ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ মৃত্যু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:১০ পিএম
প্রতীকী ছবি

গত জুলাই মাসে সারা দেশে ৪৫৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৬২৯ জন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রকাশিত রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত মাসিক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের মধ্যে নারী ৫৭, শিশু ৪৮। ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৮ জন, যা মোট নিহতের ৩৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫১ জন, অর্থাৎ ১২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এই সময়ে ১৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। ২৯টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়— মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৮ জন যা মোট নিহতের ৩৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। বাসের যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ৭ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (অটোরিকশা-অটোভ্যান-ইজিবাইক-সিএনজি-মিশুক) ৯৪ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-পাখিভ্যান) ২৬ জন এবং রিকশা-বাইসাইকেল আরোহী ৫ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬৯টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৫৫টি ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। এছাড়া ৬১টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৬৬টি শহরের সড়কে এবং ৭টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর ১২৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৬৪টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫৪টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৯টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্র্যাক্টর-ট্রলি-লরি-ডাম্প ট্রাক-ময়লাবাহী ট্রাক ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপ ২ দশমিক ৯৫ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৪ দশমিক ১৯ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-অটোভ্যান- ইজিবাইক-সিএনজি-মিশুক-লেগুনা) ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-পাখিভ্যান-টমটম-মাহিন্দ্র) ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ, রিকশা-বাইসাইকেল ১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত ৭১১টি যানবাহনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে মোটরসাইকেল, এই সংখ্যা ১৭২। এর পরেই রয়েছে বাস ১২৪টি, ১৩১টি থ্রি-হুইলার ও তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে ট্রাক, যার সংখ্যা ৯২।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে ২৯.০৩ শতাংশ। প্রাণহানির ক্ষেত্রেও এগিয়ে ঢাকা, মোট নিহতের ৩০ দশমিক ০৪ শতাংশই এই বিভাগে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং এখানে প্রাণহানি ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩৩টি দুর্ঘটনায় ১২৫ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ২৮টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩৪টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৪৭ জন আহত হয়েছেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে ৩৫ মোবাইল কোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটির আদলে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নৌপথের টার্মিনাল ও ফেরিঘাটে বাড়তি নজরদারি, অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং ৩৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজার ছুটিতে মানুষ যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বস্তিতে গ্রামের বাড়ি কিংবা পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে ভোগান্তি কমানো এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এবার পূজার ছুটি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দীর্ঘ হওয়ায় যাত্রী চলাচল বাড়তে পারে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপনে বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি অন্য ধর্মের মানুষও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামে কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যেতে পারেন। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই ঈদের ছুটির মতো বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং পরিবহনসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ সভা হয়েছে। সভায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, সদরঘাটসহ দেশের বিভিন্ন নৌবন্দর ও টার্মিনাল ছুটি শুরুর আগেই প্রস্তুত রাখা হবে। পাটুরিয়াসহ দেশের ১২ থেকে ১৩টি চালু ফেরিঘাটে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীচাপ বাড়লে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হবে, যাতে নিয়মিত পরিবহনের বাইরে বাড়তি যাত্রী ও যানবহন পারাপার করা যায়। ছুটির সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নৌবন্দর ও ফেরিঘাটে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে মোতায়েন করা হবে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে তা সার্বক্ষণিক তদারকি করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়ে রাজীব আহসান বলেন, ঈদের মতো এবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিজিবি ও আনসার সদস্যদেরও কাজে লাগানো হবে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ঘাট বা সড়কে কোনো জটিলতা তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ২৫ থেকে ৩০ জন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৩৫টি মোবাইল কোর্ট প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফেরিঘাটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘাটগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া বাস প্রবেশ রোধে স্থায়ী ব্যারিকেড নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেরিতে ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস থেকে যাত্রী নামানো এবং ফেরি থেকে বাস ওঠানামার নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে হঠাৎ ঝড় বা বৈরী আবহাওয়া তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে নৌযান চলাচল ও যাত্রী নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সদরঘাটের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ পথে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হলে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলগামী সড়কপথের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা কাটিয়ে সদরঘাটকে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার কাজ চলছে। নৌপথের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বড় লঞ্চে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী পরিবহন সম্ভব। ঈদের সময় প্রতিদিন শতাধিক বড় লঞ্চ চলাচল করলেও স্বাভাবিক ছুটিতে এ সংখ্যা কম থাকে। তবে নৌপথের সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগালে সড়কপথের ওপর থেকে যাত্রীচাপ কমানো সম্ভব হবে। সবশেষে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের নেওয়া সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে পূজার ছুটিতে মানুষ নিরাপদে ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। আরটিভি/এসআর
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে ৩৫ মোবাইল কোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ৬১টি ফ্লাইটের অন্তত ৮ হাজার ৩৮১ জন যাত্রী। এসব ফ্লাইটের মধ্যে ২২টি সরাসরি ও ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গাছপালা কাটা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দেশের কয়েকটি এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য
নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের সাথে বৈঠক করেছেন নেদারল্যান্ডস সরকারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার এইচ.ই. স্টিভেন কোলেট। 
নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক
আরও পড়ুন
‘সন্ত্রাসীদের মতো হতে চাই?’, মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার নিয়ে তোপ 
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ব্যর্থ, বাঁচার পরও জরুরি চিকিৎসায় দেরি!
নীলফামারীতে মই থেকে পড়ে বিদ্যুৎকর্মীর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু