
বায়ুদূষণ রোধ এবং নির্মল বাতাসের গুরুত্ব সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে আজ ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নীল আকাশ দিবস। সুস্থ জীবন, শক্তিশালী অর্থনীতি ও স্থিতিশীল জলবায়ুর জন্য নির্মল বাতাসের গুরুত্ব তুলে ধরাই দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য।
জাতিসংঘের উদ্যোগে পালিত এই দিবসে সরকার, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষকে বায়ুদূষণ কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, বায়ুদূষণ এখনো জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তবে বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নও সম্ভব।
এ বছরের দিবসের মূল বার্তা হলো—পরিষ্কার বাতাস নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নিতে হবে, যা মানুষের জীবনকে স্বাস্থ্যকর করবে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং জলবায়ু সুরক্ষায় অগ্রগতি ত্বরান্বিত করবে।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও জলবায়ু ও নির্মল বায়ু জোটের প্রকাশিত নতুন এক বৈশ্বিক মূল্যায়নেও বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপের অর্থনৈতিক সুফলের কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে ২৫টি কার্যকর পদক্ষেপ ও নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য রক্ষা, অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং জলবায়ু লক্ষ্যে অগ্রগতি অর্জনের সুযোগের কথা বলা হয়েছে।
বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষ, অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর ক্রমেই বাড়ছে চাপ। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক নীল আকাশ দিবসের আহ্বান হলো—সবার জন্য নির্মল বাতাস, সুস্থ জীবন ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করা।
দিবসটির ইতিহাস:
২০১৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৭ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক নীল আকাশ দিবস হিসেবে নির্ধারণ করে। প্রথমবার দিবসটি পালিত হয় ২০২০ সালে। দিবসটি পালনের মাধ্যমে বায়ুর মান উন্নয়নে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এই দিবসের মূল লক্ষ্য হলো, বায়ুদূষণ রোধ, বাতাসের মান উন্নয়ন এবং নির্মল বাতাস নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সচেতনতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
আরটিভি/জেএমএ



