ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

মেয়াদ শেষ করতে পারেননি যে ১০ রাষ্ট্রপতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
রাষ্ট্রপতির বাসভবন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ১৮ জন পূর্ণাঙ্গ, ভারপ্রাপ্ত বা দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তাদের মধ্যে ১০ জনের কার্যকাল সমাপ্তি হয়েছে আকস্মিকভাবে। সবশেষ গতকাল শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে পদত্যাগ করেছেন মো. শাহাবুদ্দিন।

স্বাধীনতার পর দেশে হত্যাকাণ্ড, সামরিক অভ্যুত্থান, সাংবিধানিক পরিবর্তন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় বারবার সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রপতির পদ। এ পদে থাকাকালে দুজন নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্দোলনের কারণে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন কিংবা বঙ্গভবন ছাড়তে হয় আটজনকে। এবার মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার মধ্য দিয়ে পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে না পারা রাষ্ট্রপতিদের তালিকায় যুক্ত হলেন।

দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গুলি করে হত্যা করে সামরিক বাহিনীর একটি অংশ।

আরও পড়ুন

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমেদ রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।

পরে বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল সায়েম পদত্যাগ করার পর জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে পর্যন্ত জিয়াউর রহমান দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে নিহত হন জিয়াউর রহমান।

এরপর আবদুস সাত্তার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। পরে ১৯৮১ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান হলে রাষ্ট্রপতি সাত্তার ক্ষমতাচ্যুত হন।

এরশাদ নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা করেন এবং বিচারপতি আবুল ফজল মোহাম্মদ আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি পদে বসান। আহসানউদ্দিন চৌধুরী ১৯৮২ সালের ২৭ মার্চ থেকে ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর এরশাদ নিজেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। ১৯৮৬ সালের অক্টোবরে তার প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পরে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এরশাদ।

এরশাদের পদত্যাগের জন্য তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন এবং ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ছিলেন।

১৯৯১ সালে দেশ পুনরায় সংসদীয় ব্যবস্থায় ফিরে আসে। বিএনপি সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর মন্ত্রিসভার সদস্য আবদুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

পরে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর সাহাবুদ্দীন আহমদকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে। ১৯৯৬ সালের ৯ অক্টোবর তিনি শপথ নেন এবং ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার মেয়াদ শেষ করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০০২ সালের ২১ জুন পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপির সংসদীয় দল তাকে সরে দাঁড়াতে বলার পর তিনি পদত্যাগ করেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে শ্রদ্ধা না জানানোর কারণে বদরুদ্দোজা চৌধুরীর কড়া সমালোচনা করেছিল বিএনপি।

তার পদত্যাগের পর তৎকালীন স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ২০০২ সালের ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপির সমর্থনে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ।

২০০৬ সালের শেষ দিকে ইয়াজউদ্দিন সংবিধান লঙ্ঘন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করেন, যা দেশকে এক গভীর রাজনৈতিক সংকটে ফেলে দেয়।

অবশেষে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পর তিনি প্রধান উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এতে ২২ জানুয়ারি নির্ধারিত সংসদ নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। পরদিন তিনি ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করেন।

২০০৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ইয়াজউদ্দীনের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হলেও, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি পদে বহাল ছিলেন। ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০১৩ সালের ২০ মার্চ জিল্লুর রহমান মারা যান। রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালে একমাত্র তারই স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের আরেক নেতা ও তৎকালীন স্পিকার আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন। তিনি ২০১৩ সালের ২০ মার্চ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে আওয়ামী লীগের সমর্থনে পরপর দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আবদুল হামিদ।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি ১৯৭৫ সালে পাবনা জেলা বাকশালের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সাহাবুদ্দিনের রাষ্ট্রপতি পদ হুমকির মুখে পড়ে। বিভিন্ন সময়ে তার পদত্যাগ বা অপসারণ নিয়ে গুজব ও জল্পনা-কল্পনা চলে।

অবশেষে গতকাল শুক্রবার শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে অবশেষে তিনি পদত্যাগ করলেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেট্রোরেলে নতুন ৩ রুট একনেকে অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় বড় সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো-এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর), এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) এবং এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি)। 
মেট্রোরেলে নতুন ৩ রুট একনেকে অনুমোদন
২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি, পাবেন না যারা
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দেশের সব স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এক দিনের ছুটি থাকবে। তবে এ ছুটি সরকারি ছুটি নয়। ফলে সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ অন্যান্য কর্মস্থলে ওই দিন স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে।
২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি, পাবেন না যারা
সরকারি চাকরিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিজীবীদের উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী, পদোন্নতি ছাড়া একই বা সমতুল্য পদে নির্দিষ্ট সময় চাকরি পূর্ণ করলে বর্তমানের তুলনায় কম সময়েই প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সরকারি চাকরিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।  সাক্ষাৎকালে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। আন্দালিভ রহমান বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।  সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকরা যাতে এসব মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপদ বোধ করেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথাও তুলে ধরেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। আরটিভি/এসএস
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
একনেকে অনুমোদন পেল ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প 
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একনেকের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
একনেকে অনুমোদন পেল ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প 
আরও পড়ুন
ম্যাচ না খেলেই সেমিতে ওঠার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে!
আগামী বছর নেপাল সফরে যাবে বাংলাদেশ দল, সূচি চূড়ান্ত
সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান
১৪ দিনে ১৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা প্রবাসী আয়