ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও নিজস্ব প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিশুরা সুন্দরভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের অনুষ্ঠানটি মূলত শিশুদের নিয়ে। তাই বড়দের বক্তব্যের চেয়ে শিশুদের কথা শোনাই হওয়া উচিত এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শিশু একাডেমির কার্যক্রম শুরুর সময় তিনি নিজেও শিশু হিসেবে সেখানে এসেছিলেন।

তিনি বলেন, আজকে তোমরা শিশু হিসেবে যেমন এখানে উপস্থিত হয়েছো, একদিন আমিও এই শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম। শিশু হিসেবেই এসেছিলাম। একজন শিশু অতিথি হিসেবে আমি এই শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম।

তিনি জানান, শিশু একাডেমির ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তিনি ও তার ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের একটি গল্প ও ছোট ভাইয়ের লেখা দেখতে পেয়ে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

শিশুদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি তোমাদের কাছে পড়ালেখার কথা বলব না। তোমাদের আজকে আমি বলব, তোমাদের খেলাধুলা করতে হবে।

শিশুদের বিভিন্ন প্রতিভার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ ভালো ছবি আঁকতে পারে, কেউ কবিতা আবৃত্তি করতে পারে, কেউ গান, নাচ কিংবা কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে। প্রত্যেক শিশুর ভেতরে কোনো না কোনো গুণ রয়েছে এবং সেই গুণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ সুযোগ।

নিজের গিটার ও কিবোর্ড শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, যারা গিটার, হারমোনিয়াম, বাঁশি কিংবা অন্য কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে, তারা যেন তা ভালোভাবে শেখে এবং সম্পূর্ণ করে। যারা গান বা নাচ পছন্দ করে, তাদেরও সেই প্রতিভা বিকাশে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইভাবে যারা কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াত পছন্দ করে, তাদের তা সুন্দরভাবে রপ্ত করার পরামর্শ দেন।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে সারাদেশে ২২ লাখ শিশু- ১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমও নতুন করে চালু করার কথা জানান তিনি। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া আয়োজন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শিশুদের শুধু সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী করে তুলতে হবে। একটি শিশুর শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে অন্তত কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সবার জন্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি বাচ্চার মধ্যে কোনো না কোনো কিছু একটা কোয়ালিটি আছে। আমাদের দরকার শুধু তাকে সেই সুযোগটা করে দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজেকে বিকশিত করতে পারবে।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, এ-সংক্রান্ত কাজগুলো মোটামুটিভাবে গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রস্তুত করতে স্কুল পর্যায় থেকে অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান, জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তার মতে, একটি তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে শিশুদের সহায়তা করবে।

শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না; তাদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, তোমাদেরকে কিন্তু মানবিক হতে হবে। তোমাদেরকে এই দেশের প্রকৃতি, এই দেশের পশুপাখির প্রতিও কিন্তু তোমাদেরকে মানবিক হতে হবে।

শিশুদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে। প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় এলে দেশে তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।  তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বর্তমানে কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল। তবে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবে।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, তেলের দাম যখন ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে তা কমে এসেছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে তেলের দাম কত দ্রুত সমন্বয় করা হবে? জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম সরকার যে দরে সমন্বয় করেছিল, তার তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে দাম কমার পেছনের কারণটিও বিবেচনায় নিতে হবে। তিনি বলেন, যেদিন আমরা তেলের মূল্য বাড়ালাম, তখন নিউজ কি হয়েছিল? তেলের মূল্য কমছে। ওইদিনই তেলের মূল্য একটু কমেছিল। মজার ব্যাপার, তার তিন-চার দিন পর আবার তেলের মূল্য বেড়েছে। আবার ১০৬-১০৭ এ চলে গিয়েছে।  তেলের বর্তমান দর কমার কারণ হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা একটা ডেটা পেলাম, কিন্তু ডেটার কারণটা যদি খুঁজি আপনারা খুঁজলেই দেখবেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে একটা বড় রিজার্ভ বাজারে ছেড়েছেন। তেলের দাম বর্তমান পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরকে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল দাম হিসেবে ধরে নেওয়া কঠিন। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে। জাহেদ উর রহমান বলেন, তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই যে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইনভেস্টমেন্ট কম হচ্ছে, এর প্রধান সাফারার তো জনগণ এবং জনগণ মানে সরকার। তিনি বলেন, একটি দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যায়। এতে মানুষ চাকরি হারাতে পারে, নতুন চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতনও বাড়ে না। ফলে বিষয়টি সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়। তিনি আরও বলেন, সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব। সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন করবে, বাংলাদেশ করবে নাকি অন্য কোনো দেশ করবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। চীনের সহযোগিতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান হয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা জরুরি। এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসকে
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে চায় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার (৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘কমনওয়েলথ বিজনেসউইমেনস নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী পরিচালক আরিফ জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান। আগামী নভেম্বরে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলন (সিএইচওজিএম)। সম্মেলনে নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের স্থান হিসেবে তুলে ধরার কৌশল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী ও কমনওয়েলথ প্রতিনিধির মধ্যকার এ আলোচনায় বাংলাদেশকে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার দেশ হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে একটি শক্তিশালী ‘উৎপাদন হাব’ হিসেবে দেশকে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়। বৈঠকে কৃষি ও গ্রামীণ উদ্যোগ জোরদার করা, ব্লু-ইকোনমিতে টেকসই সম্ভাবনার বিকাশ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ‘সার্কুলার ইকোনমি’ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও তারা মতবিনিময় করেন। এছাড়া মূল সম্মেলনের পাশাপাশি ‘কমনওয়েলথ উইমেনস ফোরাম’ নিয়েও কথা হয়। এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং তাদের সম্ভাবনার বিকাশ ঘটানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে কমনওয়েলথের এই ফোরামগুলোকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা তুলে ধরা ও যোগাযোগ আরো জোরালো করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মেঘনায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্য রাত থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে (২২ দিন) জেলেদের জনপ্রতি ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল দেওয়া হবে। 
মেঘনায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
দুর্গাপূজার ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন নির্দেশনা
আসন্ন দুর্গাপূজার ছুটি টানা পাঁচ দিন করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এ জন্য আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে অফিস করতে হবে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক দিনের অতিরিক্ত সরকারি ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন। সরকারের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার  (২০ অক্টোবর) মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমীতে সরকারি ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত হয়েছে। এরপর ২৩ অক্টোবর শুক্রবার ও ২৪ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে এই টানা ছুটি নিশ্চিত করতে ১৭ অক্টোবর শনিবারকে কর্মদিবস হিসেবে রাখা হয়েছে। ওই দিন সরকারি অফিস-আদালতের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলবে। এদিকে, চলতি বছর ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে। অতিরিক্ত এক দিনের সরকারি ছুটি যুক্ত হওয়ায় এবার দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। আরটিভি/এসকে
দুর্গাপূজার ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন নির্দেশনা
প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
আরও পড়ুন
শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী
শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পরিকল্পিত নগরায়ণে মাস্টারপ্ল্যানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী