসুন, আজ এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব। এটাই হোক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রতিজ্ঞা। এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রিয় ভাই ও বোনেরা, যত দিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই বিপ্লবের র‍্যালি চলমান থাকবে।’ দিবসটি উপলক্ষে বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালি শুরু হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন। র‌্যালিটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি অতিক্রম করে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। আরটিভি/এসআর  
যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয় এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমান জাতির স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকবেন।
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শেখ হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী / ‘প্রয়োজনে টিকেট দিব, তবু দেশে আসেন’
ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে তাকে দেশে আসার টিকেট দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।  শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল সমাবেশে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।  তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানুষ হত্যা করে পালিয়েছেন, এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুংকার দিচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের সেই হুংকার বুঝে গেছে। কাজেই আপনাদেরকে এখন দেশে আসতেই হবে। গোপনে নয়, এখনই চলে আসেন, প্রয়োজনে আমরা টিকেট দিয়ে দেব। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে যারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ, দুর্নীতি, লুটপাট এবং গুম-খুন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ নারী-শিশুর রক্তে ঝড়িয়েছে তাদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। পলাতকদের হ্যান্ডকাফ পরিয়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রাকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের যেকোনো ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে হবে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার আহ্বান জানান তিনি। নান্দাইলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিমধ্যে ১৮৬টি রাস্তা ইটের সোলিং করা হয়েছে এবং আরও ১০৪টি রাস্তা ইটের সোলিংয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাড়ে এগারো কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কারের অনুদান আনা হয়েছে, যা ময়মনসিংহের অন্য কোনো উপজেলায় আসেনি।  গৃহহীনদের পুনর্বাসনে ৩৬টি ঘর প্রদান করা হয়েছে এবং চলতি বছরে আরও ১০৪টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরপুর ও চরবেতাগৈর সেতু নির্মাণসহ ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীতে জনগণের মতামতের ও জরিপের ভিত্তিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। আপনারা উন্নয়নের পক্ষে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ী করবেন। সমাবেশে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আসা নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও আপনাদের সেবা করে যেতে চাই। উন্নয়নের মাঠে, রাজপথে এবং সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। নান্দাইলের স্থানীয় চন্ডিপাশা স্কুল মাঠে আয়োজিত এই সমাবেশ বিশাল জনসমদ্রে রূপ নেয়। সমাবেশে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ‍ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। আরটিভি/এসআর  
‘প্রয়োজনে টিকেট দিব, তবু দেশে আসেন’
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় মিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।  আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দর্শন, পররাষ্ট্রনীতি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে আলোকপাত করেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান।   নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রীতি রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী পড়ে শোনান কমার্স কাউন্সিলর ইফতেখারউদ্দিন শামীম, সহকারী ডিফেন্স এডভাইজার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুমন পারভেজ।  মিশনের এইচওসি মাহমুদুল হকের পরিচালনায় মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  ‎ আরটিভি/এসআর  
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
আরও পড়ুন
তাহসিফ হত্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দীপ, বলছে পুলিশ
গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়াল সরকার
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের