জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, স্মরণসভা এবং ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রা। রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটিতে দেশের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।
কমিটিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (পুসাব), বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ব ও পশ্চিম শাখা, জাতীয় ছাত্রশক্তির সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পুয়াব), প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পুনাব), বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উইং, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন দুইজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধিকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সকল পক্ষের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য সমন্বয় কাঠামো হিসেবে কাজ করতে পারে।
এদিকে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মতি দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি।
আগামী ১৫ আগস্ট ২০২৬ রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, স্মরণসভা এবং ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই অনুষ্ঠান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবিস্মরণীয় অবদানকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা নির্মাণে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা, দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে অর্থবহ আলোচনা ও মতবিনিময়ের ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।
একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক ও শিক্ষার্থী সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।
আরটিভি/এসআর



