
কীভাবে রাজাকারদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম চলে এলো তা রহস্যজনক। তালিকা প্রকাশ করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় গোলমাল করে ফেলেছে। এটি খুব খারাপ কাজ হয়েছে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বুধবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুব কষ্টের বিষয় যে, যাদের পরিবারের সদস্য শহিদ হয়েছেন, যুদ্ধ করেছেন। এখন যদি তাদের রাজাকার শব্দটি শুনতে হয়। তাহলে খারাপ লাগারই কথা। আমি বলব যারা দুঃখ পেয়েছেন তারা শান্ত হোন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এত তাড়াতাড়ি এটি প্রকাশ করার কথা না। তাও বিজয় দিবসের আগে। তালিকা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে বলেছিলাম মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীকে। এত সুন্দর বিজয় দিবস উদযাপন করলাম, কিন্তু শহিদ পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এতে কষ্ট পেয়েছে।
রাজাকারদের তালিকা করতে গিয়ে, স্বাধীনতার পর যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল তাদের তালিকাও ঢুকে পড়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল তাদের অনেককেই পাকিস্তান দুর্বৃত্ত-সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে মামলা দিয়েছিল।
জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের নেতাদের তালিকা ধরে ধরে কষ্ট দিয়েছে। এরশাদের সময়ও এটি হয়েছে।
এমকে




