ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

গণমাধ্যমকে প্রধানমন্ত্রী

সরকারের তোষামোদ নয়, সত্যকে সত্য হিসেবেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-ছবি: সংগৃহীত

গণমাধ্যমকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দলীয় অবস্থান বা সরকারের তোষামোদ নয়, সত্যকে সত্য হিসেবেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।

সোমবার (১৫ জুন) টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বার্তা সম্পাদকদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে দেশের টেলিভিশন শিল্পের বর্তমান সংকট, সাংবাদিকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ, চাকরির নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিক নেতারা জানান, আলোচনার পরিবেশ ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম. ছালেহ জানান, অর্থনীতি ও সমাজনীতির পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতেও গণমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। এ লক্ষ্যেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ জুন এ বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে টেলিভিশন শিল্পকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পখাত হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়। গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও দ্রুত একটি কার্যকর গণমাধ্যম কমিশন গঠনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

চ্যানেল ২৪-এর নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলম বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন।

বৈঠকে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, সরকারের সহযোগিতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। এখন সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আগামী ১৮ জুনের সংলাপের দিকে, যেখানে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাক কারখানাগুলোতেও এ ছুটি কার্যকর হবে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি পালন করা হবে। গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে দিনটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় পোশাক কারখানাগুলোতেও সাধারণ ছুটি কার্যকরের ঘোষণা দিল বিজিএমইএ। উল্লেখ্য, চলতি বছর ৭ নভেম্বর শনিবার। ফলে দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যেই পড়েছে। আরটিভি/টিআর
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
পোশাক খাতে অস্থিরতা: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, নজরদারিতে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
পোশাকশ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান অস্থিরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
পোশাক খাতে অস্থিরতা: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, নজরদারিতে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ। তারাই আগামী দিনে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এবং দেশ গড়ে তুলতে পারবে। এজন্য শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিল্পকলার সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকতে হবে।
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা
ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‌‌‘Visa Undertaking Form’ বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এ তথ্য জানানো হয়। অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে: হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‘Visa Undertaking Form’ ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনও ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফর্মে যেসব তথ্য লাগবে প্রকাশিত এক পাতার ‘Visa Undertaking Form’ অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক।  এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো— পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা। ২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন- ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি। ৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনও অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না।  ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনও কাজে জড়াবেন না। কোনও আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে। সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা
আরও পড়ুন
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ৫২টি নতুন কূপ খনন করবে সরকার’
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