ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতি, কঠোর অবস্থানে ইসি 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১২ পিএম
এনআইডি হাতে একজন নারী। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ সম্পত্তি বিক্রি, উত্তরাধিকার দাবি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, কোনো কোনো কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং ফৌজদারি মামলা ও গ্রেফতারের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এই অভিযোগে আমাদের অনেক কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত হয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে আমরা ফৌজদারি মামলা করেছি। তাদের গ্রেফতারের ব্যবস্থাও করেছি। সুতরাং আমরা ছাড় দিচ্ছি না।’

জালিয়াতি রোধে ইসির অবস্থান কঠোর। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট হওয়ার পরই সংশোধনের সিদ্ধান্ত দিচ্ছে কমিশন। আবেদনকারীকে সঠিক তথ্য ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দিতে হবে।

অপব্যবহারের প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে নাম বদল করে সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে। অনেকে উত্তরাধিকার বা ওয়ারিশ হিসেবে প্রমাণ করার জন্য এনআইডি সংশোধন করে। অনেকে জালিয়াতি করে পাসপোর্ট পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে। এজন্য যাচাই-বাছাই না করে সবকিছু সঙ্গে সঙ্গে করা যায় না, সংশোধন করে দেওয়া যায় না।’

ইসির কর্মকর্তারা জানান, এনআইডি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সম্প্রতি ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আ. ছত্তারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে ইসি। এ ছাড়া জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পঞ্চগড় সদরের অফিস সহকারী কামনা রানী সরকারকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

কী অসংগতি পাওয়া যাচ্ছে
কর্মকর্তারা বলেন, অনেক আবেদনে পিতা-ছেলের বয়সের ব্যবধান মাত্র তিন বছর, মা-মেয়ের ব্যবধান দুই-তিন বছর। কারও একাধিক জন্মনিবন্ধন বা শিক্ষাগত সনদ রয়েছে।
এসব যাচাই না করে সংশোধন করলে জটিলতা তৈরি হতে পারে, ভুয়া পরিচয়ে এনআইডি সংগ্রহের ঝুঁকিও থাকে।

সিইসি বলেন, ‘এমনও শোনা যায়, বিদেশি নাগরিক, রোহিঙ্গারা আমাদের নাগরিক হয়ে এনআইডি তৈরি করে ফেলে। এজন্য এগুলো যাচাই-বাছাই, তদন্ত ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন হয়।’

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, অনেক আবেদনকারী এমন জন্মতারিখ চান, যা আগের নিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একজনের জন্ম ১৯৯৭ সালে, ২০১৫ সালে ১৮ বছর বয়সে ভোটার হন। পরে জন্মসাল ২০০২ করতে চান। তাহলে নিবন্ধনের সময় তার বয়স হয় ১৩, অথচ ভোটার হওয়ার বয়স ১৮। এমন আবেদন কীভাবে গ্রহণ করা সম্ভব?

তিনি বলেন, অনেকে বিদেশে যাওয়ার সমস্যা বা ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা বলে মানবিক বিবেচনায় সংশোধন চান। যাচাই ছাড়া অনুমোদন করলে ইসিকেই সমস্যায় পড়তে হয়।

কোন নথি যাচাই হয়
কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ সংশোধন উপজেলা পর্যায়েই সম্ভব। তবে নাম, পিতা-মাতার নাম, বয়সসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একসঙ্গে সংশোধনের জটিল আবেদন উচ্চপর্যায়ে যায়। সেখানে জন্মনিবন্ধন ও শিক্ষাগত সনদসহ প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই হয়। পিতার নাম পরিবর্তনে পিতার এনআইডি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি। শুধু হলফনামার ভিত্তিতে সংশোধন সম্ভব নয়।

সিইসি বলেন, ‘আপনি যদি আপনার নাম ও বাবার নাম পরিবর্তন করতে চান, তাহলে আমরা বলতে পারি আপনার অন্যান্য ভাই-বোনের এনআইডি নিয়ে আসেন। তাদের এনআইডিতে বাবার নাম কী আছে।’

