ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দিবস উদযাপন-পালন ও ছুটি নিয়ে সরকারি অফিসকে জরুরি নির্দেশনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনে ছুটি ও নানা অনুষ্ঠান আয়োজন সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে সরকার।

রোববার (১১ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নতুন পরিপত্রে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন এবং ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে গত ১১ মার্চ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন/পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

পরিপত্রে বলা আছে, জাতীয় পর্যায়ের উৎসবসমূহ ব্যতীত সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তা হলো সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।

রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত আকারে সেমিনার/সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ/শোভাযাত্রা পরিহার করতে হবে।

কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত থাকবে। সরকারিভাবে গৃহীত কোনো কর্মসূচি যাতে অফিসের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত না ঘটায়, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদি ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

নগদ কিংবা উপকরণ আকারে অর্থ/সম্পদ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না- এরূপ সাধারণ ইভেন্টসমূহ ছুটির দিনে কিংবা কার্যদিবসে আয়োজন করা যাবে। কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে থেকে/জেলা পর্যায় হতে কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করা হবে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহের স্ব স্ব অধিক্ষেত্রে সমধর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়ে এরূপ দিবসসমূহ একই তারিখে একত্রে পালন করা আবশ্যক। মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এতদ্বিষয়ক সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে।

উল্লেখ্য, সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মসজিদ-মন্দির-গির্জায় প্রচারণা চালানোর নির্দেশ
দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম থেকে শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচির প্রচারণায় দেশের সব মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মসজিদ-মন্দির-গির্জায় প্রচারণা চালানোর নির্দেশ
খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল হয়েছে পরমাণু বিক্রিয়া
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে প্রথমবারের মতো সফলভাবে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া (ক্রিটিক্যালিটি) সম্পন্ন হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল হয়েছে পরমাণু বিক্রিয়া
মারুবেনি করপোরেশনের সঙ্গে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর
জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি কর্পোরেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি এ দেশে দ্বিতীয় একটি কাফকো স্থাপনের বিষয়েও আগ্রহী। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মারুবেনি কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসায়ুকি ওমোটোর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময়ে আলোচনাকালে এ আগ্রহ প্রকাশ করে মারুবেনি। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান। বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশে দ্বিতীয় একটি কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করে। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মারুবেনি কর্পোরেশনকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মারুবেনি কর্পোরেশনের সঙ্গে বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন নতুন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সেবাকেন্দ্র হিসেবে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের প্রকৌশল স্নাতকদের তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় আরও দক্ষ করে তোলার সরকারি পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক সেবার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।’ বৈঠকে আগামী একবছরের মধ্যে বাংলাদেশে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডেটা সেন্টার চালুর পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ প্রকল্পে মারুবেনি কর্পোরেশনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সম্ভাবনাও পর্যালোচনা করা হয়। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের কৃষিখাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সম্প্রসারণের বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। কৃষি উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে মারুবেনির বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে উভয়পক্ষ আলোচনা করে। এছাড়াও সার উৎপাদন খাতে সহযোগিতার বিষয়ে বৈঠকে কাফকোতে মারুবেনি কর্পোরেশনের বিদ্যমান বিনিয়োগ সম্প্রসারণের প্রসঙ্গ উঠে আসে। একই সঙ্গে দেশে দ্বিতীয় একটি কাফকো স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে মারুবেনি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর হলে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। মারুবেনি কর্পোরেশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুসুমু ওয়াকামোরি এবং বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি হেড মানাবু সুগাওয়ারা। আরটিভি/এসআর  
মারুবেনি করপোরেশনের সঙ্গে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আগামী ১২ ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারতকে প্রকৃত বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফারাক্কা চুক্তি আগামী ১২ ডিসেম্বরে শেষ হবে। আমরা ইতোমধ্যে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে এবং আমার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বিভিন্নভাবে আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ইতোমধ্যে কলকাতায় টেকনিক্যাল কমিটির একটা সভা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আহ্বান করব আমাদের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশকে, বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে যে চুক্তিটি করেছিলেন, পানি পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্যারান্টি ক্লজ- সেই গ্যারান্টি ক্লজকে সামনে রেখে আমরা চাই আগামীতে আমাদের এই ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন হবে, সেটাকে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে একপাক্ষিক সমর্থনের কারণে দুই দেশের জনগণের সম্পর্কে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছিল, গ্যারান্টি ক্লজসহ ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিতের মাধ্যমেই ভারতের সেই বন্ধুত্বের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। শুধু ফারাক্কা নয়, সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত আরও ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং সেগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় পঞ্চগড় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
মারা গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক জিম বাকার
নতুন কুঁড়ি-২০২৬: শুরু হচ্ছে শিশু-কিশোরদের আবেদন
আজীবন সম্মাননা পেলেন চিত্রনায়িকা নূতন-নৃত্যশিল্পী মুনমুন
বিটিভির সাবেক মহাব্যবস্থাপক রেজাউল করিম রবু আর নেই