ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

‘পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী জাপান’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৌজন্য ছবি

স্বাধীনতার পর থেকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের জ্বালানি, রেলপথ, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশটির সহযোগিতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘদিনের এই আন্তরিক বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই দেশের সহযোগিতার পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের বিদ্যমান অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান। আলোচনায় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে অঙ্গীকার করা হয়েছে। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশাও তুলে ধরেন তিনি।

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপানের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে জ্বালানি, রেলপথ ও অবকাঠামো খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব খাতে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান সফরের সময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে একাধিক সমঝোতা স্মারক বিনিময় করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান জাপানি বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সুযোগগুলো অনুসন্ধান করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা গেলে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং উভয় দেশের মানুষের জন্য সমৃদ্ধি অর্জনের পথ সুগম হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি পর্যায়ের সহযোগিতার পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান অংশীদারত্বকে এমনভাবে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে তা কেবল বর্তমান সময়ের প্রয়োজন পূরণেই সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও দীর্ঘস্থায়ী সুফল বয়ে আনে। দু’দেশের জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার’
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশের প্রতিটি ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিতে চায় বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার’
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
সাগরপথে ইউরোপ যেতে লিবিয়ায় গিয়ে আটকেপড়া আরও ১৭৪ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে দেশটির রাজধানী ত্রিপোলি থেকে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাঁদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে অনেকে দেশটিতে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এতে সহযোগিতা করে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। প্রত্যাবাসিত প্রত্যেক বাংলাদেশির প্রাথমিক প্রয়োজন মেটাতে আইওএমের পক্ষ থেকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এদিকে, অনিয়মিত পথে বিদেশযাত্রা ও মানবপাচারকারীদের প্রলোভন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তাদের অভিজ্ঞতা বিদেশযাত্রার ঝুঁকি ও সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে সহায়তা করবে। লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে এখনো আটক থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ করছে। আরটিভি/এসআর
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে শহর থেকে গ্রামকে ডিজিটাল সংযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে যা লিখলেন সানায়ে তাকাইচি
চারদিনের সফরে জাপানে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। এরপরই তারেক রহমানের সঙ্গে তোলা বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন সানায়ে তাকাইচি।  জাপানের প্রধানমন্ত্রী পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন,‘ আজ আমরা জাপানে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি শীর্ষ বৈঠক করেছি। একজন বন্ধু হিসেবে যিনি ‘গণতন্ত্র’ এবং ‘আইনের শাসন’-এর মতো মূল্যবোধ পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার অভিষেকের জন্য সরাসরি অভিনন্দন জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।  ‘গণতান্ত্রিকভাবে সাধারণ নির্বাচনের’ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত তারেক রাহমানের সরকার এবং তার জাতি গঠনের প্রচেষ্টাকে জাপান জোরালোভাবে সমর্থন করবে।’’ ‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত বলে উল্লেখ করেন তিনি। সানায়ে তাকাইচির ভাষ্য, আজ এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এবার আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, আমরা  দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার মূল বিষয় ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ জোন’ এর উদ্যোগ বা ‘বিগ-বি’র উদ্যোগকে বিকশিত করবো এবং প্রধানমন্ত্রী রহমানের সঙ্গে ‘শেয়ারিং সমৃদ্ধি বিগ-বি’ নামে একটি নতুন কৌশলগত সহযোগিতার উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করবো।’ তিনি আর লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ‘শান্তিপূর্ণ জাতি’ হিসেবে জাপানের যাত্রা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রাথমিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের জনগণের কাছে জাপানের একটি বিশেষ উপস্থিতি এবং জাপান সরকার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণের প্রদত্ত ব্যাপক সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ‘দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্ত করা বাংলাদেশ, জাপানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে ১৭০ মিলিয়ন মানুষের তরুণ বাজারের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। উভয় দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারত্বের’ আওতায় আজ প্রকাশিত ‘নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি’ সরকারি-বেসরকারি প্রয়াসের মাধ্যমে ‘শক্তি ও সমৃদ্ধি’র প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবো।’ আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে যা লিখলেন সানায়ে তাকাইচি
বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১৪৬টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল
আরও পড়ুন
জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
জাপানে জেরা’র এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠকে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