ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকার আরও ৫০ পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
ঢাকার যানজট কমানো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে সব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকার যানজট কমানো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে আরও অন্তত ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৯ জুলাই) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয় এ তথ্য। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে শনিবার (১৮ জুলাই) পরিবেশ দূষণবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্বকালে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে রাজধানীতে যানবাহনের হর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তারেক রহমান।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কীভাবে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়েও এ সময় আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন

এছাড়া, রাজধানীর সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও পরিবেশ দূষণকারী বাস, ট্রাক এবং অন্যান্য যানবাহন দ্রুত অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত ইসমাইল জবিউল্লাহ
এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) ১৩তম সাধারণ অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে।  বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ সম্মেলনে অধিবেশনের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাসীন মিনজু (ডেমোক্রেটিক) পার্টি ও বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টির যৌথ আয়োজনে দ্য শিলা সিউল হোটেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর অনুষ্ঠিত প্রথম প্ল্যানারি সেশনে বক্তব্য রাখেন মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। এ সময় তিনি বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত ও আস্থার সংকট মোকাবিলায় গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে আস্থা পুনর্গঠন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারস্পরিক আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়, এটি জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের একটি সামাজিক চুক্তি। এর ভিত্তি হতে হবে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেটকে শুধু ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ হিসেবে নয় বরং জনগণের সেবা করার দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংঘাত নয়, সংলাপের মাধ্যমে শান্তি নিশ্চিত করার নীতিতে বিশ্বাসী। ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক বিপর্যয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বিএনপি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি উল্লেখ করে বলেন, ভূরাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে মানবজীবনের মর্যাদাকে স্থান দিতে হবে। আন্তর্জাতিক নীতি ও আদর্শ কোনো বৈষম্য ছাড়াই সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। আন্তঃমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে বিভিন্ন মহাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইউরোপের অস্থিরতা থেকে এশিয়া যেমন বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না, তেমনি মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাব থেকেও ইউরোপ মুক্ত থাকতে পারে না। বিএনপি এ ধরনের আন্তঃমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংলাপে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী। অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের এমনভাবে অন্য দেশের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা উচিত নয়, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হয়। আন্তঃসীমান্ত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধে আইসিএপিপির একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা ও ঝুঁকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এআই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করলেও লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আধুনিক যুদ্ধ ব্যবস্থায় এর ব্যবহারও উদ্বেগজনক। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আইসিএপিপির উদ্যোগে একটি অভিন্ন কৌশলগত নীতিপত্র প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জাতীয় জিডিপির একটি উপযুক্ত অংশ বরাদ্দ এবং জলবায়ু অর্থায়নে ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএনপির এই নেতা। তরুণ প্রজন্মের ওপর ভুল তথ্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপতথ্যের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী বিষণ্নতা ও মানসিক স্বাস্থ্য সংকটও নীরব চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। আইসিএপিপি-কে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও নিয়মিত সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বিশ্বের ভবিষ্যৎ কেবল জবরদস্তি কিংবা সম্পদের ওপর নির্ভর করবে না; আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে কতটা সক্ষম, তার ওপরও নির্ভর করবে। তিনি বাংলাদেশ ও বিএনপির পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘আস্থা পুনর্গঠনকে শুধু রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং আমাদের অভিন্ন ভবিষ্যতের প্রতি স্থায়ী অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। আরটিভি/টিআর
আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত ইসমাইল জবিউল্লাহ
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি অ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি অ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীড। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স এ্যাডভাইজার শাহনাজ করিম ও সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এ্যাডভাইজার তাহেরা জাবীন, এফওআরবি প্রজেক্টের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটির রুহী নাজ ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায় উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে ড. চার্লস রীড এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় বর্তমান সরকার যে সহযোগিতা, নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে, তা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রশংসার দাবিদার। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করে।  তারা বলেন, সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তারা ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি জোরদারে সংসদীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে তাদের আগ্রহের কথা জানান। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একটি ‘ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠনের বিষয়ে তারা ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা সকল ধর্মের মানুষের উৎসব অত্যন্ত সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করি। আমাদের কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন নেই। এ দেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষ এ দেশের সমান নাগরিক। তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা সমুন্নত রাখতে সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও স্বাধীনতা বিষয়ে পার্লামেন্টারি ককাস গঠন এক্ষেত্রে একটি চমৎকার উদ্যোগ হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং নীতি প্রণয়নে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব যা সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, বর্তমান সংসদে সকল সংসদ সদস্যের মতামত ও কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটি বর্তমান সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ চর্চা, যা অতীতে সেভাবে দেখা যায়নি। সংসদে ভিন্নমত ও বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, যেখানে এই দেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারবে; প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও মতাদর্শ স্বাধীনভাবে ধারণ ও পালন করতে পারবে এবং সকলের অধিকার ও মর্যাদা সমানভাবে সুরক্ষিত থাকবে। উভয় পক্ষ ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সংসদীয় পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সংসদীয় কার্যক্রম, সুশাসন ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। সাক্ষাৎকালে সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি অ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ
কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদনের আশা
পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের ১৮টি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছে নাজিরারটেক শুঁটকি পল্লি। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে মহাল (শুঁটকি উৎপাদনের খামার) আছে প্রায় ৬শ’টি। এছাড়াও জেলার টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন, মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপেও রয়েছে শুঁটকি উৎপাদনের খামার।
কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদনের আশা
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাক কারখানাগুলোতেও এ ছুটি কার্যকর হবে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি পালন করা হবে। গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে দিনটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় পোশাক কারখানাগুলোতেও সাধারণ ছুটি কার্যকরের ঘোষণা দিল বিজিএমইএ। উল্লেখ্য, চলতি বছর ৭ নভেম্বর শনিবার। ফলে দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যেই পড়েছে। আরটিভি/টিআর
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ধামরাইয়ে ৩ বাড়ির সামনে কাফনের কাপড় ও গলাকাটা মুরগি, এলাকা জুড়ে আতঙ্ক
ঢাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে প্রাণ গেল ২ আরোহীর
ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণা দিয়ে ধরা নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা
ঢাকায় পুলিশের ওপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ককটেল হামলা