যথার্থতা প্রমাণের জন্যই এসব তথ্য চাওয়া হয় বলে তিনি জানান।

এনআইডি সংশোধন করতে আসা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ
সম্প্রতি এনআইডি সংশোধন করতে ইসিতে আসেন যশোরের কেশপুরের হরিদাশ কর্মকার (ছদ্ম নাম) ।

তিনি জানান, গত ছয়মাস আগে তার স্ত্রীর নাম সংশোধনের আবেদন করেছেন। সংশোধনের সময় বলা হয়, তার স্ত্রীর নামে দুটি জন্মনিবন্ধন রয়েছে। একটি জন্মনিবন্ধন বাতিল করে আসলে সংশোধন করে দেওয়া হবে। এরপর একটি জন্মনিবন্ধন বাতিল করে ইসিতে আসার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, নাম সংশোধনের জন্য তার স্ত্রীর ভাই-বোনের প্রত্যয়ন পত্র দিতে হবে। বায়োম্যাট্টিক দিতে হবে। এছাড়া আরো বিভিন্ন ডকুমেন্ট চাওয়া হয়। যা তিনি এখনো সংগ্রহ করতে পারেননি।

১৩ লাখ ৫৫ হাজার আবেদন বাতিল
ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত জমা পড়া ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি সংশোধন আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি বাতিল হয়েছে।

বাতিলের কারণ হিসেবে সিইসি বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্য নেই, জন্মসনদ নেই। অনেকের একাধিক জন্মসনদ, এসএসসি বা স্নাতকের সনদ থাকায় কোনো একটি ডকুমেন্টের ওপর নির্ভর করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাতিল হলে আবেদনকারী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবার আবেদন করতে পারেন। যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণ ছাড়া এবং নিশ্চিত না হয়ে কোনো আবেদন বাতিল করা হয় না বলে সিইসি উল্লেখ করেন।

আখতার আহমেদ বলেন, বাতিলের সংখ্যা মানেই এতজন আবেদনকারী নন। একজন চার-পাঁচবারও আবেদন করেছেন। একই আবেদনে একাধিক তথ্য সংশোধনের অনুরোধ থাকলে একটি সংশোধন হলেও অন্যগুলো বাতিল হতে পারে।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আরও বলেন, উপজেলা থেকে মহাপরিচালক পর্যায়ে বাতিলের পরও সচিব পর্যায়ে আপিল করা যায়, সেখানেও বাতিল হতে পারে।

তিনি বলেন, কোনো কোনো আবেদন ছয়-সাতবার পর্যন্ত বাতিল হয়েছে। ফলে বাতিলের মোট সংখ্যা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আবেদনকারীর সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় না।

প্রবাসীদের ক্ষেত্রে জটিলতা
কর্মকর্তারা বলেন, প্রবাসীদের সেবা সহজ ও দ্রুত করার চেষ্টা চলছে। যাদের কাগজপত্র সঠিক, তাদের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সিইসি বলেন, ‘আমরা অনেকগুলো দূতাবাসে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সেবা চালু করেছি।’

তিনি বলেন, অনেকে সঠিক পাসপোর্ট নিয়ে হয়তো বিদেশে যাননি, অনেক সময় দালালের মাধ্যমেও যান। এগুলো যাচাই করতে হয়। সৌদি আরবে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করছে বলে রিপোর্ট আসছে।

সিইসি আরও বলেন, ‘যদি সব তথ্য ঠিক থাকে, আমরা অবশ্যই দ্রুত সময়ে প্রবাসীদেরকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব। কারণ প্রবাসীরা দেশের লাইফলাইন বলতে পারেন। তাদের রেমিট্যান্সের ওপরই দেশের অর্থনীতি টিকে আছে। তাদেরকে ভিআইপি মর্যাদায় কাজটা করে দেওয়ার চেষ্টা করব।’

আখতার আহমেদ বলেন, অনেকে আগে এনআইডি করলেও পরে জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে পাসপোর্ট করেন, ফলে তথ্যে অমিল তৈরি হয়। জন্মনিবন্ধন তৈরির সময় এনআইডির সঙ্গে মিল রাখলে এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কাজের জন্য বয়সের শর্ত থাকায় অনেকে বয়স ও অন্যান্য তথ্য বদলান। পরে সমস্যায় পড়লে বাবা বা মায়ের নাম পরিবর্তনেরও আবেদন করেন।

