ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাইক, গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জরিমানা ছাড়া মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র (যেমন- ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা যাবে।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে, দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে এখন থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান বিক্রয় করার পর তার মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে যে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এতে বিক্রেতাকে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে পুরনো মালিককেই ওই মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০% অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। যা বিক্রেতার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেবা সহজীকরণের বিষয়ে বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা হয়েছে। এখন অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক (আঙ্গুলের ছাপ) যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক প্রদান করতে পারছেন।

এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাদের দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

এ বিসয়ে বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হঠাৎ শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
হঠাৎ শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ
শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী
শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেয়া ছাড়া ওই সময় ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবা‌বে ভারতীয় হাইক‌মিশনার এ কথা ব‌লেন।  দীনেশ ত্রিবেদী করেন, ঐতিহাসিক ও পুরোনো বন্ধু হিসেবে তৎকালীন সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারতের যা করা উচিত ছিল, তারা ঠিক সেটাই করেছে। শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনুমতি না দিলে কী ঘটতে পারত তা কারও জানা নেই। তিনি বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং আমরা আশা করি, প্রার্থনা করি যে, এমনটা যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন। তি‌নি আরও ব‌লেন, সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। আমি টেলিভিশনে দেখছিলাম এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে তিনি অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। তাই সেই সময়ে, শেখ হাসিনা তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল। ভারতীয় হাইক‌মিশনার ব‌লেন, অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল? আমরা যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি যে কী দাঁড়াতো তা আমার জানা নেই। সুতরাং এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ। তি‌নি আরও বলেন, বাকিটা আমার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আপনিও আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবেন বলে আশা করি। আর আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে। আরটিভি/টিআর
শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশ অন্য খেলোয়াড়দের ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না: শামা ওবায়েদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেখানে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অন্য খেলোয়াড়দের খেলার জন্য দাবার বোর্ড হতে চাই না।
বাংলাদেশ অন্য খেলোয়াড়দের ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না: শামা ওবায়েদ
গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কেরানীগঞ্জ: ডিএমপি কমিশনার
আগামী তিন মাসের মধ্যে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়াতে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযানে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে মহাখালী বাস টার্মিনালের নতুন জায়গা দেখতে এসে এ কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। মহাখালী বাস টার্মিনালের নতুন করে বরাদ্দকৃত জায়গা দেখতে আসেন বাস মালিক সমিতির নেতারা। এ সময় ৮০টি বাস রাখার মতো নতুন জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ডিএমপি কমিশনার বলেন, বর্তমান সরকার বাস ডিপো ও টার্মিনাল আলাদা করার কাজ করছে। মহাখালী টার্মিনাল নিজ জায়গায় থাকলেও ডিপো নিয়ে যাওয়া হবে পূর্বাচলে। এ ছাড়া ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল তিন মাসের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কেরানীগঞ্জে চুনকুটিয়াতে। আলাদা করা হবে টার্মিনাল ও ডিপো। এদিকে সম্প্রতি মিরপুরের সিটি করপোরেশনে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি। এ সময় মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা বলেন, ঢাকার বাস টার্মিনাল এলাকার যানজট নিরসনে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আরটিভি/ এসকেডি
গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কেরানীগঞ্জ: ডিএমপি কমিশনার
কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও চিন্ময় দাসের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছেন বিক্ষোভকারীরা।
কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা
আরও পড়ুন
মিরসরাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৩ জনের কারাদণ্ড-জরিমানা
হঠাৎ পশু খাদ্যের দোকানে প্রশাসনের অ্যাকশন, অতঃপর...
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলায় বাসভাড়া কত, তালিকা প্রকাশ