কোন সংশোধন সহজ, কোনটি নয়
ইসির লক্ষ্য, নাগরিকেরা যেন নিবন্ধনের সময় সঠিক তথ্য দেন, যাতে পরে সংশোধনের প্রয়োজন না হয়। স্থানান্তরের কারণে ঠিকানা, বিয়ে বা বিবাহবিচ্ছেদে বৈবাহিক অবস্থা, এমনকি ধর্ম পরিবর্তন হলেও নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশোধন করা যায়।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নাম, বাবা-মায়ের পরিচয় বা জন্মতারিখের মতো মৌলিক তথ্য পরিবর্তনে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর
ডিসেম্বরে ১ তারিখ থেকে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে। জানুয়ারিতেই তারা এই ন্যূনতম বেতন পাবেন।
ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা উপস্থিতির কারণে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
শ্রমিক আন্দোলনের নামে ‘অস্থিরতার নেপথ্যে’ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
ঢাকার মিরপুর, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অন্যান্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর অনুপ্রবেশ ও নাশকতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।
শ্রমিক আন্দোলনের নামে ‘অস্থিরতার নেপথ্যে’ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
সাভারে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধর
ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর পদ্মার মোড় এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছে ৩ সংবাদমাধ্যমকর্মী।  বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে আন্দোলনকারীদের দ্বারা এই হামলার শিকার হন তারা।  হামলায় আহতরা হলেন— স্টার নিউজের সাভার প্রতিনিধি আহমাদ সোহান সিরাজী, একাত্তর টেলিভিশনের সাভার প্রতিনিধ রাইয়ান বিন আমিন এবং ক্যামেরাপারসন, মো. উজ্জ্বল হোসেন।  হামলার শিকার সংবাদমাধ্যমকর্মীরা জানান, সকালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহে হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড়ে যান তারা। কয়েকজন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকের বক্তব্য গ্রহণের পর ওই স্থান থেকে কিছুটা এগিয়ে ঘটনাস্থলের ফুটেজ সংগ্রহ করছিলেন তারা। এসময় মাস্ক পরা কয়েকজন তাদের সাংবাদিক পরিচয় শুনে লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারতে শুরু করে। একপর্যায়ে আশপাশ থেকে কয়েকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের বুঝিয়ে সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। আরটিভি/এসআর
সাভারে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধর
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই কর্মকর্তা
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’কে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমান। এই ঘটনায় তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব জেতী প্রু।  গত ১ নভেম্বর ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ উদ্যোগের আওতায় ঢাকার ছয়টি রুটে পরীক্ষামূলক বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মসিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানটিকে হাদিস বললে অনেকে মনে করতে পারেন, তিনি পরবর্তী পদায়নের আশায় প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার চেষ্টা করছেন। তবে তার মতে, স্লোগানটি একটি শাশ্বত বাণী। তিনি আরও বলেন, আমার আগে আমরা, সবার আগে দেশ—এ কথা কে অস্বীকার করতে পারবেন? স্বার্থপর, যার দেশপ্রেম নেই, সেই বলতে পারে, না, আমি মানি না। আমাকে বাদ দিয়ে আমরা সবাই মিলে থাকব, আর সবার আগে থাকবে দেশ। তারপরে “করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এটা হাদিস, হাদিস। এটা শাশ্বত বাণী। মসিউর রহমান তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘এটা হুজুররা বললে হাদিস হয়ে যেত। তো ওনার মুখে দাড়ি নেই, টুপি পরেন না, এজন্য হাদিস হয়নি! এটা হাদিস।’ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে দেওয়া তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার প্রজ্ঞাপনে তাঁর বক্তব্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া প্রতিক্রিয়ার কোনো উল্লেখ করা হয়নি। আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই কর্মকর্তা
আরও পড়ুন
আইসিএপিপির ১৩তম অধিবেশনে অংশ নেবে বিএনপি
ইমার্জিং ট্রফিতে পূর্ণ শক্তির দল ঘোষণা বাংলাদেশের, নতুন অধিনায়ক নাহিদা
এবার ক্রিকেটেও দেওয়া হবে ব্যালন ডি’অর, কবে থেকে শুরু
আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব